1 Answers

মানুষ যখন ঘুমায়, তখন তার আত্মা ঊর্ধ্ব আকাশে চলে যায়।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আল্লাহ জীবসমূহের প্রাণ হরণ করেন তাদের মৃত্যুর সময় এবং যারা মরেনি তাদের নিদ্রার সময়। তারপর যার জন্য তিনি মৃত্যুর ফায়ছালা করেন, তার প্রাণ তিনি রেখে দেন এবং অন্যগুলো ফিরিয়ে দেন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। নিশ্চয়ই এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য অনেক নিদর্শন রয়েছে। (সুরা-যুমারঃ ৩৯/৪২)।

উক্ত আয়াতে প্রাণীর দুইটি মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। একটি নিদ্রাকালীন মৃত্যু। অন্যটি মৃত্যুকালীন মৃত্যু।

আল্লাহ তা‘আলা তার এমন এক পরিপূর্ণ ক্ষমতার এবং বিস্ময়কর কর্মের কথা উল্লেখ করেছেন, যা মানুষ প্রতিদিন প্রত্যক্ষ করে। আর তা হলো, যখন সে ঘুমিয়ে যায়, তখন তার আত্মা আল্লাহ তা‘আলার নির্দেশে দেহ থেকে যেন বেরিয়েই যায়। কেননা, তখন তার অনুভূতি ও বোধশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায়। আর যখন সে জেগে ওঠে, তখন আত্মাকে তার মধ্যে পুনরায় প্রেরণ করা হয়। ফলে তার অনুভূতি পূর্বের ন্যায় ফিরে আসে। অবশ্য যার জীবনের মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যায়, তার আত্মা আর ফিরে আসে না এবং সে উক্ত ঘুমের মাঝেই মৃত্যুবরণ করে। এজন্য ঘুমকে মৃত্যুর ভাই বলা হয়।

নিদ্রায় তার দেহে অনুভূতি থাকে। কিন্তু মৃত্যুতে সেটা থাকেনা। উভয় অবস্থায় তার প্রাণ আল্লাহর কাছে চলে যায়। অতঃপর তিনি যাকে চান তার দেহে রূহ ফিরিয়ে দেন, যাকে চান সেটা রেখে দেন। যা ক্বিয়ামতের আগ পর্যন্ত তার দেহে ফেরৎ দেওয়া হয় না। কুরআনে ও হাদীসে উভয় অবস্থাকে ‘মউত’ বলা হয়েছে।

2373 views Answered

Next steps