1 Answers
১৬৭৫ সালে কোপেন হেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওলফ রোমার সর্বপ্রথম আলোর বেগ নির্ণয় করেন। সেই পদ্ধতিকে বলে- রোমারের জ্যোতির্বিদীয় পদ্ধতি। আলোর নির্দিষ্ট গতিবেগ আছে এবং তা হলো শূন্যস্থানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লাখ কিলোমিটার। অর্থাৎ কোনো উৎস থেকে বের হয়ে এটি প্রতি সেকেন্ডে তিন লাখ কিলোমিটার করে দূরে চলে যাবে। তবে আলো বিভিন্ন মাধ্যমে বিভিন্ন বেগে চলে। কেবল শূন্যস্থানেই আলো দ্রুত বেগে চলে। কারণ, শূন্যস্থানে আলো বাধা পায় না। বাতাসের মধ্যে আলোর বেগ আর শূন্যস্থানে আলোর বেগ একই ধরা হয়। যদিও বাতাসের মধ্যে দিয়ে চলার সময় বাধা পাওয়ায় আলো একটু ধীরে চলে। খুব একটা ধীরে চলে না বলেই এই দুই স্থানের মধ্য দিয়ে আলোর বেগকে একই ধরা হয়।
মাধ্যম যত বেশি ঘন হবে, সেখানে আলোর বেগও কমে যাবে। যেমন- শূন্যস্থানে আলো যে বেগে চলে, পানির মধ্য দিয়ে তার চার ভাগের তিনভাগ বেগে চলবে। অর্থাৎ পানিতে আলোর বেগ হবে প্রতি সেকেন্ডে দুই লাখ ২৫ হাজার কিলোমিটার। আর কাচের মধ্যে আলোর বেগ শূন্যস্থানের তিন ভাগের দুইভাগ বেগে চলে।
আলোর গতি ৩ লক্ষ কিলোমিটার/সে. এর বেশী হতে পারে না। এর বেশি এখনো প্রমাণ হয় নাই।
তথ্যসুত্রঃ banglanews24.com
পদার্থ বিজ্ঞান শিক্ষক বাতায়ন
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy