1 Answers

'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধে প্রকাশিত নববর্ষ উদ্যাপনের 'হালখাতা' অনুষ্ঠানের বিষয়টি উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন বাঙালির ঐতিহ্য, সর্বজনীন উৎসব। পুরনো বছরের সমস্ত গ্লানি মুছে ফেলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নতুন করে, নতুন প্রাণে প্রাণিত হয়। এই উৎসবে জাতি-ধর্ম-গোত্র, উঁচু-নিচু কোনো ভেদাভেদ থাকে না। বাংলা ভাষা, বাংলার উৎসব, বাংলার মানুষ- পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত।

উদ্দীপকে শহর অঞ্চলে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। রমনা বটমূলকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকা শহরের সব শ্রেণির মানুষ বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পালন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের মঙ্গল শোভাযাত্রায় মুখোশ, কার্টুন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীকধর্মী চিত্র বহন করে। 'পয়লা বৈশাখ' প্রবন্ধের নববর্ষ উদ্যাপনের অন্যতম বিষয় হালখাতা। এটি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের অনুষ্ঠান। সারা বছর বিভিন্ন জিনিসপত্র ক্রয় করার কারণে বছর শেষে ক্রেতার কাছে টাকা পাওনা থাকে। সেই টাকা পরিশোধ করার জন্য নববর্ষের দিন তাকে নিমন্ত্রণ করে এনে বিক্রেতা তাকে মিষ্টিমুখ করান। ক্রেতাও বিগত বছরের পাওনা মিটিয়ে দিয়ে পুরনো খাতার হিসাবের ইতি টানেন। এই আনন্দের বিষয়টি উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

5 views

Related Questions

জীর্ণ- পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে বাংলার ঘরে ঘরে বাংলা নববর্ষ আসে নতুন আশা , নতুন স্বপ্ন ম নতুন প্রত্যয় নিয়ে। এ উৎসেবের সর্বজননীতা অসাধারণ। পৃথিবীতে প্রচলিত অধিকাংশ বর্ষপুঞ্জি উৎপত্তি কোনো না ধর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু বাংলা নববর্ষের সঙ্গে ধর্মীয় অনুসঙ্গ নেই। কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করেই এর প্রচলন। পরে যুক্ত হয় ব্যবসা – বাণিজ্যে েদেনা পাওনার হিসাব মেটানোর বা হালখাতার বিষয়। এখন পয়লা বৈশাখ সব বাঙালির সর্বজনীন সাংস্কৃতিক আনন্দ উৎসব। ধর্ম – সম্প্রদায় নির্বিশেষ বাংলা ভূখন্ডের সব মানুষের প্রানের উৎসব বাংলা নববর্ষ । ষাটের দশকের রমনা বটমূলে সূচীত ছায়ানটের বর্ষবরণ উৎসব বাঙালির আত্মপরিচয়ের আন্দোলন – সংগ্রামকে বেগবান করেছে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views