1 Answers

প্রথমেই বলে রাখি আপনাকে মনে রাখতে হবে যে আপনার মোট (সাতটা) প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য আপনার হাতে সময় থাকবে মাত্র (দুই) ঘন্টা (বিশ) মিনিট। অর্থাৎ আপনাকে এই সময়টুকুর মধ্যে যেকরেই হোক প্রতিটি মানে (সাতটি) প্রশ্নের উত্তর বাধ্যতামূলক দিতেই হবে যদি ভালো নাম্বার পেতে চান।আবার অনেকেই দেখা যায় যে হাতের লেখার স্পীড একটু কম থাকায় পুরোপুরি (সাতটি) প্রশ্নের উত্তর দিতে অকৃতকার্য হোন। ফলে পরীক্ষারর খাতায় নাম্বারও কম পান। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য সবাই আপ্রাণ চেষ্টা করেন যেকরেই হোক সবগুলো প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে। তাহলে প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রদান করার জন্য আপনি সময় ভাগ করে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি (একটি) প্রশ্নের উত্তর প্রদান করার জন্য সর্বোচ্চ বেঁচে নিতে পারেন (বিশ) মিনিট। (বিশ) মিনিটের মধ্যে যদি আপনি ক,খ,গ ও ঘ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে পারেন তবেই আপনি পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়ে সবগুলো প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতে সক্ষম হবেন।এর অধিক সময় হলে আপনি পুরোপুরি প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রদান করতে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই আপনার যতটুকু চেষ্টা করার প্রয়োজন তাঁর সর্বোচ্চটুকুই করবেন যেনো (একটি) প্রশ্ন (বিশ) মিনিটেই সমাপ্তি করতে পারেন। পরীক্ষার খাতায় কিভাবে লেখলে ভালো নাম্বার পাওয়া যায়? প্রথমেই বলি; পরীক্ষার খাতায় যতই বেশি লেখবেন ততই বেশি নাম্বার পাবেন যে এমন কোনো কথা নাই। (কথায় আছে যে যদি ভালো হয় তাহলে অল্পতেই যতেষ্ট) অতিরিক্ত কোনকিছুই মানসম্মত নয়) প্রশ্নে যা চাওয়া হয়েছে শুধুমাত্র সেটার উত্তরেই দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ক নাম্বার প্রশ্নের উত্তর তো এক কথার উত্তরেই এবং খ নাম্বার প্রশ্নের উত্তরও একদম ছোট টাইপেরেই হয়। গ নাম্বার প্রশ্নে যা চাওয়া হয়েছে সেটার উত্তরেই দিবেন লাইন হিসাবে সর্বোচ্চ ১৪-১৫ লাইন দিতে দিতে পারেন। এবং ঘ নাম্বার প্রশ্নেও চাওয়া হয়েছে সেটার উত্তরেই দেওয়ার চেষ্টা করবেন লাইন হিসাবে সর্বোচ্চ ১৫-১৬ লাইন দিতে পারেন। আর হ্যাঁ,সবকিছুরেই একটা মাধুর্যতা আছে পরীক্ষা যে দিবেন বিশেষ করে লক্ষ করবেন বানানগুলো যেন স্পষ্ট হয় এবং উত্তরের মধ্যে কোনো অতিরিক্ত কাঁটাকাঁটি করা যাবেননা। ধন্যবাদ।

2687 views

Related Questions