উচ্চতা ৫ ফিট। বিঃদ্রঃ ছবিসহ হেয়ার স্টাইল সম্পর্কে বলুন আর চুল বড় না ছোট রাখব বিস্তারিতভাবে বলবেন প্লিজ।
2901 views

3 Answers

হেয়ার কালারে অক্সিডাইজিং এজেন্ট হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ও একটি অ্যালকালাইজিং এজেন্ট অ্যামোনিয়া ব্যবহার করা হয়, যা একটি কেমিক্যাল রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে চুলের মেলানিনকে হালকা করে নেয় ও হেয়ার কালারের রঙিন পিগমেন্টকে চুলের শ্যাফটের ভেতর ঢুকতে সাহায্য করে।

কিন্তু আপনি কি জানেন এই স্টাইল আপনার শরীরে নানা মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করতে পারে? তাহলে এক নজরে দেখে হেয়ার কালারের ক্ষতিগুলো।

চুলের উজ্জ্বলতা কমাঃ হেয়ার কালার করলে চুলের উজ্জ্বলতা কমে যায়। এছাড়া চুল পড়া, আগা ফাটা, খুসকি ও র‍্যাশ হতে পারে।

-------শারীরিক অসুস্থতাঃ হেয়ার কালারে চর্মরোগ, ফুসফুস বা চোখের ক্ষতি হতে পারে। হেয়ার কালার ব্যবহারের ফলে শ্বাসকষ্ট বাড়তে পারে। এছাড়া হেয়ার কালারের কেমিক্যালে মানুষের ক্যান্সারও হতে পারে, যেমন-লিউকেমিয়া, নন-হজকিনস লিম্ফোমা, মূত্রথলির ক্যান্সার, ব্লাড ক্যান্সার ও মলটিপল মায়েলোমা।

-------স্কিন ইরিটেশন ও অ্যালার্জিঃ হেয়ার কালার মাথার ত্বকে ইরিটেশন ও অ্যালার্জি সৃষ্টি করে। হেয়ার কালার ব্যবহারের কয়েক ঘণ্টা থেকে শুরু করে এক দিনের মধ্যে চুলকানি, লালচে ভাব, জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি হতে পারে। এরকম অস্বস্তি হলে হেয়ার কালার ব্যবহার করা উচিত নয় একদম। তাই কালার ব্যবহার করার আগে অ্যালার্জি টেস্ট করে নেওয়া দরকার।

------চুল ভেঙ্গে যাওয়াঃ চুল কালার করলে চুল রুক্ষ হয়ে ফেটে যায়। আগা ফাটা ছাড়াও চুল মাঝে দিয়ে ফেটে ফেটে ঝরে যাওয়ার মত সমস্যা দেখা দেয়। ফরে চুল পাতলা হয়ে যায় আস্তে আস্তে। চুল রঙ করার সখ তো হতেই পারে। ক্ষতির ভয়ে কি আর ফ্যাশন বাদ দেয়া যায়? চুল যদি রঙ করেই থাকেন তাহলে চুলের বেশ কিছু যত্ন নিয়মিত নিতে হবে। নাহলে চুল রুক্ষ হয়ে যাবে ও পড়ে যাবে। আসুন জেনে নেই রঙ করা চুলের যত্ন কি করবেন।

১৫ দিন পরপর পার্লারে গিয়ে হেয়ার স্পা, ,ক্রিম ট্রিটমেন্ট ডিপ কন্ডিশনিং করান। সপ্তাহে দুবার প্রোটিন প্যাক ব্যবহার করুন। প্রোটিন প্যাক বানাতে ডিম, টক দই, অলিভ ওয়েল একত্রে মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে ৪০ মিনিট রাখুন। প্রতিদিন শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। যদি কোন সমস্যা না থাকে তাহলে মাঝে মাঝে চুল রঙ করাতে পারেন। কিন্তু এক্সপার্ট হেয়ার স্টাইলিস্ট এর কাছে করানোই ভালো। গার্নিয়ার, ট্রিকস, লরিয়াল বা গোদরেজ এসব ব্রান্ডের উপর নির্ভর না করাই ভালো l

2901 views

৫ ফিট উচ্চতা হলে এই কাট টা দিলে খুব ভালো দেখাবে। তাছাড়া কাট টায় অভদ্রতা প্রকাশ পাবেনা। আর কাট টা খুব স্টাইলিশ

