2 Answers
লম্বা বা খাট হবার জন্য দায়ী হল জিন। পূর্ব পুরুষের জিনের উপর নির্ভর করবে জাতক লম্বা হবে না খাট হবে। লম্বা বা বেঁটে হওয়া সাধারণত বাবা মায়ের ক্রোমোজোম তথা বংশগত বৈশিষ্টের উপর নির্ভর করে । এছাড়াও লম্বা বা বেঁটে হওয়ার উপর’ গ্রোথ হরমোন ‘ এর কিছু প্রভাব আছে । এই হরমোন মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বের হয় । মস্তিষ্ক থেকে যদি এই হরমোন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে নিঃসরিত হয় তবে হবে লম্বা আর একটু কম নিঃসরিত হলে হবে খাট। মূলত দেহের সকল ক্রিয়া কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। এই হরমোন মূলত অস্থি তৈরি ও বড় করতে সাহায্য করে ।অস্থি তৈরির পরেও যদি এই বেশি নিঃসরিত হয় তাহলে মানুষ লম্বা হয় ।আর নিঃসরণের পরিমাণ কম হলে বামন হয় ।আবার ,থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেরোনো থাইরক্সিন ও ট্রাই আইওদথাইরনিন হরমোন দুটির উপর ও মানুষের লম্বা বা বেঁটে হওয়া নির্ভর করে ।পিতা-মাতা লম্বা বা বেঁটে হলে সাধারণত সন্তানেরা লম্বা বা বেঁটে হয়ে থাকে। কারণ পিতা-মাতার ক্রোমোজোম এর প্রভাবের ফলে সন্তানদের হরমোন ক্ষরণ কম বা বেশী হয়ে থাকে ফলেসন্তানেরা পিতা ও মাতার মত লম্বা বা বেঁটে হয়ে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেরানো থাইরক্সিন ও ট্রাই আয়োডা থাইরোনিন হরমোন দুটির উপর নির্ভর করেও মানুষ লম্বা বা বেঁটে হওয়া নির্ভর করে। সাধারণত ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা লম্বায় খাটো হয়ে থাকে। স্ত্রী প্রজনন হরমোন ইস্ট্রোজেন বয়ঃসন্ধির সময়ে গ্রোথ হরমোন ক্ষরণের হার কমিয়ে দেয়। তাই মেয়েরা লম্বা কম হয়। আর পুরুষ প্রজনন হরমোন অন্ড্রোজেন লম্বা হতে সাহায্য করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর্যন্ত। সেজন্য ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় সাধারণত লম্বা বেশী হয়ে থাকে।
লম্বা বা খাট হবার জন্য দায়ী হল জিন। পূর্ব পুরুষের জিনের উপর নির্ভর করবে জাতক লম্বা হবে না খাট হবে। লম্বা বা বেঁটে হওয়া সাধারণত বাবা মায়ের ক্রোমোজোম তথা বংশগত বৈশিষ্টের উপর নির্ভর করে । এছাড়াও লম্বা বা বেঁটে হওয়ার উপর’ গ্রোথ হরমোন ‘ এর কিছু প্রভাব আছে । এই হরমোন মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বের হয় । মস্তিষ্ক থেকে যদি এই হরমোন যদি স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশি পরিমাণে নিঃসরিত হয় তবে হবে লম্বা আর একটু কম নিঃসরিত হলে হবে খাট। মূলত দেহের সকল ক্রিয়া কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্ক। এই হরমোন মূলত অস্থি তৈরি ও বড় করতে সাহায্য করে ।অস্থি তৈরির পরেও যদি এই বেশি নিঃসরিত হয় তাহলে মানুষ লম্বা হয় ।আর নিঃসরণের পরিমাণ কম হলে বামন হয় ।আবার ,থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেরোনো থাইরক্সিন ও ট্রাই আইওদথাইরনিন হরমোন দুটির উপর ও মানুষের লম্বা বা বেঁটে হওয়া নির্ভর করে ।পিতা-মাতা লম্বা বা বেঁটে হলে সাধারণত সন্তানেরা লম্বা বা বেঁটে হয়ে থাকে। কারণ পিতা-মাতার ক্রোমোজোম এর প্রভাবের ফলে সন্তানদের হরমোন ক্ষরণ কম বা বেশী হয়ে থাকে ফলেসন্তানেরা পিতা ও মাতার মত লম্বা বা বেঁটে হয়ে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে বেরানো থাইরক্সিন ও ট্রাই আয়োডা থাইরোনিন হরমোন দুটির উপর নির্ভর করেও মানুষ লম্বা বা বেঁটে হওয়া নির্ভর করে। সাধারণত ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা লম্বায় খাটো হয়ে থাকে। স্ত্রী প্রজনন হরমোন ইস্ট্রোজেন বয়ঃসন্ধির সময়ে গ্রোথ হরমোন ক্ষরণের হার কমিয়ে দেয়। তাই মেয়েরা লম্বা কম হয়। আর পুরুষ প্রজনন হরমোন অন্ড্রোজেন লম্বা হতে সাহায্য করে নির্দিষ্ট কিছু সময় পর্যন্ত। সেজন্য ছেলেরা মেয়েদের তুলনায় সাধারণত লম্বা বেশী হয়ে থাকে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy