3 Answers
...................................................
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিআন্নাকা আংতাল্লাহু, লা ইলাহা ইল্লা আংতাল আহাদুস সামাদ, আল্লাজি লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ, ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।’
অর্থঃ : ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করি এবং জানি যে, তুমিই আল্লাহ, তুমি ব্যতিত কোনো মাবুদ নেই, তুমি এক, অনন্য, মুখাপেক্ষীহীন ও অন্যদের নির্ভরস্থল। যিনি জনকও নন, জাতও নন এবং যার কোনো সমকক্ষ নেই।’
তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘সে আল্লাহকে তাঁর ইসমে আজম বা সর্বাধিক বড় ও সম্মানিত নামের সঙ্গে ডাকল। যা (ইসমে আজম) দ্বারা যখন কেউ তাঁর নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তিনি তাকে তা দান করেন এবং যা দ্বারা যখন কেউ তাঁকে ডাকে, তিনি তাঁর ডাকে সাড়া দেন। (তিরমিজি, আবু দাউদ, মিশকাত)
সাধারণত এমন কোনো আমল নেই, যা করলে আল্লাহর কাছে যাই চাইবেন, নিশ্চিতভাবেই তা পাবেন। বরং এজন্য বেশি বেশি আমল করতে হবে। সব ধরনের আমল এবং ফরজ ওয়াজিবের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।
তবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিছু আমলের ব্যাপারে উৎসাহ দেওয়ার জন্য বলেছেন, এটা করলে যা চাইবে, তাই পাবে।
যেমন, সালাতুত তাসবীহ পড়ে দোয়া করলে আল্লাহ কবুল করেন। আপনি সালাতুত তাসবীহ পড়তে পারেন।
এছাড়া তাহাজ্জুদ পড়ে দোয়া করলেও আল্লাহ কবুল করবেন বলে হাদিসে আছে।
তবে যা চাইবেন, তা যে দুনিয়াতেই পেয়ে যাবেন, এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং আল্লাহ অনেক দোয়া কবুল করে বান্দার আখেরাতের জন্য রেখে দেন। তখন সে অনুযায়ী সওয়াব দেওয়া হবে।
এজন্যই হাদিসে আছে, যারা তখন এসব সওয়াব পাবে, তারা বলবে, কেন আমাদের সব দোয়াই এই আখেরাতের জন্য রেখে দেওয়া হল না! আমাদেরকে যদি দুনিয়ায় না দিয়ে আখেরাতে দেওয়া হত, তাহলে কতই না ভালো হত!
মোটকথা, বেশি বেশি আমল করতে থাকুন এবং দোয়া করতে থাকুন! কবুল হবেই, ইনশাআল্লাহ!
তবে কবুল হওয়ার পরও হয়তো পেতে দেরি হবে। হয়তো সাথে সাথেই পাবেন অথবা পরবর্তীতে পাবেন কিংবা একেবারে আখেরাতে পাবেন! জাযাকাল্লাহ!
সব ধরনের আমলই ঠিকভাবে করলে মহান আল্লাহর কাছে যা চাবেন তা পাবেন |আপনি যদি ইসলামের ৫টি স্তম্ভই ঠিকভাবে আদায় করেন তাহলে আপনি যা চাইবেন তা পেতে পারেন |আর যা চাবেন সেটা নামাযে আল্লাহর কাছে চাইবেন |