ছয় মাস পর থেকে শিশুদের কি খাওনো ভাল হবে আর কি খাওনো ঠিক হবে না?
5 Answers
সকাল ৭টা-৮টা বুকের দুধ অথবা ৬-৮ আউন্স দুধ সকাল ১০টা, ৪-৬ টেবিল চামচ সুজি/খিচুড়ি, ৪-৬ টেবিল চামচ চটকানো ফল। দুপুরে বুকের দুধ অথবা ৬ আউন্স দুধ, ১-৩ টেবিল চামচ খিচুড়ি/সুজি। বিকেলে ১-৩ টেবিল চামচ চটকানো ফল। বুকের দুধ, ৩-৬ আউন্স দুধ রাতে বুকের দুধ/৬-৮ আউন্স দুধ। খিচুড়ি/সুজি ৪ টেবিল চামচ।
এ বয়সে বাচ্চাদের মায়ের দুধের পাশাপাশি ডিম,খিচুরি,মাছ,সূচি ইত্যাদি খাওয়াতে পারেন।তবে বাচ্চাকে মুখরচক খাবার যেমন চিপস,বিস্কিট,চকলেট কখনোই খাওয়াবেন না।বাজারের কোনো জিনিস এসময় বাচ্চাকে না খাওয়নোই উত্তম।
ছয় মাস পর থেকে শিশুদের মায়ের বুকের শাল দুধ এর পাশাপাশি, নরম খেচুরী, মাছ , মুরগির কলিজা, ডিম, সুজি,শাকু সাথে পরিমাণ মত পানি তবে এই সময়ে বাজারের কোনো রকমের প্যাকেটের এর খাবার খাবাবেন না।
৬ মাস বয়সী শিশুদেরকে মায়ের দুধের সাথে পরিপূরক খাবার হিসাবে খাওয়াতে হবেঃ নরম ভাতঃ ৩/৪ ছটাক চাউলের রুটি দুধে ভিজিয়েঃ টেবিল চামচে প্রায় ২১/২ চামচ ভাত নরম করে খিচুড়িঃ ২ চায়ের চামচ আলু চটকিয়েঃ ছোট একটা শাকপাতা ও অন্যান্য সবজি ভাতের সাথেঃ ১ ছটাক কলা/ছোট একটা ডিম(সামর্থ্য থাকলে): ১ টা
পূর্ণ ৬ মাস বয়স থেকে মায়ের দুধের সংগে সংগে যে সমস্ত খাবার পরিপূরক হিসাবে শিশুর জন্য প্রযোজ্য সেসব খাবারের কিছু কিছু উল্লেখ করা হলোঃ ১.আলু সিদ্ধ ও ডাল চটকিয়ে ২. ডালে বা দুধে ভেজানো রুটি ৩. ফলের রস ও চটকানো ফল (দেশীয় ফল যেমন কলা, পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা, আম, আনারস ইত্যাদি) ৪. দুধের পায়েস বা দুধ দিয়ে রান্নাকরা সুজি ৫. নরম সিদ্ধ ডিম ৬ ভাত, মুড়ি, চিড়া, দুধ দিয়ে নরম করে মেখে ৭. শাক-সব্জি, চাল, ডাল ও তেল দিয়ে নরম খিচুড়ি রান্না করে ৮. টমেটো, মটরশুটি, ফুলকপি, সীম ও অন্যান্য শাকসব্জি ভাল করে সিদ্ধ করে চটকিয়ে ৯. পরিমাণে স্বাভাবিক খাবার। কিন্তু তাতে ঝালও মসলা কম হতে হবে ১০. এ সমস্ত খাবারের সাথে রান্না করা মাছও চটকিয়ে দেয়া যায় ১১. খাবারের সাথে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার করতে হবে