7 Answers
ভিউ, সাবস্ক্রাইবার এসবের উপর ভিত্তি করে ইউটিউব টাকা দেয় না।
মূলত টাকা টা দেয় এডে ক্লিক এর উপর ভিত্তি করে।
যখন চ্যানেল এডসেন্সে এড করে মোনিটাইজেশন অন করবেন, তখন ইউটিউব আপনার ভিডিওতে এড সো করাবে।
এখন ভিউয়ার রা যদি ঐ সকল এডে ক্লিক করে তবেই আপনি টাকা পাবেন। না হয় আপনি টাকা পাবেন না।
ধরুন আপনার একটা ভিডিও তে ২০ হাজার ভিউ, কিন্তু একটা ক্লিক ও পড়ে নাই। তাহলে আপনি কোন টাকা পাবেন না।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন।
হ্যাঁ । উপরে উল্লেখিত উত্তর টা সঠিক । কোনো সন্দেহ নেই তাতে।
তবে আরেকটা বিষয় বলব ,আপনি যদি টাকা অর্জন করতে চান তাহলে আপনার চেনেল ঠিক করতে হবে এবং তা সরাসরি গুগল এডসেন্স এ এড করতে হবে । তার সাথে ভিডিও টা যেন আকর্ষণীয় হয় তাতে মানুষ রা দেখতে থাকবে । যদি ভিডিও তেমন ভাল না হয় তাহলে কেউ বা আপনি দেখতে চাইবেন ।সুতরাং , ভাল ভিডিও এবং কপিরাইট যেন না হয় ।
এটি প্রথমবারের মত যদি ও ভালভাবে বুঝাতে পারলাম না তার জন্য ক্ষমার আবেদন জানাচ্ছি ।
আপনার চ্যানেল মনেটাইজেশন করা থাকলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ আপনার ভিডিওতে এ্যাড দিবে । যদি আপনার ভিডিওতে ভিউ কম থাকে তাহলে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সহজে এ্যাড দিতে চায় না। সুতরাং ভিউ বেশি হলে আপনার ভিডিওতে তারা এ্যাড প্লেস করবে। তাই ভিউ এর উপর ভিত্তি করে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ টাকা প্রদান করে থাকে।
Engagement এর উপর ভিত্তি করে। ইউটিউব কাউকে এমনি এমনি অবশ্যই টাকা দিতে যাবেনা, এর জন্য প্রথমত ভিডিওটি মনেটাইজড্ হতে হবে। এরপর ঠিক কারা ভিডিওটি দেখছে, তাদের সবার ব্যাক্তিগত পছন্দ- অপছন্দের রেকর্ড এর সাথে মিল রেখে ভিডিওটিতে কিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। কতোগুলো বিজ্ঞাপন দেখানো হবে তা ভিডিওর ধরণ, দৈর্ঘ্য এবং জনপ্রিয়তার উপর নির্ভরশীল। কেউ বিজ্ঞাপন দেখলে impression এবং CPV রেট এর ৬০% ক্রিয়েটর তথা আপলোডার এর একাউন্টে জমা হবে। কেউ বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে CPC রেট, যা কিনা অন্য দুটির চেয়ে বেশি, এটিরও ৬০% যুক্ত হবে ক্রিয়েটরের একাউন্টে। বলে রাখা ভালো, সব বিজ্ঞাপনের CPV/CPC রেট সমান নয়। কোন নিয়ম ভঙ্গ না করলে, যে একাউন্টে engagement বেশি সেই একাউন্ট এ বড় বড় কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেখানো হয় যেগুলোর রেটও থাকে বেশি বেশি।
উপরের উত্তরগুলো সাথে আরও একটি বিষয় যুক্ত করতে চাই। প্রথমত ভিউ কিংবা সাবস্ক্রাইবার কোনটাই খুব একটা বেশি ইম্পর্টেন্ট না যেটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে আপনার কোয়ালিটি সম্পন্ন কনটেন্ট। ইউটিউব এর কিছু কন্ডিশন থাকে যেমন 10 হাজার সাবস্ক্রাইবার 4000 ঘন্টা ওয়াচ টাইম ইত্যাদি এগুলোর ওপর ভিত্তি করে এডসেন্স একাউন্ট টা প্রথমত অনুমোদন করে মনিটাইজেশন এর জন্য। মূলত গুগল এডসেন্সের বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ইউটিউব এর মূল ইনকাম তো হলেও ওইটার পাশাপাশি ইউটিউব থেকে টাকা ইনকামের আরেকটি মাধ্যম হচ্ছে স্পনসর্শিপ । আপনার কনটেন্ট যদি অধিক সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং সেটাতে যদি ভিউজ হয় তখন অনেক কোম্পানি তাদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট আপনাকে স্পনসর্শিপ হিসেবে রিভিউ করতে দিবে অথবা বিজ্ঞাপন হিসেবে দিবে তখন উক্ত কোম্পানি থেকে আপনি স্পন্সর হিসেবে কিছু পরিমাণ ইনকাম করতে পারবেন স্পনসর্শিপ পেতে হলে ভিউজ টাইম প্রোটিন কারণ কোম্পানিগুলো দেখে যে ভালো পরিমান দর্শক চ্যানেলটাকে ভিজিট করে কিনা তখনই তারা স্পনসর্শিপ দিয়ে থাকে।
Youtube ভিউস এব সাবস্ক্রাইবার এর উপর ভিত্তি করে টাকা দেয়।৬০০০ ঘন্টা ভিউস এবং ১০০০ সাবস্ক্রাইবার হওয়ার থেকে টাকা দেয়।