1 Answers
আল্লাহ তায়ালা মানুষের বংশধারাকে পতনের হাত থেকে রক্ষার জন্য নারী ও পুরুষের অস্তিত্বের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের ব্যবস্থা করেছেন যা পরস্পরকে আকৃষ্ট করে ও সামাজিকভাবে পরিবার প্রতিষ্ঠা করে। অর্থাৎ বিবাহের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র দৈহিক চাহিদাটাই মূল ও মৌলিক মানদণ্ড নয়। নারী-পুরুষ সম্পর্কে ইসলামে যা বলা হয়েছে তা হচ্ছে প্রশান্তি ও সাচ্ছন্দ যা নারী-পুরুষের মধ্যে পরস্পরের সহযোগিতার ফলে দাম্পত্য জীবনে গড়ে উঠে। আর এর ফলশ্রুতিতেই মানব প্রজন্ম পতনের হাত থেকে রক্ষা পায়। মহান আল্লাহ তায়ালা দৈহিক চাহিদাকে প্রকৃতার্থে মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য দিয়েছেন যাতে তার দায়িত্বটি বিবাহের ফলে ভবিষ্যত প্রজন্মকে অব্যাহত রাখতে পারে। অন্য কথায় বৈবাহিক ব্যবস্থা একটি পুরস্কার যা আল্লাহ তায়ালা মানব দায়িত্ব হিসেবে তাকে অর্পণ করেছেন। কেননা, যদি এই চাহিদা বা তৃপ্তি না থাকত তাহলে কেউই বিবাহের দিকে ধাবিত হত না ও তার ফলশ্রুতিতে মানব প্রজন্মের পতন ঘটত। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই বিবাহের বিষয়ে দৈহিক চাহিদাকেই মূল বা আসল হিসেবে নিয়েছে আর ভবিষ্যত প্রজন্ম রক্ষার বিষয়টিকে নিয়েছে শাখা হিসেবে।
ইমাম জাফর সাদিক (আ.) বলেছেন: বিবাহের উদ্দেশ্য হল প্রজন্মকে রক্ষা করা (যৌন চাহিদা বা দৈহিক চাহিদা একটি উছিলা বা মাধ্যম মাত্র যাতে মানুষ বিবাহের প্রতি ইচ্ছা বা আগ্রহ প্রকাশ করে আর বিবাহের ফলে মানব প্রজন্ম ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায়।[1]
রাসূল (সা.) বলেছেন:
তিন শ্রেণীর লোক আছে যাদের প্রতি সাহায্য করা আল্লাহ তায়ালা স্বীয় দায়িত্ব বলে মনে করেন, তাদের মধ্যে একদল হচ্ছে ঐ সব ব্যক্তি যারা পবিত্রতা রক্ষা করে ও পাপকর্মে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য বিবাহ করে
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy