1 Answers
এক. প্রত্যেক পুরুষেরই প্রস্রাব করার পর কিছু প্রস্রাব আটকে থাকে। যা দাঁড়িয়ে, হেটে হেটে মাটির ঢিলা বা টয়লেট টিস্যু ব্যবহারের দ্বারা বেরিয়ে আসে, যাকে শরিয়তের পরিভাষায় ইস্তেঞ্জা বলে। আপনিও প্রস্রাব করার পর দাঁড়িয়ে হেটে হেটে ইস্তেঞ্জা করে দেখতে পারেন। আশা করি পরবর্তীতে আর প্রস্রাবের ফোটা পড়বেনা। ইন শা-আল্লাহ। বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন জিজ্ঞাসা নং–৩২৫। দুই. আর আপনার রোগটা যদি এমন হয় যে, সারাক্ষণই অল্প অল্প পরিমাণ বের হতে থাকে, এতটুকু সময় পাওয়া যায় না যে, যার মাঝে ফরজ নামাযটুকু আদায় করা যায়, তাহলে শরয়ী পরিভাষায় আপনি মাজুরের অন্তর্ভুক্ত। এমন ব্যক্তি প্রতি ওয়াক্তের নামাযের জন্য নতুন করে ওযূ করবেন এবং এ ওযূ দিয়ে ফরজ বা নফল যত রাকাত নামায পড়তে চান পড়তে পারবেন, কোরআন স্পর্শ করতে পারবেন। ওয়াক্তের ভেতরে নির্গত হতে থাকলেও কোন অসুবিধা নেই। কিন্তু পরের নামাযের সময় হয়ে গেলেই ওযূটি ভেঙ্গে যাবে। আবার নতুন করে ওযূ করে নামায পড়তে হবে। এভাবে মাজুর ব্যক্তি নামায আদায় করবে। এক্ষেত্রে যদি সম্ভব হয়, তাহলে পবিত্র কাপড় দিয়ে নামায আদায় করবেন। যদি সম্ভব না হয়, তাহলে উক্ত কাপড়সহই নামায আদায় করবেন। (হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ-১৪৮-১৫১) তবে আন্ডারওয়্যার বা টিস্যু ব্যবহার করে নাপাকি ছড়িয়ে পড়াকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করবেন। এর দলিল হল, হাদিসে আছে, এক বার ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ রাযি. রাসূল ﷺ-এর নিকট এসে বললেন, يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي لَا أَطْهُرُ أَفَأَدَعُ الصَّلاَةَ হে আল্লাহ্র রসূল! আমার রক্তস্রাব হতেই থাকে এবং আমি কখনো পবিত্র হতে পারি না। আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? রাসূল ﷺ উত্তর দিলেন, إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالحَيْضَةِ ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلاَةَ ، فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا ، فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي না, এটা এক প্রকার শিরাজনিত রোগ, এটা হায়েযের রক্ত নয়। তুমি তোমার হায়েযের মেয়াদকাল নামায থেকে বিরত থাকো, আর যখন তা বন্ধ হয়ে যাবে তখন রক্ত ধুয়ে ফেলবে, তারপর নামায আদায় করবে। (বুখারি ২২৮)
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy