1 Answers

আমি মনে করি রাফি পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়ে উঠবে না। রাফি বৈমানিক হতে চায়। বৈমানিক হতে হলে বিজ্ঞানের ওপর দক্ষতা থাকা জরুরি। কিন্তু তার মা তাকে পছন্দমতো পড়তে দেন না। এছাড়া বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী তাকে খেলতে দেন। যা তার বিকাশে বাধা হয়ে উঠতে পারে।

কৈশোরকালীন সময়ে ছেলেমেয়েরা আত্মনির্ভরশীল হতে পছন্দ করে এবং এটি হলো পরিপূর্ণ বিকাশের সময়। তাদের মধ্যে স্বাধীনভাবে কাজ করার চাহিদা থাকে। তারা বন্ধুদের সাথে মিশে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করতে চায়। পরিবার ও সমাজের প্রেক্ষিতে তারা ভালো-মন্দ, ন্যায়- অন্যায় বোঝা শুরু করে এবং তাদের নিজস্ব লক্ষ্য ও মূল্যবোধ তৈরি হয়। তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পেশার চিন্তা করে ও সে অনুযায়ী পড়াশোনা করে। কিন্তু এ সময় পিতামাতা বাধা দিলে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় পরিবার থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে খারাপ বন্ধুদের সাথে মেশার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। ফলে শারীরিক, সামাজিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়।

তাই আমি মনে করি, এরূপ পরিবেশে থাকলে রাফির পরিপূর্ণ বিকাশ হবে না।

4 views

Related Questions

মানুষের জীবনপ্রবাহ গতিশীল ও পরিবর্তনশীল। মানবসমাজে নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা নিরবচ্ছিন্ন দুঃখ বিরাজোমান নয় । অথচ মানুষ যখন সুখসাগরে অবগাহন করে অকস্মাৎ দুঃখ এস হানা দেয়, মানুষ অসহায় ও হতাশ হয়ে পড়ে। কিন্তু জীভনের এই ছন্দপতন সহজভাবে মেনে নিতে অভ্যস্ত হলে আরো সহজ এবং সুন্দর হয়ে উঠবে মানুষের জীবন। জীবন সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে অনায়াসে । মন্দ কিংবা ভালো যাই হোক না কেন সত্যকে জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য হওয়া উচিত । ত েসত্যকে রক্ষা করার জন্যে মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন । দৃঢ় মনোবলের মধ্যে দিয়ে, আদর্শ ও নীতি অক্ষুন্ন রেখে নিখাদ সৎ হয়ে উঠতে পারলেই প্রকৃত গন্তব্যে পৌছানো সম্ভব । ক্নিতু সত্য প্রতিষ্ঠা এবং প্রকৃত গন্তব্য উপনীত হওয়ার সংগ্রাম খুবই কঠিন। যেসব মনীসী পৃথিবী অমর হয়েছেন। তাঁরা নিষ্ঠূর নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও সত্যকে বর্জন বা ত্যাগ করেন নি, বরং আরো আঁকড়ড়ে ধরেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী হযরত মুহাম্মদ ( সা) এর শ্রেষ্ঠতম উদাহরণ। (Bangla to English)
1 Answers 12 Views
কর্ম মুখর পৃথিবীতে মানুষ তার কর্মময় জীবন নিয়ে বেঁচে থাকে। এই কর্মের সোনালি ফসল কিছু সে ভোগ করে , আর কিছু জগতের কল্যানের জন্য নিবেদন করে। এ পৃথিবীতে মানুষের জীবন নশ্বর তাই নশ্বর জীবনে যা কিছু ভোগ করা হয় , জীবন অতিবাহিত হওয়ার পথে তা নিঃশেষিত হয়ে যায়। এ জগতে যারা স্বার্থপর তাদের জীবনে ভোগের পরিমান বেশি। কিন্তু যারা কল্যানকামী , যারা ত্যাগ স্বীকার করে মানবকল্যানের জন্য নিজদের জীবনকে উৎসর্গ করে গিয়েছেন , তাদের মৃত্যুর সাথে সাথে সে জীবন নিঃশেষিত হয়ে যায় না। ব্যাক্তিমানুষের মৃত্যু ঘটে, কিন্তু কীর্তি বেঁচে থাকে। তাই যে ব্যাক্তি জনগনের কল্যানে কিছু করে , মানবজীবনে তা অমর হয়ে রয়ে যায়। বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে দৃষ্টি নিবন্ধ করলে দেখা যায় , জগতে যারা মানবকল্যানে কিছু দিয়ে গেছেন তারাইওমর হয়ে আছেন। মহাকালের করাল গ্রাসে সবই চলে যায় , কিন্তু বেঁচে থাকে তার সুকীর্তি। সেই মহৎ কীর্তি জগতে অমর হয়ে থাকে। সকৃতজ্ঞ জনগন তার অবর্তমানে তার দানের ভার বহন করে।
1 Answers 16 Views
Translate the following passage into English:বাংলা ও বাঙালি সংস্কৃতির উৎসে যদি আমরা যাই তাহলে দেখবো, বাংলা ভাষা প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন। কিন্তু, জাতিসত্তা হিসেবে বাঙালির বয়স কয়েক হাজার বছর। এখানে বিভিন্ন জাতি-উপজাতি আগমনের ফলে, ও জাতির মিশ্রণে বাঙালি একটি মিশ্র জাতিসত্তা হিসেবে বিকশিত হয়েছে। ককেশীয়, ভোটচিন, অস্ট্রিক, নানা বর্ণ নিগ্রোয়েড ইত্যাদি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণেই বাঙালি জাতিসত্তা গড়ে উঠেছে এই ভূখণ্ডে। উভয় বঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই মানব বসতির প্রমাণ ও উপকরণ আবিষ্কৃত হয়েছে। এসবের বিশদ আলোচনায় না গিয়েও বলা চলে যে যখন ইতিহাসের যবনিকা উন্মোচিত হলো সে সময়ও বিভিন্ন উপজাতি গোষ্ঠীর নামানুসারে বাংলায় বেশ কিছু জনপদের পরিচয় আমরা প্রাচীন আর্য গ্রন্থসমূহ, যেমন রামায়ণ, মহাভারত ও অন্যান্য আদিগ্রন্থ, যেমন কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে পাচ্ছি। পুণ্ড্র, বঙ্গ, কলিঙ্গ, গৌড়, হরিকেল ইত্যাদি নাম যেমন জনপদের, তেমনি বিভিন্ন কৌম বা উপজাতির। আজ এসব কৌমের আলাদা পরিচয় আর নেই। এরা সবাই এক হয়ে মিশে গিয়ে বাঙালি নাম নিয়েছে, বাঙালি হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। বাংলা এদের সবার মুখের ভাষা ।
1 Answers 5 Views