3 Answers

ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামকে অ্যাপ্লিকেশন সফট্‌ওয়্যার বলে।

2012 views

অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি কম্পিউটারকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করার উপযােগী করে থাকে। কিন্তু একজন ব্যবহারকারীর খুব বেশি উপকার করতে পারে না। কমপিউটারকে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করাবার জন্য বিভিন্ন এপিস্নকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। প্রতিদিন কম্পিউটার ব্যবহারকারীর জন্য এমনি শত শত এপিস্নকেশন সফটওয়্যার বিভিন্ন প্রােগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে তৈরি করছেন। হিসাব-নিকাশের জন্য প্রােগ্রামিং ভাষা দিয়ে ক্যালকুলেটর প্রােগ্রাম তৈরি করলে একটি এপিস্নকেশন সফটওয়্যার তৈরি করা হবে। নিচে বিভিন্ন কাজের এপিস্নকেশন সফটওয়্যার সম্পর্কে আলােচনা করা হলঃ

  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: লেখালেখির বিভিন্ন কাজ করার জন্য ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, ওয়ার্ড স্টার, ওয়ার্ড পারফেক্ট ইত্যাদি।
  2. স্প্রেডশীট এ্যানালাইসিস সফটওয়্যার: বাজেট তৈরি, ব্যালেন্সশীট তৈরি ইত্যাদি বিভিন্ন গাণিতিক কাজে প্রেডশীট সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল, লােটাস ১-২-৩ ইত্যাদি।
  3. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: বিশাল সাইজের ডাটা যেমন কোন স্কুলের সকল ছাত্র-ছাত্রীর ব্যক্তিগত ও পড়াশুনা সংক্রান্ত সফটওয়্যার তথ্য সংরক্ষণ ও ম্যানেজমেন্ট করা। যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেস, মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার, ওরাকল, সাইবেজ ইত্যাদি।
  4. ক্যাড (CAD): Computer Aided Design যেমন, অটো ক্যাড, টার্বো ক্যাড, ফাস্ট ক্যাড ইত্যাদি। এই সব সফটওয়্যার দিয়ে বিভিন্ন স্থাপত্য ডিজাইন ও যন্ত্রপাতির ডিজাইন করা হয়।
  5. সিমুলেশন সফটওয়্যার: এমআইএসটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ল্যাপরােস্কোপিক যা ডাক্তারদের ল্যাপারােস্কপিক অপারেশন শেখানাের একটি সিমুলেশন সফটওয়্যার।
  6. ইউটিলিটি সফটওয়্যার: মূলত এপিস্নকেশন সফটওয়্যার কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য ইউটিলিটি বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- নর্টন ইউটিলিটি, পার্টিশন ম্যাজিক ইত্যাদি।
  7. এক্সপার্ট সিস্টেম সফটওয়্যার: পিকেএমএস যা একটি ওয়্যারহাউস মেইনটেনেন্স সফটওয়্যার, আই ২ যা একটি সাপস্নাই চেইন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
  8. ডেকটপ পাবলিকেশন প্যাকেজ: বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টিংয়ের কাজকর্ম করার জন্য ডেস্কটপ পাবলিশিং বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- কোয়ার্ক এক্সপ্রেস, পেজমেকার ইত্যাদি।
  9. গ্রাফিক্স সফটওয়্যার: বিভিন্ন ধরনের ছবি ও প্রচ্ছদ তৈরি করতে গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- এ্যাডােবি ফটোশপ, কোরেল ড্র ইত্যাদি।
  10. গ্রাফিক্স এনিমেশন সফটওয়্যার: বিভিন্ন কার্টুন ও থ্রিডি অবজেক্ট তৈরি করে তাতে বিভিন্ন ধরনের মােশন ব্যবহার করে তাকে এনিমেটেড (চলন্ত) করার জন্য গ্রাফিক্স এনিমেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স, মায়া ইত্যাদি।
  11. নেটওয়ার্কিং কমিউনিকেশন: একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে তথ্য ও ডেটার চলাচল করানাের জন্য নেটওয়ার্কিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন- নােভেল, নেটওয়্যার, টিসিপি/আইপি ইত্যাদি।
  12. মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার: ডিজিটাল মুভি তৈরি ও তাতে সাউন্ড, এনিমেশন ইত্যাদি বিভিন্ন ইফেক্ট দেয়ার জন্য মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। যেমন উইন্ডােজ মিডিয়া প্লেয়ার, ম্যাক্রোমিডিয়া ডিরেক্টর, ফ্ল্যাশ, জেট অডিও প্লেয়ার ইত্যাদি।
  13. এডুকেশন সফটওয়্যার: ছােটদের জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক সফটওয়্যার রয়েছে। যেমন- ইন্টারঅ্যাক্টিভ এনসাইক্লোপিডিয়া।
  14. এন্টারটেইনমেন্ট সফটওয়্যার: কম্পিউটারের বিভিন্ন বিনােদনমূলক প্রােগ্রাম যেমন বিভিন্ন গেম সফটওয়্যার।
  15. গাণিতিক সফটওয়্যার: বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক সমস্যা সমাধানের সফটওয়্যার, যেমন ম্যাপল, স্ট্যাড প্রাে।
  16. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: ইলেক্ট্রনিক বিভিন্ন স্নাইড শাে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। যেমন- মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট।
  17. ইন্টারনেট ব্রাউজার: বিভিন্ন ওয়েব পেজ খােলা ও দেখার জন্য ব্যবহার করা হয়। যেমন- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, অপেরা ইত্যাদি।

বানিজ্যিকভাবে এপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলো দুইভাবে পাওয়া যায়। যথাঃ

  1. কাস্টমাইজড় বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রােগ্রাম
  2. প্যাকেজ সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
2012 views

√2 অমূলদ সংখ্যা।

2012 views

Related Questions