1 Answers

কালাম সাহেবের আসবাব ক্রয় করা যুক্তিযুক্ত ছিল না। প্রয়োজন না থাকলে হুজুগের বশে ক্রয় করলে অপচয় হয়। পুরনো আসবাবপত্র যদি রং বা বার্ণিশ করে ব্যবহার করা যায় তাহলে নতুন আসবাব ক্রয় করে অর্থের অপচয় করা ঠিক নয়।

কালাম সাহেব অন্যের কাছ থেকে অর্থ ধার করে নানা রকম আসবাব ক্রয় করেন। তিনি শখের বশে নতুন আসবাব ক্রয় করেন। নতুন আসবাব দিয়ে ঘর সাজাতে গিয়ে তাকে নানা ধরনের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া অতিরিক্ত আসবাবপত্র থাকলে ঘরে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে না, হাঁটাচলার অসুবিধা হয়।

আসবাব নির্বাচনের জন্য বা ক্রয়ের জন্য প্রথমেই বিবেচনা করতে হয় আসবাবটির প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। এক্ষেত্রে পরিবারের আসবাবটি আয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, এছাড়াও কক্ষের আয়তন ও আকারের সাথে সামঞ্জস্যের বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হয়। এমনকি জীবনযাত্রার মানের ওপর ভিত্তি করে আসবাব কিনতে হয়।

এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে কালাম সাহেব আসবাব ক্রয় করেননি। এর ফলে একদিকে যেমন আসবাবগুলো সাজাতে তার সমস্যা হয়, তেমনি অর্থেরও অপচয় হয়।

4 views

Related Questions

আঠারো/ উনিশ শতকে ঢাকার একটা আলাদা জীবন ছিল। কিন্তু সমস্ত পূর্ববঙ্গ একটা পশ্চাৎ ভূমি। বাংলার রাজধানী কোলকাতা থাকায় সেখানেই ছিল সমস্ত শিক্ষা, দীক্ষা ব্যবসআ বাণিজ্য এবং সমৃদ্ধি। পূর্ব বাংলা থেকে সমস্ত অর্থ- সম্পদ চলে যেত কোলকাতা কেন্দ্রিক জমিদারদের হাতে , যাদের অনেকেরই জমিদারি ছিল বাংলাদেশে। এই বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হতে হতে কুঁড়ি শতকের ইংরেজ শাসকরাও বুঝতে পেরেছিলেন যে পূর্ববঙ্গ সত্যি সত্যি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তারা এও বুঝতে আরেকটি বড় অভাব তারা চিহ্নিত করেছিল। সেটা ছিল শিক্ষার অভাব। এরপর ১৯০৫ সালে প্রথম যখন বঙ্গভঙ্গ হল তখন ঢাকা একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পেল। তখনই সত্যিকার অর্থে জেগে ওঠে ঢাকা। তখন যে সমস্ত বাঙালি ঢাকার বাইরে ছিল তাদের সৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঢাকার দিকে। সেই সময়েই আসলে পূর্ববঙ্গের জাগরণ শুরু হয়। (Translate Bengali to English)
1 Answers 4 Views