2901 views

চুল আপনার উচ্চতার উপর যতটা না নির্ভর করে তার চেয়ে বেশি নির্ভর করে আপনার মুখের গড়নের উপর। নিচের আর্টিকেলটি পড়ুন।এরপর নিজেই পছন্দ করুন কোন স্টাইলে চুল কাটবেন।

চুলের ছাঁট বেছে নিন মুখের গড়ন বুঝে। ছবি: প্রথম আলোমুখ বুজে নয়, চুল ছাঁটান মুখ বুঝে। চুল ছাঁটার আগে সেলুনে বসে নির্দেশনা তো আপনি নিজেই দেন। কাজেই চেহারার সঙ্গে মানানসই ধাঁচে চুল ছাঁটিয়ে নিন। ছেলেদের চুলের ছাঁটের ধাঁচ তো হাতে গোনা। তাই পোশাকের পরে চুলের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি। চুল নিয়ে অবশ্য তরুণদের মধ্যে অনেক নিরীক্ষাও চলে। আজ এই কাট তো কাল সেই কাট। এই চুল লম্বা তো এই আবার ছোট। গরমের সময় তো অনেকেই ছোট চুলের কাট বেছে নেন। কারণ, সব ধরনের চুলের কাট কিন্তু সবার জন্য নয়। চুল কাটার আগে তাই মুখের গড়ন বুঝে কাট নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চুল বিশেষজ্ঞরা।

একেকজনের মুখের আদল একেক রকম। কারও মুখ গোলাকার, কারও-বা লম্বাটে। চুলের ক্ষেত্রেও দেখা যায় পার্থক্য। সোজা, কোঁকড়ানো বা ঢেউ খেলে যাওয়া চুলের ভিন্নতা বদলে দেয় চুলের স্টাইল। কোন ধরনের মুখের গড়নে কেমন চুলের ছাঁট বেছে নেওয়া উচিত?
ঝট করে ছাঁট বেছে নেওয়ার আগে নিজের মুখের গড়ন নিয়ে ভাবুন। ছবি: প্রথম আলো
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কভিত্তিক ফ্যাশন ম্যাগাজিন ‘জিকিউ’ (জেন্টলম্যানস কোয়ার্টারলি) একটি প্রতিবেদনে তুলে ধরেছে এ বিষয়ে। অন্যদিকে, ঢাকায় ছেলেদের পারলার হেয়ারোবিক্সের স্বত্বাধিকারী শাদীন মাহবুবও জানালেন একই কথা, ‘হুটহাট কারও চুলের স্টাইল দেখেই সেটা নিজের জন্য বেছে নেওয়া হবে বোকামি। আগে দেখে নিতে হবে এই স্টাইল আপনার চুলের ধরন ও মুখের গড়নের সঙ্গে যায় কি না। আর সে বিষয়ে হেয়ারস্টাইলে এক্সপার্ট কারও পরামর্শ নিয়েই চুলে নতুন কাট বেছে নিন। তবে গরমের দিনগুলোতে চুলের দৈর্ঘ্য যতটা কম রাখা যায়, ততই ভালো।’

দেশ-বিদেশের হেয়ার এক্সপার্টদের পরামর্শ মেনে নিচে থাকছে তেমনই কিছু টিপস। গরমে চুল ছাঁটার আগে একবার দেখে নিতে পারেন।
অন্যের ছাঁট ধার না করে নিজেই বেছে নিন নিজেরটা। ছবি: প্রথম আলোমুখের আদল চৌকো হলে
যাঁদের মুখাবয়ব চৌকো, তাঁদের চুলের কাট ছোট হলেই ভালো। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই চুলের ধরন বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সোজা চুলে: যাঁদের চুল সোজা, তাঁরা চুলের ওপরের অংশ কিছুটা বড় রাখতে পারেন এবং পেছনে ক্রমান্বয়ে নিচের দিকে ছোট করে নিতে পারেন। এই স্টাইলে চুল কাটালে চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধির পাশাপাশি চুলের কাটও ঠিক থাকবে অনেক দিন।
ঢেউ-খেলানো চুলে: একই আকৃতির মুখের লোকটির চুল যদি ঢেউ-খেলানো হয়, সে ক্ষেত্রে চুল কাটার সময়ে ঢেউ-খেলানো স্বাভাবিক ধরনটা রেখে দুপাশ দিয়ে অনেকটা ট্রিম করে নিলেই ভালো দেখাবে। 
কোঁকড়া চুল: যাঁদের চুল ঘন আর কোঁকড়ানো, তাঁরাও বদলে নিতে পারেন স্টাইল। এমন চুল ওপর থেকে ছোট করে কাটলেও ভালো দেখাবে।

