1 Answers

অনেকেই শরীরে সরিষা, নারিকলে, তিল, কালোজিরা ইত্যাদির তৈল, অলিভ ওয়েল, বডি লোশন, ক্রিম, লিকুইড ভ্যাসলিন, গ্লিসারিন ইত্যাদি ব্যবহার করার পর ওযু বা গোসল করার সময় সাধারণত: চামড়ায় পানি পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হয় না। কারণ এগুলো দ্বারা চামড়ার উপর প্রলেপ পড়ে না বা আবরণ তৈরি হয় না। তবে এ অবস্থায় ওযু বা গোসলের সময় যথাসম্ভব হাত দিয়ে ওযুর স্থানগুলো ও শরীরের বিভিন্ন স্থান হাত দ্বারা ডলে দেয়া উচিৎ, যেন যথাস্থানে পানি পৌঁছতে সন্দেহ না থাকে। যেমন ঠাণ্ডার সময় ওযু বা গোসল করলে ওযুর অঙ্গ-প্রতঙ্গগুলো এবং শরীরের বিভিন্ন অংশ ভালোভাবে ডলে নিতে হয়।

অনুরূপভাবে মহিলারা যদি হাতে বা শরীরের কোন অঙ্গে মেহদি, রং, সাধারণ পাউডার, চোখের সুরমা, আতর-সেন্ট ইত্যাদি ব্যবহার করে তাহলেও ওযু-গোসলে সমস্যা নেই। কারণে এগুলো ব্যবহার করলেও অনায়াসে চামড়ায় পানি পৌঁছে যায়।

মোটকথা, ওযু শুদ্ধ হওয়ার জন্য ওযুর অঙ্-প্রতঙ্গগুলো এবং গোসল শুদ্ধ হওয়ার জন্য শরীরের সর্বস্থানে পানি পৌঁছানো আবশ্যক। অন্যথায় পবিত্রতা অর্জিত হবে না। আর পবিত্রতা অর্জন ছাড়া সালাত এবং যে সকল ইবাদতের জন্য পবিত্রতা পূর্বশর্ত সেগুলো আল্লাহর নিকট গৃহীত হবে না।

সুতরাং যে সকল বস্তু চামড়া ভেজার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেগুলো ওযু বা গোসলের ক্ষেত্রে অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। কিন্তু চেষ্টা করার পরও তা তুলতে সক্ষম না হলে ভিন্ন কথা। তখন সে নিরুপায় হিসেবে গণ্য হবে এবং ঐ অবস্থায়ই ওযু বা গোসল সম্পন্ন করে সালাত আদায় করবে

1661 views

Related Questions