1 Answers

মানবিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের সাফল্য

মানবিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের সাফল্য গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সুযোগ্য, মাদার অব হিউমিনিটি খ্যাত প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে যা সারা বিশ্বের জাতী সমৃদ্ধের নিকট দৃষ্টান্তসরূপ অর্জন। বহুল আলোচিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যা রোহিঙ্গা মুসলমানদের নিয়ে সৃষ্ট সংকট নিরসনে বাংলাদেশ সরকারের অবদানই বাংলাদেশকে মানবিক কূটনীতিতে সফলতা এনে দিয়েছে।

 মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ২১৬টি গ্রাম সম্পূর্ণভাবে অংস করা হয়েছে। এই সকল শতাংশ করেছে। বিশ্বরাইদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংগঠনের তথ্যমতে মিয়ানমারের বাহার ৭০০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে। নির্ধ নির্যাতন এড়ানোর জন্য বাংলাদেশে অনুপ্রে করে। জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে সাড়ে হয় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা প্রবেশ করে।

 বাংলাদেশের ভূমতে রোহিঙ্গ জনগোষ্ঠী অনুপ্রবেশের ফলে সার্বিক পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণের জন্য ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে বাংলাদেশ কারালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে রোহিঙ্গা সেল গঠন করে। ১১ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখ হতে রোহিঙ্গা সরার্থীদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন করা হয়। 

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে সাধারণ পরিষদের ৭২তম অধিবেশন ভাষণে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের স্থায়ী ও দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণে জাতিসংঘ এবং আন্ত জাতি সম্প্রদায়ের প্রতি আহলান জানান। এই লক্ষ্যে তিনি ৫টি প্রস্তাব পেশ করেন। এগুলো হলোঃ

 ০১. অনতিবিলম্বে ও চিরতরে মিয়ানমারের সহিংসতা নিঃশর্তে বন্ধ করা। 

০২. মিয়ানমারে জাতিসংঘের নিজস্ব অনুসন্ধান দল পাঠানো।

 ০৩. মিয়ানমারের ভেতরে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সুরক্ষাবলয় গড়ে তোলা। 

০৪. রাখাইন রাজ্য থেকে তাড়িয়ে দেয়া সব রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে তাদের নিজেদের বাড়িতে পুনর্বাসন নিশ্চিত করা। 

০৫. অতি অপস কমিশনের সুপারিশমালা নিঃশর্ত ও দ্রুত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। 

5 views

Related Questions

প্রত্যেক জাতির বিশেষ কতকগুলো দিন থাকে যার মর্যাদা ও গুরুত্ব অত্যধিক। জাতির অগ্রগতি ও চেতনার পেছনে সেসব কাজ করে। স্বাধীনতা দিবস তেমনি একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। স্বাধীনতা দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যে জাতি পরাধীন সে জাতির কোন গৌরব নেই। স্বাধীনতা জাতিকে আত্মমর্যাদাসম্পন্ন করে তোলে। তাই জাতির জীবনে স্বাধীনতার সীমাহীন গুরুত্ব রয়েছে। যে দিবসটিতে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল সে দিনকে তাই স্মরণ করে জাতীয় জীবনে তা প্রেরণা অনুভব করা হয়ে থাকে।আমাদের জাতীয় জীবনেও স্বাধীনতা দিবসের অবদান ও অপরিসীম গুরত্ব বিদ্যমান রয়েছে। এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এর জন্য বহু ত্যাগ আমাদের স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে এই দিনই আমাদের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। সেই মহান দিনের কথা স্মরণ করেই প্রতি বছর ছাব্বিশে মার্চ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবসের সীমাহীন তাৎপর্য অনুসরণ করে থাকি। পরাধীনতা আর শোষণের যাতনা থেকে আমরা এই দিনে মুক্তি পেয়েছিলাম। স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালির সংগ্রাম এই দিনে শুরু হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে তাই আমাদের মর্যাদা নতুন করে উপলব্ধি করার সময়। নিজেদেরও চেনার সুযোগ নিয়ে আসে এই দিনটি।জাতীয় জীবনের কর্তব্য সম্পর্কেও এই দিন সচেতন হওয়া যায়। স্বাধীন জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা রক্ষা করতে হলে তার জন্য উপযুক্ত হয়ে আমাদের তৈরি হতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে তা রক্ষা করা অনেক কঠিন। তাই নিজেদের সুশৃঙ্খল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার মাধ্যমে সংগ্রামের সাফল্য নির্ভর করে। সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য স্বাধীনতা দিবস আমাদের কর্তব্য-সচেতন করে। স্বাধীনতা দিবস আমাদের গৌরবের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়-নতুন করে শপথ নেবার সুযোগ আনে স্বাধীনতা দিবস । (Translate from Bangla to English)
1 Answers 9 Views
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) আওতায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ২০৩০ সালের মধ্যে ক্ষুধার অবসান, খাদ্যনিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একই সঙ্গে টেকসই কৃষির প্রসারের অংশ হিসেবে কৃষিজ উৎপাদনশীলতা এবং ক্ষুদ্র পরিসর খাদ্য উৎপাদকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্য রয়েছে। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনে সাফল্য লাভের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমতার আওতায় এনে উন্নয়নের স্রোতধারায় যুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে এসডিজি বাস্তবায়নের পথে কাজ করছে। মাঠ পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে সবাই কমবেশি জানেন। তবে কঠিন শব্দের বেড়াজাল টপকে লক্ষ্যমাত্রার সঠিক অর্থ উপলব্ধি অনেকের কাছে কষ্টসাধ্য। (Translate the following into Bangla)
1 Answers 8 Views