1 Answers
যদি কাউকে প্রশ্ন করা হয় – “আপনি কি আপনার লিঙ্গ লম্বা করতে চান?” প্রায় সবাই উত্তরে বলবে “অবশ্যই চাই!” →→→ যাই হোক, প্রায় একশত বছরের বেশি সময় ধরে এর জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অথবা চেষ্টা করেও লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন একটা ভাল ফলাফল/আবিষ্কার আসেলেই হয়নি। তবে এটা সত্যযে – বিভিন্ন খাবার বড়ি, ক্রিম, ব্যায়াম, লকিং মেশিন এবং অস্ত্রপ্রচারের মাধ্যমে এখন মানুষ তার লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের চেষ্ট করে থাকে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তাদের কোনটিই হয়তো কার্যকর হয়না। বরং এ রকম চেষ্টার ফলে অনেক পুরুষ লিঙ্গত্থান সমস্যা সহ নানবিধ যৌন জটিলতায় পতিত হন। ডক্টর মাইকেল ও’লেয়ারী (প্রফেস্যার, হাবর্ড মেডিক্যাল স্কুল। ইউরোলজিষ্ট, ব্রিগহাম এন্ড ওমেন্স হসপিটাল ইন বোষ্টন) বলেন, “বিশ্বাস করুন, আমি যদি জানতাম কি করে নিরাপদে এবং সত্যিকারেই লিঙ্গের আকার বড় করা যায় – তাহলে আমি তা প্রেসক্রাইব করে কোটিপতি হয়ে যেতাম। কিন্তু আমি এটা জানিনা – এমনকি এখনো এ রকম কোন পদ্ধতি আবিষ্কার-ই হয়নি!”। →→→ ব্যায়াম / পদ্ধতি ০১: এটি এমন একটি পদ্ধতি যাতে লিঙ্গের ইরিকট্যাল টিস্যুতে রক্ত ধারন ক্ষমতা ক্রমশঃ বৃদ্ধি পায়। লিঙ্গের টিস্যুতে পরিমান মত রক্ত সঞ্চালন লিঙ্গকে দৃড় এবং আকারে বড় করে। এখানে বলে রাখি, যাদের লিঙ্গে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে তারাই লিঙ্গত্থান সমস্যার শিকার হন। মুলত লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের পদ্ধতিগুলোর মাঝে জিলকিং পদ্ধতিটি বিশ্বজুড়ে সবছে বেশি জনপ্রিয়। তবে নিচের যেকোন ব্যায়াম করার সময় যৌন বিষয়ক চিন্তা থেকে বিরত থাকবেন। অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন কোন ভাবেই আপনার বীর্যস্থলন হয়ে না যায়। যদি মনে হচ্ছে কামরস এসে যাচ্ছে, তাহলে লিঙ্গ নাড়াচাড়া না করে কিছুক্ষন অন্যমনস্ক থাকুন। কিভাবে করবেন? ১) – টয়লেট কিংবা আপনার নিজের রুমের দরজা ভাল করে বন্ধ করে চেয়ার কিংবা চৌকিতে পা ঝুলিয়ে বসুন। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবেন না যেখানে সবসময় মনে হবে কেউ এসে যাচ্ছে অথবা দেখে পেলছে। ২) – পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)। ৩) – এবার দুই হাতে হালকা সরিষার তেল কিংবা পার্সোনাল লুব (ঔষধের দোকানে পাওয়া যাবে) লাগিয়ে নিন। ৪) – আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত ছালাই)। ডান হাত যখন লিঙ্গের আগার কাছাকাছি যাবে তখন বাম হাত একই ভাবে গোড়া থেকে শুরু করে আগার দিকে নিয়ে যান। এক হাতের একবার করে সঞ্চালন করাকে আমরা এক রিপিট গননা করবো। ৫) – ব্যায়াম শুরুর প্রথম পাঁচ দিন ৪০ বার রিপিট করবেন। >> ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম দিন আরো ৪০ রিপিট বাড়াবেন, অর্থাৎ ৮০ প্রতিদিন ৮০ বার