1 Answers
ইসলামী শরীয়া অনুযায়ী হিজড়া বলা হয়, যার পুরুষ লিঙ্গ ও স্ত্রী লিঙ্গ উভয়টি রয়েছে অথবা কোনটিই নেই। মূত্রত্যাগের জন্য একটি ছিদ্রপথ রয়েছে।একই দেহে স্ত্রী ও পুরুষ চিহ্নযুক্ত অথবা উভয় চিহ্নবিযুক্ত আল্লাহর সৃষ্টি মানুষটি হলো হিজড়া।সমাজের এসকল প্রতিবন্ধী ইসলামের আলোয় নিজেকে আলোকিত করার নতুন দিগন্ত পেয়ে দুনিয়া ও আখেরাতের সফল মানুষ হবার প্রয়াসী হচ্ছে। যেহেতু হিজড়ারাও এক ধরনের প্রতিবন্ধী, ইসলামের সকল হুকুম-আহকাম জানার -মানার অধিকার ও দায়িত্ব তাদেরও রয়েছে।ইসলাম হিজড়াদেরকে গুরুত্বহীন মনে করেনা বিধায় ইসলামী শরীয়ত মিরাছ তথা সম্পদ বন্টনের ক্ষেত্রে তাদের জন্য পরিস্কার নীতিমালা প্রণয়ন করেছে।ইসলামি শরীয়া অনুযায়ী হিজড়া সন্তান তারা মা- বাবার সম্পত্তির ভাগ পাবে। এবং উত্তরাধিকার সম্পদে তারা নারী হিসেবে পাবে নাকি পুরুষ হিসেবে পাবে সেটা ইসলামী শরীয়াত নিশ্চিত করেছে।যে হিজড়া নারী বা পুরুষ প্রকৃতির সে নারী বা পুরুষের মানদণ্ডে উত্তরাধিকার সম্পদ পাবে।আর যে নারী নাকি পুরুষ এর কোনটিই চিহ্নিত করা যায়না সে তার প্রসাবের পথের অবস্থা অনুযায়ী ভাগ পাবে। (সূত্র সুনানে বায়হাকী, হাদিস নং ১২৯৪)।নপুংসক অর্থ ধরে কাউকে হিজড়া বলে গালি দেয়া যাবে না। কাউকে মন্দ নামে ডাকা গুনাহ। (পবিত্র কোরআন ,সূরা হুজুরাত, আয়াত ১১)।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy