1 Answers

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের প্রযুক্তি নির্ভর ডিজিটাল দেশ গড়ার চূড়ান্ত সময়কাল । ডিজিটাল বাংলাদেশ হবে সেই সুখী, সমৃদ্ধ, শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর বৈষম্য, দুর্নীতি, দারিদ্র্য ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ, যা প্রকৃতপক্ষেই সম্পূর্ণভাবে জনগণের রাষ্ট্র এবং যার মুখ্য চালিকাশক্তি হচ্ছে ডিজিটাল প্রযুক্তি। ডিজিটালকরণে মোবাইল মানি অর্ডার সার্ভিসটি ৯মে ২০০৬ ডাক বিভাগ চালু করে।

  • অনলাইন টেন্ডারঃ সরকারি ক্ষেত্রে প্রথম ভূমি প্রশাসন চালু হয় ৪ অক্টোবর, ২০০৯। 
  • ৩ জানুয়ারি ২০১০ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কমৃসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রথম ডিজিটাল নথি নম্বর চালু করে।
  • ৬৪টি জেলার ওয়েব পোর্টাল www.de (zillaname)gov.bd চালু হয় ৬ জানুয়ারি ২০১০ সালে ।
  • আইসিটি ল্যাব প্রথমবারের মতো দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারিভাবে এটি চালু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে।
  • মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইস্যু করা হয় ১ মে ২০১০ সালে ।
  •  ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে 4G মোবাইল ইন্টারনেট চালু হয়।
  • ঢাকা মেট্রোপলিটন থানাগুলোতে অনলাইন জিডি কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে ২০১০ সালে ।
  • সর্বশেষ ১২ মে ২০১৮ বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আর এক ধাপ এগিয়ে গেল। সর্বোপরি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দরকার দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও কার্যকারী জনশক্তি।

 

ডিজিটাল বাংলাদেশঃ

  • ডিজিটাল বাংলাদেশের নবযাত্রা শুরু ২০০৯ সাল থেকে।
  • বর্তমানে ডাকঘর ডিজিটালের আওতায় আনা হয়েছে। 
  • ডিজিটালকরণে ইন্টারনেটের ব্যবহার বেড়েছে।  
  • ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 4G বা চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা চালু হয়।
  • সারাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারে ও ডিজিটালকরণে তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
  • ব্যান্ডউইথ রপ্তানির মাধ্যমে আমাদের দেশের সক্ষমতা বেড়েছে।
  • ডিজিটালকরণে তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজ ও চাকরির ব্যাপ্তি বেড়েছে। 
  • ডিজিটালকরণের মাধ্যমে আমরা এখন খুব সহজেই ঘরে বসে ব্যাংকিং সেবা, বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল ও অনলাইনের মাধ্যমে কেনাকাটা করতে পারি।
     

১২ মে ২০১৮ বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ডিজিটালকরণে আর এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ । সবশেষে বলতে পারি যে, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে দক্ষ, প্রশিক্ষিত জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। 

6 views

Related Questions

শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ব্লুমবার্গের কোভিন্ন সহনশীলতা সূচকে চলতি মাসে পাঁচ ধাপ এগিয়ে বিশ্বের ৫০টি দেশের মধ্যে ৩৯ তম অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। গত আগস্টে ব্লুমবার্গের এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৪ তম কোভির ১৯ নিয়ন্ত্র স্বাস্থ্যসেবার মান, টিকাদান, সামগ্রিক মৃত্যুহার ও গত মাসে ভ্রমণ পুনরায় শুরু এবং সীমান্ত বিধি-নিষেধ শিথিলসহ মোট ১২ টি তথ্য সূচকের ওপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম ৫৩ অর্থনীতির দেশকে নিয়ে এই সূচক তৈরি করেছে ব্লুমবার্গ সূচক অনুযায়ী, করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় মোট ১০০ স্কোরের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ৫৯ দশমিক ৬। (Translate into English)
1 Answers 6 Views
অর্থনীতির সব সূচকে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে। রপ্তানি, রেমিট্যান্স, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব ক্ষেত্রেই নিন এ উন্নতি হচ্ছে। কৃষি ও খুদে খাতে প্রচুর অর্থায়ন ঘটছে। এর ফলে দেশীয় চাহিদা ও বাজার যেমন বেড়েছে, তেমান সরবরাহ বেড়েছে। দেশের মানুষের ঘুরে দাড়ানোর শক্তি বরাবরই দৃশ্যমান। মাঝে-মধ্যে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা হলেও গত এক ধরে গড়ে ৬.১৪ শতাংশ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন দেশের অগ্রগতিরই প্রমাণ। অতি দারিদ্র্যের হার কমানোর ক্ষেত্রে আমরা এখন বেশি এগিয়ে। এই হার প্রায় ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এটিকে ৭ শতাংশে ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি অর্জনে মাথাপিছু আয় বাড়ানোর বিকল্প নেই। সে জন্য অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এসডিজি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ আমরা তৈরি করেছি, তার আলোকে সবাইকে নিয়ে সম্মিলিত জাতীয় উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে। আর ফু হলেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। (Translate into English)
1 Answers 6 Views