4 Answers

এটা ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম।

2982 views Answered

এটা হারাম বা সম্পূর্ন না যায়েজ। কারণ গোপন অঙ্গে নাপাকী বস্তু লেগে থাকে আর আপনি যদি গোপন অঙ্গ মুখে নেন তাহলে সেটা আপনার মূখে চলে যাবে তাই এটা না যায়েজ।

2982 views Answered

এর জন্য শক্ত কোন হাদিস, দলিল পাওয়া

যায়নি, হজরত আয়েশা রাঃ বলেছেন আমি

কখনো রাসূল সঃ সতর দেখিনি, তিনি ও 

আমার সতর দেখেন নি

হাদিস শরিফে এটাও আছে, গোপনাঙ্গ দেখলে

চোখের জোতি কমে যায়।

কিছু কিছু ইসলামি চিন্তাবিদের মতে এটা মাকরূহ, কারণ গোপনাঙ্গ চোষন এর মাধ্যমে স্বামীর লিঙ্গ থেকে স্ত্রীর মুখে বা স্ত্রীর যোনি থেকে স্বামীর মুখে নাপাক তরল যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয় । অন্যান্য ইসলামি চিন্তাবিদরা জোর দিয়ে বলেছেন গোপনাঙ্গ চোষন নিষিদ্ধ বলা যায় এমন দলিল কোথাও পাওয়া যায়নি। 

স্বামী অথবা স্ত্রীর গোপনাঙ্গ মানব দেহের অন্য অঙ্গের মতই বিবেচনা করা হয় (যেমন স্তন অথবা ঠোট)। অন্যদিকে মুখ হচ্ছে শরীরের সর্বাপেক্ষা পবিত্র অঙ্গ। তাই ইসলামিক চিন্তাবিদগন সতর্ক করে দিয়েছেন কোন ভাবেই মনি অথবা মজি (প্রাক-মিলন-তরল অথবা বীর্য) যেন মুখের ভিতর না যায়। এ তরল মুখে যাবার সম্ভাবনা প্রচুর। তাই এই  চোষন ক্রিয়াকে মাকরুহ্ বলেছেন অনেকে।

2982 views Answered

গোপনাঙ্গ মুখে নেয়া মানে ওরাল সেক্স করা। ইসলামী শরীয়তে ওরাল সেক্স তথা মৌখিক যৌন লেহন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোন ক্রমেই তাঅনুমোদনযোগ্য নয়। বস্তুত বিবাহের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বৈধ ও রুচিসম্মত পদ্ধতিতে দৈহিক চাহিদা পূরণ করে নিজের পবিত্রতা রক্ষা করা। এক্ষেত্রে আবিধানিক ও অরুচিকর কোন প্রক্রিয়াই ইসলাম সমর্থন করে না। ওরাল সেক্স মূলত অত্যন্ত ঘৃণিত এবং মারাত্মক যৌনাচারের বহিঃপ্রকাশ। উপরন্তু যে মুখে আল্লাহর কুরআন পাঠ করা হয়, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নাম উচ্চারণ করা হয়, সে মুখকে এমন নিকৃষ্ট ও ঘৃণিত স্থানে ব্যবহার করা একজন মুসলমানের জন্য কি করে বৈধ হতে পারে! অন্যদিকে চিকিৎসা বিজ্ঞান মতে ওরাল সেক্স করার কারণে জরায়ূর জীবানু জিহ্বায় এবং জিহ্বার জীবানু জরায়ূতে সংক্রমিত হয়ে উভয়েই ক্যান্সারের মত দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। অতএব যখন যৌন কামনা জাগ্রত হবে তখন ওরাল সেক্সের মত পশ্চিমা নোংরা পদ্ধতি অনুসরণ না করে স্বাভাবিক উপায়ে সহবার করে উত্তেজনা প্রশমিত করাই হল ইসলামী শরীয়তের নির্দেশনা। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সর্বক্ষেত্রে সুস্থ রুচিবোধ লালন করার তাওফীক দান করুন। (সূত্র: সূরা আহযাব- ২১, সুনানে আবু দাউদ; হা.নং ৪৬০৭, আল-ফিকহুল ইসলামী ওয়াআদিল্লাতুহ ৩/৫৪৬, ফাতাওয়া আলমগীরী ৫/৪২৯, ফাতাওয়া রহীমিয়া ১৩/১৭৮, আহসানুল ফাতাওয়া ৮/৪৫, আল-ফাতাওয়া আল-মুআসারা ফিল-হায়াতিয যাওজিয়্যা ১/৩৮২)

2982 views Answered

Related Questions

Next steps