ডান পাশের অন্ডকোষ ব্যাথা করে কেন সাথে ডান পাশের কোমর আর পাছাও ব্যাথা করে।

ব্যাথা কেমন জানি চিনচিন করে । কেনো এমন হচ্ছে ⁉️

2584 views

4 Answers

আসসালামুআলাইকুম
আমি আজ থেকে তিন হয়েছে বিয়ে করছি ।
কিন্তু কোন বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা দেখতেছি না ।
আমরা দুজন মাসিক শুরু হওয়ার পর মানে ১/২ যাওয়ার পর আমরা সহবাস করে ছিলাম । তার পর এই মাসে মাসিক শুরু হয় ১৫ তারিখ থেকে আমরা তার মধ্যে ২৩ তারিখে সহবাস করি । তাতে কোন সমস্যা হবে কি না বাচ্চা নেওয়ার জন্য।
আমরা যখন দুজন সহবাস করি শুক্রাণু তার ভেতর দেওয়ার পর বের হয়ে আসে । বের হয়ে আসার জন্য তাকে প্রায় ২০/৩০ মিনিট শুয়ে রাখি  তাঁর পর শুক্রাণু বের হয়ে আসে । 
সমস্যা কী হতে পারে জানতে চাই । 

2584 views
আসসালামুআলাইকুম
আমি আজ থেকে তিন হয়েছে বিয়ে করছি ।
কিন্তু কোন বাচ্চা হওয়ার সম্ভাবনা দেখতেছি না ।
আমরা দুজন মাসিক শুরু হওয়ার পর মানে ১/২ যাওয়ার পর আমরা সহবাস করে ছিলাম । তার পর এই মাসে মাসিক শুরু হয় ১৫ তারিখ থেকে আমরা তার মধ্যে ২৩ তারিখে সহবাস করি । তাতে কোন সমস্যা হবে কি না বাচ্চা নেওয়ার জন্য।
আমরা যখন দুজন সহবাস করি শুক্রাণু তার ভেতর দেওয়ার পর বের হয়ে আসে । বের হয়ে আসার জন্য তাকে প্রায় ২০/৩০ মিনিট শুয়ে রাখি  তাঁর পর শুক্রাণু বের হয়ে আসে । 
সমস্যা কী হতে পারে জানতে চাই । 

2584 views
অণ্ডকোষে ব্যথা হলে কিংবা অণ্ডথলির (যে থলির মধ্যে অণ্ডকোষ থাকে) একপাশে বা দু’পাশে ব্যথা হলে সেটাকে অবশ্যই গুরুত্বের সাথে নিতে হবে। যেকোনো বয়সের পুরুষদের এমনকি নবজাতকেরও অণ্ডথলিতে ব্যথা করতে পারে। অণ্ডকোষ হলো পুরুষদের প্রজনন অঙ্গ। শরীরে দু’টি অণ্ডকোষ থাকে। এই অঙ্গ বা গ্রন্থিগুলো খুবই সংবেদনশীল। খুব সামান্য আঘাতেও ব্যথা হতে পারে। অণ্ডকোষ বা অণ্ডথলিতে যেকোনো ধরনের ব্যথা হলেই চিকিৎসাগত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
অণ্ডকোষ বা অণ্ডথলিতে ব্যথা হঠাৎ করে হতে পারে অথবা তীব্র হতে পারে। এ ব্যথা আঘাতের কারণে হতে পারে, ব্যথার সাথে অণ্ডকোষ ফুলে যেতে পারে। রোগীর বমি বমি ভাব কিংবা বমি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অণ্ডথলিতে ব্যথার সাথে রোগীর অণ্ডথলিতে চাকা, জ্বর, অণ্ডথলির ত্বক লাল, প্রস্রাবে রক্ত, মূত্রনালী পথে অস্বাভাবিক নিঃসরণ ও গলা ফুলে যাওয়া প্রভৃতি উপসর্গ থাকলে যতদ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। যদি সময়মতো চিকিৎসা করা না হয় তাহলে বন্ধ্যাত্ব ও পুরুষত্বহীনতা ঘটতে পারে। রোগীর তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা থাকবে। অনেক সময় রোগীর অপারেশন করে অণ্ডকোষ ফেলে দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে অণ্ডকোষের ব্যথার উৎস অণ্ডকোষ নয়, ব্যথা শুরু হয় অণ্ডথলি এলাকায়। অণ্ডকোষের কাজ হলো শুক্রাণু তৈরি করা। তাই অণ্ডকোষকে সুস্থ রাখা অপরিহার্য। প্রতিটি অণ্ডকোষের উপরে থাকে এপিডিডাইমিস। এই এপিডিডাইমিসে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হয়। অণ্ডথলি হচ্ছে এমন একটি থলি যা অণ্ডকোষ ও এপিডিডাইমিসকে সুরক্ষা দেয়।
অণ্ডকোষে ব্যথার কারণ
অণ্ডকোষ কিংবা অণ্ডথলির ব্যথার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে :
সংক্রমণ বা প্রদাহ
অণ্ডকোষের প্রদাহ বা সংক্রমণের সাথে সবচেয়ে যে সাধারণ অবস্থাটি সম্পৃক্ত তা হলো এপিডিডাইমাইটিস। এপিডিডাইমাইটিস হলো একটি বা দু’টি এপিডিডাইমিসের প্রদাহ। এপিডিডাইমিসে সংক্রমণ হলে সেই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে অণ্ডকোষে। এটা যেকোনো বয়সে হতে পারে এবং হঠাৎ করে হতে পারে।

সুতরাং দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিন
2584 views
এটা কেন হয়
2584 views

Related Questions