3 Answers
গান বাজনা ইসলামে হারাম করা হয়নি। মানুষের জন্য হারাম সকল বিষয়ই পবিত্র কোরআনে আলোচনা করা হয়েছে। যদি কোনো কিছুকে হারাম বুজতে হয় তাহলে কোরআনের রেফারেন্স লাগবে। কিন্তু কোরআনের এমন একটি আয়াতও নেই যেখানে বলা হয়েছে গান হারাম। দাউদ (আ) এর নিকট আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর নাজিল করেছেন। যাবুর মানে হল সুর বা সঙ্গীত। আল্লাহ এক নবীর কাছে সঙ্গীতের কিতাব পাঠাবেন আরেক নবীকে দিয়ে তা কেন নিষিদ্ধ করবেন? উল্লেখ্য যে পবিত্র কোরআনকে সুরের ছন্দে পড়া হয়। এমনকি সুর মিলিয়ে কোরআন পড়া বাধ্যতামূলক। সুর ছাড়া পড়লে গুনাহ হয়। রুবায়ই বিন্তু মু‘আওয়িয (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আমার বাসর রাতের পরদিন সকালে নবী (সা) আমার নিকট এলেন এবং তুমি (খালিদ ইব্নু যাকওয়ান) যেমন আমার কাছে বসে আছ ঠিক সেভাবে আমার পাশে আমার বিছানায় এসে বসলেন। তখন কয়েকজন ছোট বালিকা দুফ্ (বাদ্য যন্ত্র ) বাজিয়ে বাদ্রে নিহত শহীদ পিতাদের প্রশংসা গীতি আবৃত্তি করছিল। শেষে একটি বালিকা বলে উঠল, আমাদের মাঝে এমন একজন নবী আছেন, যিনি জানেন, আগামীকল্য কী হবে। তখন নবী (স) বললেন এমন কথা বলবে না বরং আগে যা বলছিলে তাই বল। ফুটনোটঃ [১১] একমুখ খোলা অপর প্রান্তে চামড়া লাগানো তবলাকে দুফ্ বলা হয়, বিবাহ ও ‘ঈদের দিন আনন্দ প্রকাশের জন্য তা বাজিয়ে নাবালিকা মেয়েদের আপত্তিকর কথা বিবর্জিত গীত গাওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। সহীহ বুখারী : ৪০০১ ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবু বক্র (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। এসময় মিনার দিবসগুলোর এক দিবসে তাঁর নিকট দুটি মেয়ে দফ বাজাচ্ছিলো, নবী (সা) তাঁর চাদর আবৃত অবস্থায় ছিলেন। হে আবু বক্র! ওদের বাধা দিওনা। কেননা, এসব ‘ঈদের দিন। আর সে দিনগুলো ছিলো মিনার দিন। সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৯৮৭ হাদিসের মান: সহিহ তবে একটি হাদিস আছে যেখানে বলা হয়েছে, আমার উম্মতের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা জিনা, সিল্ক, মদ ও বাদ্যকে হালাল করবে। (সহীহ বুখারী : ৫৫৯০) তবে কোনো কিছুকে হারাম করতে কোরআনের রেফারেন্স থাকতে হবে। বুখারী ৫৫৯০ হাদিসে রেসমি কাপড়ের এখানে মদ ও জেনার সাথে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যেসকল গান মানুষের ইমান নষ্ট করে, পাপ কাজে উৎসাহ দেয়। অশ্লীলতা তৈরি করে সেগুলো সম্পূর্ণ হারাম। অতএব বলা যায় গান যদি হয় অশ্লীল, ইসলাম বিমুখ তাহলে সেটা নিষিদ্ধ। বাকি সকল গান জায়েজ আছে।
গান বাজনা ইসলামে হারাম করা হয়নি। মানুষের জন্য হারাম সকল বিষয়ই পবিত্র কোরআনে আলোচনা করা হয়েছে। যদি কোনো কিছুকে হারাম বুজতে হয় তাহলে কোরআনের রেফারেন্স লাগবে। কিন্তু কোরআনের এমন একটি আয়াতও নেই যেখানে বলা হয়েছে গান হারাম। দাউদ (আ) এর নিকট আল্লাহ আসমানী কিতাব যাবুর নাজিল করেছেন। যাবুর মানে হল সুর বা সঙ্গীত। আল্লাহ এক নবীর কাছে সঙ্গীতের কিতাব পাঠাবেন আরেক নবীকে দিয়ে তা কেন নিষিদ্ধ করবেন? উল্লেখ্য যে পবিত্র কোরআনকে সুরের ছন্দে পড়া হয়। এমনকি সুর মিলিয়ে কোরআন পড়া বাধ্যতামূলক। সুর ছাড়া পড়লে গুনাহ হয়। রুবায়ই বিন্তু মু‘আওয়িয (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন, আমার বাসর রাতের পরদিন সকালে নবী (সা) আমার নিকট এলেন এবং তুমি (খালিদ ইব্নু যাকওয়ান) যেমন আমার কাছে বসে আছ ঠিক