একটা বিষয় ক্লিয়ার হতে চাই। আমার বয়স ২৯.. MBA কমপ্লিট। অতীতের কোনো একটা সময় প্রচণ্ড একাকীত্ব আর হতাশার মধ্যে থেকে আমি কয়েকটা ছেলের সাথে বন্ধুত্ব এবং শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে যাই। সেটা থেকে বের হয়ে এসেছি।

কিছুদিন আগে একটা ছেলের সাথে আমার বিয়ের কথা হচ্ছিলো। তার সাথে বন্ধুত্ব করি। সে আমাকে বলেছিলো.....  আমি ভার্জিন না হলেও এসব অতীত নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা নাই। তার এরকম কথা শুনে আমি তাকে আমার অতীত সম্পর্কে সব বলেছি।

যেই মানুষটার সাথে সারা জীবন থাকতে চাই, তার কাছে আমার সবকিছু বলে আমি সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রেখেছি ।  কিন্তু সবকিছু জানার পরে সে আস্তে আস্তে বিভিন্ন অযুহাতে আমার থেকে সরে যায়। শেষে আমাকে রিজেক্ট করে।


সে আমাকে রিজেক্ট করেছে, এটা নিয়ে আমার কোনো দু:খ নেই। আমার প্রশ্ন হলো.... আমি তার কাছে সবকিছু খুলে বলে ক্লিয়ার থাকতে চেয়েছি, এটা কি আমার পক্ষ থেকে কোনো ভুল চিন্তা ছিলো?  তাকে সব খুলে বলে আমি কি কোনো বোকামি বা অন্যায় করেছি ??


1643 views

1 Answers

ইসলামী শরীয়ত মতে, নিজের অন্যায়ের কথা, গুণাহের কথা অন্যকে বলা, অন্যের নিকট প্রকাশ করা নিষেধ আছে। কেননা এতে অন্যকে নিজের পাপের সাক্ষী বানানো হয়। কেয়ামতের ময়দানে সে তখন তার পাপের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিবে।


 হক্কুল্লাহ্ তথা আল্লাহ সাথে সম্পৃক্ত গুণাহ্ যেমন - নামাজ কাজা, রোযা কাজা এগুলোর জন্য এবং অন্যান্য নিজের সকল অন্যায় কৃতকর্মের জন্য মহান আল্লাহ্ তা'য়ালার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবেন।  


তবে হ্যা। হক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক বিষয়ক কোন গুণাহ করে থাকলে যেমন, কাউকে গালি দেয়া, কষ্ট দেয়া, কারও হক নষ্ট করা ইত্যকার গুনাহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবেন। তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। 

আশা করা যায় আল্লাহ পাক ক্ষমা করে দেবেন ইংশা আল্লাহ্।                      

1643 views

Related Questions