2 Answers
আসলে পাথর জমার অনেক কারণ রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট কারণে যে পাথর হয়, বিষয়টি তা নয়। কিছুটা খাদ্যাভ্যাস জড়িত। আবার কোনো কারণে যদি এখানে প্রদাহ হয়, সেই ক্ষেত্রে এখানে পাথর হয়ে যেতে পারে। যে কারণে পেটে পাথর হয়ঃ ১। খাবারে কোলেস্টরলের পরিমাণ বেশি থাকলে পিত্তথলিতে পাথর হয়। ২। যেসব নারী হরমোন নেন, নিয়মিত পিল খান তাদেরও পিত্তথলিতে পাথর হয়। ৩। বছরের পর বছর গ্যাস্ট্রিকে ওষুধ খেলেও পিত্তথলিতে পাথর হয়। ৪। গর্ভধারনও গরব্লাডারে পাথর হওয়ার একটা কারণ। কেননা গর্ভধারন করলে চলাফেরা কম করা হয়। এর ফলে পিত্তথলির ফাংশনটা কমে যায়। ৫। যারা শারীরীক পরিশ্রম কম করে তারাও পিত্তথলির পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে ভোগেন। ৬। স্থুলকায় শরীর পিত্তথলির পাথরের প্রধান কারণ। এজন্য দেখা যায় আমেরিকার দশ ভাগ লোক গলব্লাডারে পাথর নিয়ে চলছে। ৭। পরিবারে কারো গলব্লাডারে পাথর থাকলে অন্যদেরও পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ৮। শিশুর ক্ষেত্রে যদি রক্তে লোহিত কণিকা যদি ভেঙ্গে যায় সেক্ষেত্রে বেশী হতে পারে। source : ekushey-tv
আসলে পাথর জমার অনেক কারণ রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট কারণে যে পাথর হয়, বিষয়টি তা নয়। কিছুটা খাদ্যাভ্যাস জড়িত। আবার কোনো কারণে যদি এখানে প্রদাহ হয়, সেই ক্ষেত্রে এখানে পাথর হয়ে যেতে পারে। যে কারণে পেটে পাথর হয়ঃ ১। খাবারে কোলেস্টরলের পরিমাণ বেশি থাকলে পিত্তথলিতে পাথর হয়। ২। যেসব নারী হরমোন নেন, নিয়মিত পিল খান তাদেরও পিত্তথলিতে পাথর হয়। ৩। বছরের পর বছর গ্যাস্ট্রিকে ওষুধ খেলেও পিত্তথলিতে পাথর হয়। ৪। গর্ভধারনও গরব্লাডারে পাথর হওয়ার একটা কারণ। কেননা গর্ভধারন করলে চলাফেরা কম করা হয়। এর ফলে পিত্তথলির ফাংশনটা কমে যায়। ৫। যারা শারীরীক পরিশ্রম কম করে তারাও পিত্তথলির পাথর হওয়ার ঝুঁকিতে ভোগেন। ৬। স্থুলকায় শরীর পিত্তথলির পাথরের প্রধান কারণ। এজন্য দেখা যায় আমেরিকার দশ ভাগ লোক গলব্লাডারে পাথর নিয়ে চলছে। ৭। পরিবারে কারো গলব্লাডারে পাথর থাকলে অন্যদেরও পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। ৮। শিশুর ক্ষেত্রে যদি রক্তে লোহিত কণিকা যদি ভেঙ্গে যায় সেক্ষেত্রে বেশী হতে পারে। source : ekushey-tv