2 Answers

পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের নির্দিষ্ট পরিমাণ চামড়া কেটে বাদ দেওয়াকে খত্‌না বলে যা আমাদের দেশে মুসলমানি বলে, সম্ভবত মুসলিমরা এটার চর্চা গুরুত্বের সাথে করে বলে এরকম নামকরণ হয়ে থাকতে পারে। মুসলিমরা এটা করেন জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করে।

খত্‌না করার বেশকিছু উপকার আছে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ

১. পুরুষাঙ্গের মধ্যের ঐ অংশে ব্যকটেরিয়ার সংক্রমণ কমে যায়;

২. বিভিন্ন যৌনরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে যেমনঃ স্বামীর পেনাইল ক্যান্সার, স্ত্রীর সার্ভিকাল ক্যান্সার প্রভৃতি;

৩. স্ত্রী সহবাসের সময় স্বামী-স্ত্রীর জন্য সুবিধা হয় প্রভৃতি।

এছাড়াও কিছু রোগের (Phimosis, balanitis, balanoposthitis) ক্ষেত্রে ডাক্তাররা পুরুষাঙ্গের ঐ চামড়াটুকু কেটে বাদ দেন।

প্রাচীন মিশরে ঈসা (আঃ) এর জন্মের ২,৩০০ বছর আগে থেকে এটা প্রচলিত ছিল। আবার Grafton Elliot Smith এর মতে ১৫,০০০ বছরের বেশি সময় আগে এটা চালু হয়েছিল। মুসলিমদের আগে ইহুদিদের মধ্যেও এটা প্রচলিত ছিল।

তথ্যসংগ্রহ  :  ইন্টারনেট। 

11355 views

মুসলমানি হল- পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া কিছুটা কেটে ফেলা। এটাকে আরবি ভাষায় খতনা বলা হয়।

খতনা করা সুন্নাত। এটা করলে অনেক উপকার আছে। ধর্মীয় উপকার হল- সুন্নাত আদায়ের কারণে সওয়াব অর্জন। আর চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের মতেও এতে অনেক উপকার বিদ্যমান। লিঙ্গের অনেক রোগ-সম্ভাবনা কমে যায়। যে কারণে বর্তমানে ইহুদি খৃস্টানরাও খতনা করে।

মুসলমানরা আসলে এটাকে সুন্নাত এবং ইবাদত হিসেবেই করে থাকেন। একারণেই কেউ খতনা না করলে তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়।

এটার ইতিহাস হল- হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম সর্বপ্রথম খতনা করেন। আশ্চর্যের বিষয় হল, তিনি নিজেই নিজের খতনা করেন। এরপর থেকে এটা সুন্নাতে ইবরাহিমি হিসেবে পালন হয়ে আসছে। আর আমাদের ইসলামে ইবরাহিম আলাইহিস সালামের অনেক সুন্নাত পালন করা হয়। সে হিসেবে ধারাবাহিক পরম্পরায় আমাদের পর্যন্ত চলে এসেছে।

ইবরাহিম আলাইহিস সালামের নাতি ছিলেন ইয়াকুব আলাইহিস সালাম। হিব্রু ভাষায় তাঁর নাম ছিল ইসরাঈল অর্থাৎ, আল্লাহর বান্দা। তাঁর বংশধরদেরই বলা হয় বনী ইসরাইল। এরাই পরবর্তীতে ইহুদি খৃস্টানে রূপান্তরিত হয়েছে। একারণেই প্রাচীন কাল থেকে ইহুদিদের মধ্যেও খতনা করার সুন্নাতটা পাওয়া যায়। 

11355 views

Related Questions

কিছু করানো?
1 Answers 2942 Views