মুখ ডিম্বাকৃতির হলে মানিয়ে যেতে পেরে যে কোনো ছাঁট।গোলাকার মুখাবয়বের জন্য
চেহারাটা গোলগাল হলে বেশি লম্বা চুল ভালো দেখাবে না। তবে সামনের দিকে কিছুটা বড় থাকলেই ভালো। যাতে করে চুলটা আঁচড়ে কপালের ওপরে তুলে রাখলে মুখটা আরও আকর্ষণীয় দেখায়।
সোজা চুলে: গোল আকৃতির মুখে চুল যদি সোজা হয়, তাহলে পেছন দিক থেকে দুপাশ কাটতে হবে ছোট করে। আর সামনের দিকে তিন থেকে পাঁচ ইঞ্চি পরিমাণ লম্বা করে কাটতে পারেন। সে ক্ষেত্রে যিনি আপনার চুল কাটবেন, তাঁর সঙ্গে আলাপ করে কপালের ওপর দিকের চুলগুলোর উচ্চতা বুঝে ছেঁটে নিন।
ঢেউ-খেলানো চুলে: চুল ঢেউ-খেলানো হলে খানিকটা লম্বাই রাখা উচিত। এ ধরনের চুল পাঁচ থেকে ছয় ইঞ্চি পরিমাণ লম্বা থাকলে মুখের আদলের সঙ্গে ভালো লাগবে। এ ধরনের চুলের সামনের দিকের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ঠিক রাখতে বাইরে যাওয়ার আগে সি সল্ট স্প্রে (একধরনের চুলের স্প্রে) বা হেয়ার স্প্রে করে নিতে পারেন। 
ঘন ও কোঁকড়ানো চুলে: গোলাকার মুখে চুল যদি ঘন বা কোঁকড়ানো হয়, তাহলে যিনি আপনার চুল কাটবেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলে খানিকটা লম্বা চুলেই ঝুঁকে পড়ুন। কোঁকড়া চুলের সারা মাথায় লম্বা ভাবটা খারাপ লাগবে না।

চেহারাটা গোলগাল হলে বেশি লম্বা চুল ভালো দেখাবে না।ডিম্বাকার মুখে
যাঁদের মুখাবয়ব ডিম্বাকার, তাঁদের চুলে সাধারণত সব ধরনের ছাঁটই মানানসই হতে পারে। মনে রাখতে হবে, বেশি নিরীক্ষা চালাতে গেলে গুবলেট পাকিয়ে যেতে পারে আপনার স্টাইলে। তাই নিচের পরামর্শগুলো মেনে চুল ছেঁটে দেখতে পারেন, খারাপ লাগবে না আশা করা যায়।
মুখের শেপ স্কয়ার হলে চুলের ছাঁট ছোট হলেই ভালো।সোজা চুলে: ডিম্বাকার মুখে সোজা চুল হলে ওপরের দিকে কিছুটা ছাড় দিতে পারেন। মাথার ওপরের চুল একটু লম্বা রাখা যায়। এর সঙ্গে মিল রেখে চারপাশে খানিকটা ছোট করে নিন। কানের দুই দিকে লেয়ার না রেখে স্বাভাবিকভাবে কেটে নিতে পারেন। বাইরে যাওয়ার আগে চুল ঠিকঠাক করে নিতে পারেন চুলের ঘনত্ব ও বাড়বাড়ন্ত দেখে।
ঢেউ-খেলানো চুলে: এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হবে চুলের ধরন বা স্বভাব ঠিক রেখে পেছনে ও দুই পাশ ছেঁটে নেওয়া। ট্রিম বাদে কাঁচি ব্যবহার করে এই চুলগুলো সতর্কতার সঙ্গে খাটো করতে পারেন।
ঘন ও কোঁকড়া চুলে: এই ধরনের চুলের জন্য ওপর-নিচ—সবদিকেই এক উচ্চতায় ছেঁটে নিন। কানের পাশেও খুব বেশি ছোট না করে সমান্তরাল ভাব রাখুন।

(প্রথম আলো)

2901 views

Related Questions