খুব সমস্যায় আছি ভাই, আমার বয়স 24বছর।  আমার বয়স যখন 18 থখন থেকে আমার মাথায় চুল পাকা শুরু করে। বর্তমানে অনেক চুল পেকে গেছে। কোন ওষধ খাইলে আমার চুল পাকা কমবে। হোমিওপ্যাথি এবং এলাপ্যাথি ওষধের নাম ও রোগের কারন বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই। দয়া করে এর সঠিক উত্তর জানাবেন্
3115 views

5 Answers

আপনার চুল অকালে পেকে যাচ্ছে। এর জন্য প্রাকৃতিক পদ্ধতি প্রয়োগ অবলম্বন করতে পারেন। তাই অকালে চুল পাকা রোধের কয়েকটি উপায় দেখে নিন – ০১. পেঁয়াজ বাটাঃ মশলা হিসেবে পেঁয়াজ একটি আবশ্যকীয় উপাদান। বাংলাদেশে কমবেশি সব রান্নাঘরেই পেঁয়াজ থাকে। আর পেঁয়াজ বাটা চুল পাকা রোধের অত্যন্ত কার্যকরী অস্ত্র। পেঁয়াজ ভালোমত বেটে নিয়ে প্রতিদিন কিছুক্ষণ মাথার চামড়ায় ও চুলে ম্যাসাজ করলে এবং চুলে পেঁয়াজ বাটা শুকিয়ে ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেললে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই পাকাচুল কালো হয়ে যাবে। তবে দ্রুত ফল পাওয়ার জন্য অবশ্যই প্রতিদিন একবার করে এই উপায় অনুসরণ করতে হবে। ০২.আমলকি ও লেবুর রস মিশ্রণঃ আমলকি ও লেবু দুটোই আমাদের দেশে জন্মে এবং সহজলভ্য। এই দুটো ফলের পুষ্টি গুণ অত্যন্ত বেশি। শরীরের মেদ কমানো, হৃদপিন্ডের সমস্যা ইত্যাদি আভ্যন্তরীণ সমস্যার পাশাপাশি চামড়ার ইনফেকশন এবং মাথার চামড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন যোগান দেয়ার ক্ষেত্রে এই দুটো ফলের জুড়ি নেই। তাই অকালে চুল পাকা রোধের জন্য বাজার থেকে আমলকির গুঁড়া কিনে এনে তা লেবুর রসের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ১ ঘণ্টা করে মাথার চামড়ায় ম্যাসাজ করুন, তারপর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেললেই হবে। ০৩. নারিকেল তেল এবং লেবুর রসঃ চুলের যত্নে নারিকেল তেলের কোন জুড়ি নেই। আর লেবুর গুণাগুন তো আগেই ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাকা চুলের হাত থেকে রেহাই পেতে হলে প্রতিদিন ৪ চা চামচ নারিকেল তেলের সাথে আড়াই চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে উক্ত মিশ্রণ চুলের গোড়ায় এবং মাথার চামড়ায় লাগান। দুই সপ্তাহের মধ্যেই পাকা চুল কালো হয়ে উঠবে। তার পাশাপাশি আপনার মাথার চামড়া সুস্থ থাকবে, খুশকি হবে না এবং চুলও হবে উজ্জ্বল। ০৪. তিলের বীজ এবং বাদাম তেলঃ তিলের বীজ এবং বাদাম তেল এই দুইটি বাজারে বেশ সহজলভ্য। স্কিন ডাক্তাররা চুলের যত্নে মাঝে মধ্যে এই চিকিৎসাটি প্রেসক্রাইব করে থাকেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চিকিৎসায় সবচাইতে বেশি উপকার পাওয়া সম্ভব। প্রথম তিল বীজ গুঁড়ো করে নিন। এরপর তা বাদাম তেলের সাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরী করুন। এই পেস্টটি চুলে ও মাথার চামড়ায় লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ০৫.গাজরের রসঃ গাজর একটি পুষ্টিকর সবজি উপাদান। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারাল এর একটা সিংহভাগ গাজর একাই পূরণ করার ক্ষমতা রাখে। চুলের যত্নেও গাজর বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বাজার থেকে গাজর কিনে এনে সেটিকে ব্লেন্ডারে পানি, চিনি মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। গাজরের যে জুস পাওয়া যাবে, সেটি নিয়মিত পান করুন। প্রতিদিন অন্তত একগ্লাস করে গাজরের রস পান করলেই আপনার পাকা চুলের প্রতিকার পাওয়া শুরু করবেন। শুধু চুল নয়, সেইসাথে আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতেও এই গাজরের জুস সাহায্য করবে।

3115 views

আপনি মেহেদি  পাতা বেটে দেন এটি চুলের জন্য খুব উপকারী পাশাপাশি  আপনি পাবেন natural কালার।এবং চুল হবে মজবুত।

3115 views

সপ্তাহে একবার/দুবার মেহেদীর পর অয়েল ম্যাসেজ করতে পারেন । অয়েল মেসেজ যা লাগবেঃ ভিটামিন ই-ক্যাব একটি, কাস্টার্ড অয়েল, অলিভ অয়েল, মেথি গুড়া । নিয়মাবলীঃ সব একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে মাথায় ভালো করে মেসেজ করতে হবে ।

3115 views

ভাই অকালে চুল পাকার অনেক কারণ থাকতে পারে।যেমন:কিছু কিছু মানুষের হরমোনগত কারনে অকালে চুল পেকে যায়।আর তাছাড়া অতিরিক্ত মানসিক চিন্তার কারনেও অনেক সময় মানুষের অকালে চুল পেকে যায়।তাই আমি বলবো অতিরিক্ত টেনশন করবেন না।

3115 views

অল্প বয়সে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। শুধুমাত্র জিনগত সমস্যা নয়, শরীরে পুষ্টির অভাব হলেও চুলে পাক ধরতে পারে। খাওয়া-দাওয়ায় একটু নজর দিন। তাহলেই চলবে। ❏ আখরোট: আখরোটে প্রচুর পরিমাণ কপার থাকে যা চুলে মেলানিন উৎপন্ন করে। নিয়মিত খেলে চুল কালো থাকে। ❏ রোজকার ডায়েটে চিংড়ি, ঝিনুক, কাঁকড়ার মতো সামুদ্রিক প্রামী রাখুন। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। যা চুলে পাক ধরা আটকায়। ❏ মেটে: মাংসখেতে ভালোবাসেন নিশ্চয়ই! তাই বলে মেটে দেখে নাক সিঁটকোবেন না। এতে ভিটামিন বি ১২ থাকে। যা চুল পাকা প্রতিরোধ করতে সক্ষম। ❏ ব্রকোলি: ব্রকোলিতে ফোলিক এ্যাসিড থাকে। এটি চুলে পাক ধরতে দেয় না। ❏ সামুদ্রিক মাছ: শুধুই পমফ্রেট নয়, চুল পাকা রুখতে স্যামন, টুনা জাতীয় সামুদ্রিক মাছে খান। এগুলিতে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। ❏ ডাল: ডালে প্রচুর ভিটামিন বি ১২ এবং বি ৯ রয়েছে। চুল ভালরাখতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একবাটি ডাল রাখুন।

3115 views

Related Questions