1 Answers

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন 

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন হলো দূষণমুক্ত শিল্পায়ন। পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়নকে সবুজ শিল্পায়ন নামেও অভিহিত করা পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের জন্য বর্তমানে পরিবেশবাদী সংগঠনসহ সারা বিশ্ব চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব জন্য উন্নত ও প্রভাবশালী দেশগুলো প্রধান অন্তরায়। 

যেসব শিল্প কারখানা পরিবেশবাদ নয় সেসব কারখানাগুলোর জন্য বায়ু, মাটি, পানিও পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এর বছ পরিবেশ দূষণের মাত্রা ক্রমেই বেড়ে চলছে। পরিবেশ দূষণের কারণে মানুষ সহ অন্যান্য জীব-জন্তুর জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে আমাদের এ সুন্দর ধরণী ক্রমেই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে।

শিল্প কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোঁয়া ও শিল্প বর্জ্য পানি, বায়ু, মাটিতে মিশে পরিবেশ দূষিত করছে। পরিবেশ দূষার ফলে উষ্ণতা বাড়ছে, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে হুমকির মুখে সারা বিশ্ব। এর থেকে পরিত্রানের একমাত্র উপায় পরিবেশ বাস্তব শিল্পকারখানা।

বর্তমানে পরিবেশকে সুরক্ষা দিতে কিয়েটো প্রটোকল, উলানবাটোর সম্মেলন, কোপেনহেগের সম্মেলনসহ সারা বিশ্বের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বিশ্বকে নিরাপদ করতে পরিবেশ দূণষমুক্ত রাখতে এসব সম্মেলন থেকে গৃহীত সকল শর্ত মোছ চলা বাধ্যতামূলক করতে হবে। বর্তমানে পরিবেশ বান্ধব শিল্পায়নে বাংলাদেশ অন্যান্য দেশের থেকে এগিয়ে রয়েছে। বিশ্বের শীর্ষ ১০টি পরিবেশবান্ধ গার্মেন্টস অরখানার ৭টি-ই বাংলাদেশে। পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের জন্য আমাদের একদিকে বিলাসিতা বর্জন করতে হবে তেমনি পরিবেশ সুরক্ষার জন্য চেষ্টা করতে হবে। পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের জন্য একদিকে যেমন শিল্পকারখানাগুলোর দূর্গ রোধ করতে হবে অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লার ব্যবহার কমাতে হবে। জাপান ও যুক্তরাজ্য তাদের কয়লাভিতি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। অন্যান্য উন্নত দেশগুলোরও উচিত এরকম পদক্ষেপ নেওয়া।

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বনায়ন করতে হবে। কৃষিতে সার ও কীটনাশক যথাসম্ভব বা ব্যবহার করতে হবে। বেশি করে সবুজ সার ও জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। জীবাশ্ম জ্বালানি ও শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এতে করে সবুজ শিল্পায়নের বিপ্লব ঘটবে। তাই সবশেষে বলতে পারি যে, আমাদের সুন্দর ঘরণী রক্ষা করতে হলে পরিবেশবান্ধব শিল্পয়নের কোন বিকল্প নেই। বর্তমানে শিল্পায়ন ছাড়া জীবন চলবে না কিন্তু ধরণীকে রক্ষা করতে তথা মানব জাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পরিবেশবান্ধ শিল্পায়ন একান্ত জরুরী । 

4 views

Related Questions

আঠারো/ উনিশ শতকে ঢাকার একটা আলাদা জীবন ছিল। কিন্তু সমস্ত পূর্ববঙ্গ একটা পশ্চাৎ ভূমি। বাংলার রাজধানী কোলকাতা থাকায় সেখানেই ছিল সমস্ত শিক্ষা, দীক্ষা ব্যবসআ বাণিজ্য এবং সমৃদ্ধি। পূর্ব বাংলা থেকে সমস্ত অর্থ- সম্পদ চলে যেত কোলকাতা কেন্দ্রিক জমিদারদের হাতে , যাদের অনেকেরই জমিদারি ছিল বাংলাদেশে। এই বঞ্চনার ইতিহাস দীর্ঘ হতে হতে কুঁড়ি শতকের ইংরেজ শাসকরাও বুঝতে পেরেছিলেন যে পূর্ববঙ্গ সত্যি সত্যি বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তারা এও বুঝতে আরেকটি বড় অভাব তারা চিহ্নিত করেছিল। সেটা ছিল শিক্ষার অভাব। এরপর ১৯০৫ সালে প্রথম যখন বঙ্গভঙ্গ হল তখন ঢাকা একটি প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পেল। তখনই সত্যিকার অর্থে জেগে ওঠে ঢাকা। তখন যে সমস্ত বাঙালি ঢাকার বাইরে ছিল তাদের সৃষ্টি পড়তে শুরু করল ঢাকার দিকে। সেই সময়েই আসলে পূর্ববঙ্গের জাগরণ শুরু হয়। (Translate Bengali to English)
1 Answers 4 Views
শীর্ষ প্রবাসী জায় অর্জনকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম হলেও গত বছর প্রবাসী আয়ে কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি বরং অনেক কমেছে। প্রবাসী জায়ের এই অধোগতি অব্যাহত থাকলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেবে। কারণ অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের অবদান মোট জিডিপির ৬ শতাংশের মতো। প্রবাসী আয় কমে যাও পেশনে মূল কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোতে তেলের দাম কমে যাওয়া। এটাই মূল কারণ হয়ে থাকে, তাহলে প্রবাসী আয়ের লক্ষ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে। পাশাপাশি আমাদের বিকল্প জনশক্তির বাজার খুঁজতে হবে। প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অদক্ষতাও একটি বড় কারণ। ফলে জনশক্তির নতুন বাজার খুঁজে বের করতে উদ্যোগী হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ যৌ লক্ষ শ্রমিক পাঠানোর দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম শ্রমিক গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। (Translate into English)
1 Answers 7 Views
দিন দিন অনলাইনে কেনাকাটা জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর এ সুযোগে একটি চক্র গ্রাহকদের সঙ্গে করছে প্রতারণা। অনলাইনে চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে অনেক সাধারণ গ্রাহক পণ্য কিনে নানাভাবে প্রতারণা শিকার হচ্ছেন। বিশেষ করে চাহিদা অনুযায়ী সঠিক পণ্য সরবরাহ না করা এবং করলেও নিম্নমানের পণ্য সরবরাহ করার ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে ও বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাইট এবং প্রতারণার ধরনের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে পণ্য কেনা বা হাতে পাওয়ার তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরে অভিযোগ করতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণ পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জরিমানা প্রদানের আদেশ দেবে অধিদপ্তর। এ জরিমানা হিসেবে যে টাকা আদায় করা হবে তার ২৫ শতাংশ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভোক্তাকে দেওয়া হবে । সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়েও আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করা যায় ৷ (Translate into English)
1 Answers 7 Views