1 Answers

আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস এ সেটিংস থেকে ব্যাটারি একটা অপশন আছে, ওটা একবার দেখে নিন। এবার নিশ্চই নিজেই কিছুটা বুঝতে পারছেন আপনার ব্যাটারি কোথায় কতটা খরচ হচ্ছে? এছাড়া কিছু টিপস দেয়া হলো যা কাজে আসবে। নাম্বার ১ প্রথমেই কিছু ওয়্যারলেস কানেকশন আপনাকে বন্ধ করতে হবে। WiFi, Bluetooth, GPS এগুলো কি এখন কাজে লাগছে? না লাগলে বন্ধ করে দিন। যখন যেটা প্রয়োজন তখনই শুধু অন রাখেন। এসবে প্রচুর ব্যাটারি কঞ্জিউম হয়, তাই অযথা সবসময় অন রাখার কোন মানে নেই। নাম্বার ২ স্ক্রীন , স্ক্রীন এ যে কত ব্যাটারি খরচ হয় অলরেডি দেখেছেন নিশ্চই? তো কি করা যায়। যা আপনি করতে পারেন, তা হচ্ছে স্ক্রীন ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রন। যখন যতটুকু দরকার, দিনের বেলায় বা বেশি আলোতে বেশি, কম আলোতে কম। এজন্য অনেক ফোন বা ট্যাবলেট এ আবার অটো ব্রাইটনেস কন্ট্রোল থাকে, ওটা এন্যাবল করা থাকলে আপনাকে বেশি না ভাবলেও চলবে। তবে আপনার হাইয়েস্ট ব্রাইটনেসেও যদি স্বাভাবিক আলোতে দেখতে সমস্যা হয়, তাতে আমাদের কিছু করার নাই। সেটা আপনার ডিভাইস এর দোষ। আর একটা বিষয়, অনেকেই দেখি এন্ড্রয়েডে লাইভ ওয়াল পেপারের খুব ভক্ত। যাহোক আপনার যদি খুব পছন্দের হয়, তাহলে আপনার জন্য আর কোন টিপস না হলেও চলবে, শুধু এই লাইভ ওয়াল পেপারটা দয়া করে বন্ধ রাখেন। নাম্বার ৩ এখন আপনার ফোন বা ট্যাবে কতগুলো এ্যাপ্স রানিং আছে? পাঁচটা ? দশটা ? নাকি আরো বেশি ? যেসব এ্যাপ্স ব্যবহার করছেন না, সেগুলো বন্ধ করে দিন। সেটিংস থেকে এ্যাপ্স এ গেলেই রানিং এ্যপ্স দেখতে পারবেন, অথবা হোম বাটন এর পাশের ওপেন এ্যাপ্স থেকেও Swipe করে বন্ধ করতে পারবেন। আবার সহজে একটা এ্যাপ্স কিলার বা টাস্ক কিলার এ্যাপ্লিকেশান ও ব্যবহার করতে পারেন এজন্য। কিছু এ্যাপ্লিকেশন যেমন ফেসবুক বা অন্য সোস্যাল নেটয়ারকিং এরা সারাক্ষণ ব্যাক গ্রাউন্ডে রান করে অনেক ব্যাটারি অপচয় করে। নাম্বার ৪ নোটিফিকেশন, Widgets আর Synch যতটা পারেন বন্ধ রাখেন। যেটা দরকার সেটা রাখেন, অপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র খালি খালি রাখার কোন মানে হয়না। এমনকি দেখবেন, অনেক এ্যাপ্লিকেশান গত ছয়মাসে একবারো ব্যবহার করেন নাই, কিন্তু সেটা হয়তো ব্যাকগ্রাউন্ডে সবসময় চলছে। তাই মাঝে মাঝে কিছু আনইন্সটল করে দিন। নাম্বার ৫ আপনার ডিভাইস এর সাথে আপনার চাহিদা অনুযায়ী একটা পাওয়ার ব্যাঙ্ক কিনে ফেলুন। ২২০০ mAh থেকে ১০,০০০ mAhপর্যন্ত। মূল্য ১৩০০ থেকে ৫০০০ টাকা

2614 views

Related Questions