সেভাবে আমার পাশে আমার বিছানায় এসে বসলেন। তখন কয়েকজন ছোট বালিকা দুফ্ (বাদ্য যন্ত্র ) বাজিয়ে বাদ্রে নিহত শহীদ পিতাদের প্রশংসা গীতি আবৃত্তি করছিল। শেষে একটি বালিকা বলে উঠল, আমাদের মাঝে এমন একজন নবী আছেন, যিনি জানেন, আগামীকল্য কী হবে। তখন নবী (স) বললেন এমন কথা বলবে না বরং আগে যা বলছিলে তাই বল। ফুটনোটঃ [১১] একমুখ খোলা অপর প্রান্তে চামড়া লাগানো তবলাকে দুফ্ বলা হয়, বিবাহ ও ‘ঈদের দিন আনন্দ প্রকাশের জন্য তা বাজিয়ে নাবালিকা মেয়েদের আপত্তিকর কথা বিবর্জিত গীত গাওয়া নিঃসন্দেহে বৈধ। সহীহ বুখারী : ৪০০১ ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবু বক্র (রাঃ) তাঁর নিকট এলেন। এসময় মিনার দিবসগুলোর এক দিবসে তাঁর নিকট দুটি মেয়ে দফ বাজাচ্ছিলো, নবী (সা) তাঁর চাদর আবৃত অবস্থায় ছিলেন। হে আবু বক্র! ওদের বাধা দিওনা। কেননা, এসব ‘ঈদের দিন। আর সে দিনগুলো ছিলো মিনার দিন। সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৯৮৭ হাদিসের মান: সহিহ তবে একটি হাদিস আছে যেখানে বলা হয়েছে, আমার উম্মতের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা জিনা, সিল্ক, মদ ও বাদ্যকে হালাল করবে। (সহীহ বুখারী : ৫৫৯০) তবে কোনো কিছুকে হারাম করতে কোরআনের রেফারেন্স থাকতে হবে। বুখারী ৫৫৯০ হাদিসে রেসমি কাপড়ের এখানে মদ ও জেনার সাথে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যেসকল গান মানুষের ইমান নষ্ট করে, পাপ কাজে উৎসাহ দেয়। অশ্লীলতা তৈরি করে সেগুলো সম্পূর্ণ হারাম। অতএব বলা যায় গান যদি হয় অশ্লীল, ইসলাম বিমুখ তাহলে সেটা নিষিদ্ধ। বাকি সকল গান জায়েজ আছে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন: “আর মানুষের মধ্য থেকে কেউ কেউ না জেনে আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য বেহুদা কথা খরিদ করে, আর তারা ঐগুলোকে হাসি-ঠাট্টা হিসেবে গ্রহণ করে।” [সূরা লুকমান ৩১: ৬ আয়াত]। বেশীর ভাগ তাফসীরকারকগণ এই আয়াতে ব্যবহৃত আরবী শব্দ লাহওয়াল হাদীস বলতে গানকে বুঝিয়েছেন। সাহাবাদের ভেতর উলামা, ফুকাহা এবং মুফাসসীরিন হিসেবে পরিচিত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস এবং আব্দুল্লাহ ইবনে উমার(রা)-এই তিনজনেই এই আয়াতকে বাদ্য-বাজনা হারাম হওয়ার দলীল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। ইমাম হাসান বছরী র. বলেন: উহা গান ও বাদ্য শানে নাজিল হয়েছে।[তাফসীর ইবনে কাসীর ৩/৪৫১] আল্লাহ তায়ালা শয়তানকে সম্বোধন করে বলেন: “তোমার কন্ঠ দিয়ে তাদের মধ্যে যাকে পারো প্ররোচিত কর।” [সূরা ইসরা ১৭: ৬৪ আয়াত] ইসলামে বাদ্য-বাজনা হারাম এবং যারা একে হালাল মনে করে তারা আল্লাহর চরম অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়ঃ রাসূল (সাঃ বলেছেন, “আমার উম্মাতের মাঝে এমন কিছু লোক আসবে যারা ব্যভিচার, পশম, মদ ও বাদ্য-যন্ত্রকে হালাল করে নিবে।” [সহীহ বুখারীঃ ৫৫৯০] এই সহীহ হাদীস পরিষ্কার বলে দিচ্ছে যে, বাদ্য-যন্ত্র হারাম। যারা হারামে লিপ্ত হবে তারা গুনাহগার হবে আর যারা হারামকে হালাল করে নিবে তারা কুফরিতে লিপ্ত হবে। আল্লাহ বলেন, “মুমিন নারী ও পুরুষকে এটি শোভা পায়না যে যখন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল কোন বিষয় নির্ধারন করে দিবেন তখন তারা এর বিরোধিতা করবে। যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করবে সে অবশ্যই বড়ই ভুলের মধ্যে নিপতিত হবে।” [সূরা আল-আহযাবঃ ৩৬] আরো জানতে এখানে ক্লিক করুন।