4 Answers

যদি এরকমটা সারা বছরই হর, তাহলে এটি চর্মরোগ হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনি ভাল ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

2976 views

এটা স্বাভাবিক, প্রায় ৮০% মানুষের ই এমন হয় তবে নির্দিষ্ট একটা সময় আনুযায়ি এটা হয়  !


আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্য এটা হয়।বাতাসের আদ্রতার জন্য হাতের চামড়া খসখসে হয়ে যায় এবং উঠতে থাকে। এতে ভয়ের কিছুই নেই এমনকি এটা আমারও হয় এবং হচ্ছে  ! বিশেষত পুরনো চামড়া উঠে গিয়ে নতুন চামড়া বের হয় ! 

বিদ্রঃ আপনি চাইলে ডাক্তার দেখাতে পারেন যদি সন্দেহ লাগে । 
2976 views

শীতকালে হাত-পায়ের চামড়া ওঠা স্বাভাবিক। আপনার বাড়ীতে যদি রক্ত জবা, পান্ডু জবা বা মরিচে জবা থাকে, তাহলে এর পাপড়িগুলো ভালো করে হাত ও পায়ের খসখসে অংশে ঘষুন। এভাবে কয়েকদিন করলে হাত হয়ে উঠবে আগের চেয়েও মসৃণ। এছাড়াও, আপনার হাত-পায়ের চামড়া উঠলে পানির কাজ শেষ হলেই হাত মুছে শুকিয়ে ফেলুন। হাত পা ভেজা রাখবেন না। আপনি খাদ্য তালিকাতে সুষম খাদ্য রাখুন। আর, হালকা গরম পানির সঙ্গে লবণ এবং শ্যাম্পু মিশিয়ে হাতের তালুর পরিচর্যা করলে ভালো ফলাফল পেতে পারেন।

2976 views

প্রথমেই হাত পায়ের চামড়া তুলে নিতে হবে। চামড়া তুলতে ঘরে তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। স্ক্রাব তৈরি করতে- ২চা চামচ গুড়ো দুধ, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ টেবিল চামচ চিনি একত্রে খুব ভালো করে মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। ভাল ফলাফল পেতে পেস্টের সাথে লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে তা হাতে পায়ে লাগিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করুন। ১০-১৫ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভাল করে ঘষে ঘষে হাত ধুয়ে নিন। স্ক্রাবিং শেষে হাতে ও পায়ে অলিভ অয়েল ও নারকেল তেল সমপরিমাণে মিশিয়ে লাগাতে হবে। এতে হাতের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। হাতের ও পায়ের চামড়া অত্যাধিক পরিমাণে রুক্ষ হলে ক্ষারযুক্ত সাবান ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে ময়েশ্চারাইজযুক্ত সাবান ব্যবহার করুন। অথবা কাঠ বাদামের মাস্ক লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এটা হাতের ও পায়ের ত্বকের জন্য খুব উপকারী। সপ্তাহে অন্তত ১ দিন হাতে ঘৃতকুমারীর বা অ্যালোভেরার রস মালিশ করে করুন। প্রতি ১০ দিনে একবার হাতে গরম বাষ্পের ভাপ দিন। রাতে ঘুমাতে যাবার আগে তিলের তেল, গ্লিসারিন আর গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে হাতে মালিশ করতে পারেন। এতে করে হাতের ও পায়ের চামড়া কোমল থাকবে। হাতে চামড়া উঠা সমস্যার আরেকটি কার্যকরী প্রাকৃতিক সমাধান হলো- জবা ফুল। ২-৩ টি জবা ফুল হাতে ঘষে রেখে আপনি আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারেন। যতক্ষণ সম্ভব ম্যাসেজটা হাতে রাখুন। দিনে দুই বার করে টানা কয়েকদিন জবা ফুল ট্রিটমেন্ট চালাতে পারেন। এটা অবশ্যই কাজ দেবে। প্রচুর পানি পান করুন। শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি এসিডের (যেমন- ওমেগা-৩) চাহিদা মেটাতে মাছ, বাদাম ইত্যাদি খাদ্য তালিকায় রাখুন। বেশি করে সবুজ শাক-সবজি আর রঙিন ফলমূল খান।

2976 views

Related Questions