2 Answers


হে মুমিনগণ! তোমরা ইহুদী ও খৃষ্টানদের বন্ধু এবং অভিভাবক রূপে গ্রহণ করো না। তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু এবং অভিভাবক। এবং তোমাদের মধ্যে যে কেহ তাদের [বন্ধু এবং অভিবাবকরূপে] গ্রহণ করবে, সে তাদেরই একজন হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ্‌ জালেম সম্প্রদায়কে হেদায়েত দান করেন না। (কোরআন ৫:৫১)

‘আল্লাহ কেবল তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন, যারা ধর্মের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেছে এবং বহিস্কারকার্যে সহায়তা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে তারাই জালেম।’ (৬০:৯)

একই সূরার ৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, 

‘ধর্মের ব্যাপারে যারা তোমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেনি এবং তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিস্কৃত করেনি, তাদের প্রতি সদাচরণ ও ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয় আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালবাসেন।’ (৬০:৮)

কাজেই কাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে আর কাদের সাথে রাখা যাবে না-এ বিষয়ে কোরআন সুষ্পষ্ট করেছে।

3056 views

(১) “নিশ্চয়ই সমস্ত প্রাণীর মাঝে মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কাফিররাই সবচেয়ে নিকৃষ্ট, যারা ঈমান আনেনি।” (পবিত্র সূরা আনফাল শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৫) ২) “নিশ্চয়ই কাফিররা মহান আল্লাহ তায়ালা সাথে শত্রুতা করে।” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৯৮) ৩) “তোমরা (মুসলমানরা) তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে প্রথমতঃ ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) ৪) নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র। (পবিত্র সূরা তাওবাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) ৫) “হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫১) ৬) হে ঈমানদারগণ! তোমরা মু’মিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের ক্ষতিসাধনে কোনো ক্রটি করে না- তোমরা কষ্টে থাকো, তাতেই তাদের আনন্দ। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৮) ৭) (হে ঈমানদারগণ) দেখো, তোমরাই তাদের ভালোবাস, তারা (কাফিররা) কিন্তু তোমাদের প্রতি মোটেও মুহববত পোষণ করে না। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১৯) মুসলমানদের শত্রু কাফির-মুশরিকদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি সাতশ’ পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন। যেন মুসলমানগণ সাবধানতা ও সতর্কতা অবলম্বন করতে পারে এবং কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব বা তাদের অনুসরণ অনুকরণ না করে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, বর্তমান যুগের মুসলমানগণ পবিত্র দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে গিয়ে সেই কাফিরদেরই অনুসরণ করছে। এখন অনেক মুসলমান বলে থাকে যে, ‘সব কাফির খারাপ না’। নাউযুবিল্লাহ। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবে বলে দেয়ার পরেও ‘সমস্ত কাফিররা মুসলমানদের শত্রু’ -এ কথা বিশ্বাস করে না। বরং কাফির-মুশরিকদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে। কাফিরদের নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বা, অপসংস্কৃতি গ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ!মুশরিক হিন্দুদের পূজায় যায়। খ্রিস্টানদের ভ্যালেন্টাইন ডে, থার্টি ফাস্ট নাইট, হিন্দুদের পহেলা বৈশাখ, মজুসীদের নওরোজ পালন করে। নাউযুবিল্লাহ!এখন মানুষ মহান আল্লাহ পাক উনার নাফরমানী করে উনার শত্রু, মুসলমানদের শত্রু কাফিরদের ফরমান পালন করছে। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে কি করে সে মুসলমান থাকতে পারে? কি করে তার দোয়া মহান আল্লাহ পাক তিনি কবুল করবেন?

3056 views

Related Questions