3 Answers

1)কিছু খাবার আছে ,যেগুলোতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ফ্যাট যা করতে সাহায্য করে যেমন,পানি বেশি করে খাবেন ,শবজি বেশি বেশি খাবেন।

2) সিরাপ সিনকারাটি খান

৩) শরীর ফ্যাট করে এমন খাবার গুলো বেশি বেশি করে খান...একজন মানুষের স্বাভাবিক দৈনিক খাদ্য চাহিদা ২৮০০ ক্যালোরি...সেক্ষেত্রে আপনি চাহিদার অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহন করুন...নিয়মিত ব্যায়াম করলে ৪০০০ ক্যালোরি পর্যন্ত খাদ্য চাহিদা সৃষ্টি হতে পারে...এতে আপনার মোটা হতে সহায়তা করবে।

২) খাবারের জন্য মুখে রুচি আনতে এ্যারোষ্টোভিট এম মাল্টিভিটামিন...কক্স মাল্টিভিটামিন...হামদার্দের সিনকরা খেতে পারেন। তবে প্রকৃতিগত ভাবে এই ভিটামিন গ্রহন করতে পারলে বেশি উত্তম...বিভিন্ন ধরনের সবজি/ফল খেতে পারেন।

৩) বিকালে আসরের নামাজ পরে অথবা মাগরিবের নামাজের পরে আরেক দফা ঘন্টাখানেক এ্যারোবিক ব্যায়াম করুন...শরীর থেকে অঝরে ঘাম ঝড়তে দিন...ঘামে গোসল করে ফেলুন...এতে শরীর মোটা হবার সময় ক্ষতিকারক ফ্যাটগুলো পুরো ঘামের মাধ্যেমে বের হয়ে আসবে...যা আপনাকে স্থায়ীভাবে মোটাত্ব ধরে রাখতে সহায়তা করবে।

৪) দুই বেলা ব্যায়াম করার কারনে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার ঘুমের চাহিদা থাকবে চরমে...এশার নামাজের পর পরই ঘুমাতে যান...কমপক্ষে আট ঘন্টা ঘুমান...ঘুমোতে যাবার আগে ফ্যাটযুক্ত আধালিটার গরম দুধ এক চামচ মধু মিশিয়ে খান

3115 views

স্বাস্থ্য করার জন্য কিছু বিশেষ উপায়ঃ ১. পুষ্টিকর খাবার খাওয়া: সুস্থ স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। কিছু বিশেষ খাবার আছে যেগুলো স্বাস্থ্য ভালো রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। তাই পালং শাক, ব্রকলি, লেটুস, ফুলকপি, বাঁধাকপি, চিনি ছাড়া চা, রঙিন ফল, ডিম, বাদাম ও বিভিন্ন বীজ, তৈলাক্ত মাছ ও ডার্ক চকলেট নিয়মিত খাবার তালিকায় রাখুন। ২. ব্যায়াম করা: স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করা প্রয়োজন। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট এক টানা হাঁটার চেষ্টা করুন। এছাড়াও দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার ও অন্য যে কোনো ব্যায়াম যেগুলো ক্যালোরি ক্ষয় করে সেগুলো সবই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং লিবিডো বৃদ্ধি পায় যা স্বাস্থ্যের জন্য জরুরী। ৩. পরিচ্ছন্নতা: সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা। ৪. প্রচুর পানি খাওয়া: স্বাস্থ্য রক্ষা করার জন্য প্রয়োজন প্রচুর পানি পান। শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি উপস্থিত না থাকলে নানান রকমের সমস্যা দেখা দেয় শরীরে। তার মধ্যে একটি হলো লিবিডো কমে যাওয়া। তাই সুস্থ্য স্বাস্থ্যের জন্য দিনে অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন। ৫. ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করুন: ধূমপান ও মদ্যপান লিবিডো কমিয়ে দেয়। ফলে স্বাস্থ্য মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। নিকোটিন রক্ত জমাট বাধিয়ে ফেলে এবং রক্তচলাচল কমিয়ে দেয়।

3115 views

# নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। খাবার তালিকায় আঁশযুক্ত খাবার বাড়ান। আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবার কমিয়ে আনুন। ভাজা-পোড়া ও ফাস্টফুড জাতীয় খাবার সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।


# খাবারের শুরুতে এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করুন। খাবার শেষে অন্তত এক থেকে দুই ঘন্টা পর পানি পান করবেন।


# লালমাংস (চার পা বিশিষ্ট পশুর মাংস), দোকানের কেনা মিষ্টি, ঘি, ডালডা, ডাল ও ডালজাতীয় খাবার কম খান।


# ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খাদ্য তালিকায় রাখুন। একবারে বেশি করে খাওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে বার বার খেতে পারেন।


# রাতে তাড়াতাড়ি খাওয়া উচিত। খাওয়ার এক থেকে দুই ঘন্টা পর শোওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।


# সুস্বাস্থ্য ও ফিগারের জন্য নিয়মিত ও পরিমিত ঘুম প্রয়োজন। দিনে শোওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করে রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।

রাতে দুধ মধু কলা খেয়ে ঘুমাবেন।

3115 views

Related Questions