1 Answers
না পাঁকা চুল/ চুল বৃদ্ধি পাবে না।
আসলে ন্যাড়া করলে যে চুল বৃদ্ধি পায় এটাই
চিকিৎসকরা মতামত দিয়েছেন কি না সন্দেহ।
আপনার চুল স্বাভাবিকই থাকবে অর্থ্যাৎ যেমন আছে
চুলের অবস্থা (পরিমান, রং) তেমনই থাকবে।
চুল পাকা নিয়ে কিছু কথা...................
কার চুল কী রঙের হবে তা নির্ভর করে জিনগত বৈশিষ্ট্য
এবং বিশেষ হরমোন মেলানিনের ওপর। এই মেলানিনের
অভাবের কারণেই চুল পাকে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে
শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে বলেই বুড়ো
বয়সে চুল পাকে। কম বয়সে চুল পেকে যাওয়ার একটা
অন্যতম কারণ হতে পারে আমাদের শরীরে জিন
বা বংশগতির প্রভাব। কিন্তু খাবারদাবারের ভেজাল ও
পরিবেশগত দূষণসহ অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান
বা জীবনযাপনের নানা সমস্যার কারণেও কম বয়সে চুল
পাকতে পারে।
সমাধান স্বরুপ কিছু পরামর্শ....................
১) হরতকীর গুঁড়া ১ চা চামচ, মেহেদি পাতা বাটা দুই চা চামচ এবং আধাকাপ নারকেল একসাথে মেশান। এবার ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে মিশ্রণটি ঠাণ্ডা করুন। পুরো চুলে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।
২) ১০ গ্রাম মেহেদিপাতা, ১০ গ্রাম কেশুতপাতা, হরীতকীর ছাল, ২টি আমলকী, ৭-৮টি জবুফলের মাঝের অংশ ও বিটের রস ভালো করে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে হেয়ার টনিক তৈরি করুন। এই টনিক নিয়মিত পুরো চুলে লাগান। ৪০ মিনিট রেখে ভালো করে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অসময়ে চুল পাকা প্রতিরোধ করতে পারবেন খুব সহজেই।
৩) আমলকীর রস, বাদামের তেল ও লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে সপ্তাহে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ দিন ব্যবহার করুন। চুল পাকা কমে যাবে।
৪) একটি দুটি করে চুল সাদা হতে শুরু করলেই মেহেদি, ডিমের কুসুম ও টকদই একসাথে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে চুলে লাগান। সপ্তাহে এক বার এই প্যাক ব্যবহার করুন। এই প্যাক চুল পাকা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৫) ১ কাপ নারকেল তেল, ১ টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া, ২ টেবিল আমলকী গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে অল্প আঁচে জ্বাল দিন। তেল বাদামি রঙ ধারণ করলে নামিয়ে ফেলুন। ঠান্ডা হয়ে গেলে ছেঁকে নিন। এই তেল সপ্তাহে ২ দিন চুলের গোড়াসহ পুরো চুলে লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এতে চুল পাকার সমস্যা দূর হবে দ্রুত।
এছাড়া চুলের ধরন অনুযায়ী নিয়মিত ভালো ব্যান্ডের
শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। চুলের ক্রিম,
, স্প্রে, সিরাম, কালার ইত্যাদি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা
অবলম্বন করা উচিত। এ সবই বিভিন্ন ক্ষতিকর
কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে, যেগুলো চুলের
জন্য কোনোভাবেই ভালো নয়। নিয়মিত ফলমূল,
রঙিন শাকসবজি, পুষ্টিকর খাবার খান ও প্রচুর
পরিমাণে পান করুন।