আমার বয়স- ২৪ বছর(ছেলে) উচ্চতা- ৫.১১" ওজন ৫৭ কেজি। দিন দিন আরো ওজন কমে যাচ্ছে।
আমি অল্প কিছু দিন কোন ঔষধ খেয়ে ওজন বাড়াতে চাই। বেশি দিন ঔষধ খাবোনা যাতে কোন সমস্যা না হয়। কিন্তু আমার ওজন কিছুটা বাড়ানো প্রজন।
কি ঔষধ খাওয়া যাবে।
একজন আর্মির ডা: বলেছে....
১. ডেকাশন... ( এলার্জি) খুদা লাগে নাকি অনেক
২. ভিটামিন বি৫০/৪ ( ভিটামিন)
৩. ট্রিপ্টিন ( ঘুমের)
৪. ম্যাক্সপ্রো ( গ্যাস্ট্রিক)
আমি কি অল্প কিছু দিনের জন্য এই ঔষধ খেতে পারি।
অথবা কি ঔষধ খেলে ওজন বাড়ানো যাবে।

2600 views

1 Answers

ডেকাশন ঔষধে রয়েছে মাত্নক পার্শপ্রতিক্রিয়া :
এটি চিকিৎসক এর পরামর্শ ব্যতীত সেবন করবেন না। কারণ দীর্ঘদিন এটা সেবনে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে,রক্তে দূষিত পদার্থ বেড়ে যাবে, গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যেমন কিডনী,হার্ট,লিভার, ক্ষতিগ্রস্থ হবে,যৌন সক্ষমতা কমে যেতে পারে,বন্ধাত্ব দেখা দিতে পারে,  চর্ম রোগ হতে পারে, দেহের স্বাভাবিক ভারসাম্য নস্ট হয়ে পারে,শরীরে নানাবিধ রোগ জন্ম নিতে পারে।

ঘুমের ঔষধেও রয়েছে মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : ঘুমের ঔষধ সেবনের ফলে
দেহের স্বাভাবিক হরমোনের সমস্যা দেখা দেবে এবং সেই সাথে আরও নানা সমস্যায় জর্জরিত হবেন আপনি। এক পর্যায়ে ঔষধ ছাড়া ঘুমানোর কথা ভাবতে পারবেন না।

মানসিক সমস্যা ও শারীরিক সমস্যা
দীর্ঘসময় ঘুমের ঔষধ সেবনের ফলে ঘুমের মধ্যে হাটার সমস্যা এবং স্মৃতিভ্রষ্টের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়াও যারা নিয়মিত ঘুমের ঔষধ খান তাদের ব্যবহারে পরিবর্তন আসতে শুরু করে। অনেকেই আংজাইটিতে ভোগেন এবং খুবই খিটমিটে মেজাজ প্রকাশ করতে থাকেন।

ক্যান্সার ও মৃত্যুর আশংকা
গবেষণায় দেখা যায় যারা ঘুমের ঔষধ সেবন করেন তাদের অন্যান্যদের তুলনায় ক্যান্সারে আক্রান্তের ঝুঁকি অনেক বেশী থাকে। ঘুমের ঔষধ অনেকাংশেই দেহে ক্যান্সার কোষ উৎপাদনে সহায়তা করে। এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে ঘুমের ঔষধ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তারগণ। 

মোটকথা প্রতিটা ঔষধেই রয়েছে পার্শপ্রতিক্রিয়া যদি ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত সেবন করেন। তাছাড়াও রুচিবর্ধক ঔষধে রেয়েছে অতিরিক্ত পার্শপ্রতিক্রিয়া।  আশাকরি আপনার মাথা থেকে ঔষধ খেয়ে মোটা হবার চিন্তা ঝেড়ে ফেলবেন। আর আপনার স্বাস্থ্য একেবারেই খারাপ না বুঝা যাচ্ছে। যদিই আপনার অতিরিক্ত স্বাস্থ্যের সমস্যা হয় তাহলে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ মতে চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

আর আপনি প্রতিদিন ভিটামিন 'বি' এবং 'সি' জাতীয় খাবার দুগ্ধজাত খাবার বেশি করে খান।
দুগ্ধজাত খাবারগুলো বিজ্ঞানের ভাষায় প্রোবায়েটিকস হিসেবে পরিচিত। যেমন- দই, ঘোল, ছানা ইত্যাদি।

তাছাড়াও আপনি প্রতিদিন ব্যয়াম করুন, পরিশ্রম করুন, বোকডাউন দিন, সাতার কাটুন, রাতে ছোলা বোট ভিজিয়ে রেখে সকালে খান। প্রতিদিন সকালে কালোজিরা, কিসমিস খান। কাট বাদাম, চিনা বাদাম ভিজিয়ে সকালে খান। বেশি করে পানি পান করুন। 

সকল প্রকার নেশাজাতীয় দ্রব্য পরিহার করুন। চা,কফি অতিরিক্ত খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। অতিরিক্ত টেনশন মানসিক চাপ এড়িয়ে চলন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সকল প্রকার রুচিবর্ধক ঔষধ পরিহার করুন।

প্রতিদিন রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমান। ধর্মীয় বিধানের প্রতি বিশেষ গুরুত্বদিন। স্বাভাবিক জীবনযাপন করার চেষ্টা করুন। হাসিখুশি ভাবে সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ভাবে চলাফিরা করুন। আশাকরি নিয়ম মাফিক চলতে পারলে আপনার মানসিক, শারেরীক শক্তি, স্বাস্থ্য বৃদ্ধি পাবে ইনশাল্লাহ।




2600 views

Related Questions