করে। ১১তম থেকে ১৫তম দিন ১২০ বার করে। ১৬তম থেকে ২০তম দিন ১৬০ বার করে। ২১তম দিন থেকে পরবর্তী দিনগুলো সর্বনিম্ন প্রতিদিন ২০০ বার এ ব্যায়াম করতে হবে। আনুমানিক ২ মাস এ ব্যায়াম সপ্তাহে ৬ দিন (একদিন সাপ্তাহিক বিরতী দিতে হবে) করে করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে। →→→ ব্যায়াম / পদ্ধতি ০২: কিভাবে করবেন? এ পদ্ধতিটি অনেকটা আগের পদ্ধতির মতই। তবে পার্থক্য হল এ পদ্ধতিটিতে গোড়া থেকে আগার দিকে গিয়ে লিঙ্গের মাথায় গিয়ে কিছুক্ষন (৬/৭ সেকেন্ড) চেপে ধরে রাখতে হবে – টয়লেট কিংবা আপনার নিজের রুমের দরজা ভাল করে বন্ধ করে চেয়ার কিংবা চৌকিতে পা ঝুলিয়ে বসুন। অর্থাৎ এমন স্থানে বসবেন না যেখানে সবসময় মনে হবে কেউ এসে যাচ্ছে অথবা দেখে পেলছে। পরনের কাপড় সরিয়ে আপনার লিঙ্গকে হালকা উত্তেজিত করুন। (এমন ভাবে উত্তেজিত করবেন না যাতে বীর্জ বেরিয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে)। এবার দুই হাতে হালকা সরিষার তেল কিংবা পার্সোনাল লুব (ঔষধের দোকানে পাওয়া যাবে) লাগিয়ে নিন। আপনার বৃদ্ধাঙ্গুল এবং তর্জনী আঙ্গুল এর আগা একে অপরের সাথে এমনভাবে যুক্ত করুন যাতে মাঝে গোলাকার (যেভাবে আমরা ok sign ইশারা করি) ছিদ্রের মত হয়। এবার এই রকম হাতে লিঙ্গের গোড়ার দিক থেকে লিঙ্গের গা ঘেষে (ছিপে ধরে) লিঙ্গের আগার দিকে হাত সঞ্চালন করুন (যেভাবে গরুর দুধ ধোওয়া হয় অথবা কোন ফাপা নল থেকে সবটুকু তরল বের করার জন্য আমরা যেভাবে গোড়া থেকে আগার দিকে হাত ছালাই)। লিঙ্গের আগার কাছাকছি হাত পৌছালে লিঙ্গকে কিছুক্ষন চেপে ধরে রাখুন। তারপর ডান হাত ছেড়ে দিয়ে বাম হাত একই ভাবে গোড়া থেকে শুরু করে আগার দিকে নিয়ে যান। এবং এই হাতটিও কিছুক্ষনের জন্য অগ্রভাগে ধরে রাখুন। এক হাতের একবার করে সঞ্চালন করাকে আমরা এক রিপিট গননা করবো। ব্যায়ামটি প্রতিদিন ৪০ বার রিপিট করবেন। →→→ ঝাকুনী পদ্ধতিঃ এ পদ্ধতিও জিলকিং পদ্ধতির মত লিঙ্গের টিস্যুতে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। কিভাবে করবেন? লিঙ্গকে কিছুটা উত্তেজিত করুন। (৩০ থেকে ৪০ % উত্তেজনা এ ব্যায়ামের জন্য ভাল)। লিঙ্গের গোড়ার দিকে বৃদ্ধাঙ্গুলী ও তর্জনী দিয়ে আংটা (রিং) বানিয়ে চেপে ধরুন। এবার লিঙ্গকে গোড়ালী থেকে ঝাকুনি দিন (যেভাবে স্কুলের শিক্ষকরা বেত দিয়ে পিটান ঠিক সেই রকম ভাবে হাওয়ায় লিঙ্গকে ঝাকুনি দিন)। ব্যায়ামটি প্রতিদিন ৪০ বার রিপিট করবেন। →→→ পরিশিষ্টঃ সমীক্ষা মতে প্রায় সব মহিলারা তাদের পুরুষ সঙ্গির প্রেম-অঙ্গ নিয়ে পরিতৃপ্ত। তাই অযথা চিন্তা আর হাতুড়ে ডাক্তারের শরনাপন্ন হয়ে পয়সা নষ্ট ও দুশ্চিন্তা বাড়ানো থেকে বিরত থাকুন। পরীক্ষায় প্রমানীত হয়েছে নারীদের যৌন তৃপ্তির জন্য মাত্র ৭.৪ সেঃমিঃ অর্থৎ ৩ ইঞ্চি লম্বা লিঙ্গ যথেষ্ট। (কারন নারীর জি-স্পট যৌনাঙ্গের সর্বচ্চ ৫ সেঃমিঃ ভিতরে অবস্থিত)। যৌন আনন্দ দানের জন্য আকার নয় – আপনার মিলন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনুন।