সামনে এইচএসসি পরিক্ষা কীভাবে পড়লে ফলাফল ভালো করা যাবে?
2752 views

1 Answers

কিছু পরামর্শ : ১. প্রথমে আপনার সুবিধামত একটা দৈনিক রুটিন করো। যে যে সাবজেক্টে একটু দুর্বল সেগুলোর জন্য বেশি সময় বরাদ্দ রাখবে। রুটিনে যে শুধু পড়া আর পড়াই রাখবে তা না, কিছু সময় টিভি/খেলা/আড্ডা/হাঁটাহাঁটি/গান শোনার জন্যও রাখবে। আর ঠিকমত ঘুমাবে। বেশি রাত জাগবে না। ২. বিজ্ঞানের বিষয়গুলোতে গাণিতিক সমস্যাগুলো নিয়মিত প্র্যাকটিস করবে। আর বিভিন্ন উত্তরে যে চিত্রগুলো আকঁতে হয় সেগুলোও প্র্যাকটিসে রাখবে, তাহলে পরীক্ষাতে কম সময়ে আঁকতে পারবে। ৩. মুখস্ত না, আত্মস্থ করার ওপর জোর দেবে। কারণ তুমি যদি বিষয়টা ভালো করে বুঝতে পারো তাহলে প্রশ্ন যেমনই হোক যেভাবেই আসুক নিজের মত করে লিখতে পারবে। একেবারে বইয়ের ভাষায় লিখতে হবে তা না যেটা তুমি বোঝ সেটা নিজের ভাষায় সঠিকভাবে উপস্থাপন করবে। ৪. বাসায় নিজের মত করে টেস্ট পেপার থেকে প্রশ্ন নিয়ে পরীক্ষা দেবার চেষ্টা করবে। নিজে পরীক্ষা দিয়ে নিজেই খাতা দেখবে আর অনেস্টলি মার্কিং করবে। কারণ নিজের ভুলগুলো নিজের চোখে পড়লে পরে আর কখনো সেই ভুল হবে না। ৫. আগের বছরের প্রশ্নগুলো একটু স্টাডি করলে প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে আইডিয়া পাবে এবং কোন প্রশ্ন বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতে পারবে। চেষ্টা করবে একটা সাবজেক্টের সবগুলো চ্যাপ্টার পড়ে যাওয়ার। অনেকের টেন্ডেনসি থাকে কিছু চ্যাপ্টার বাদ দিয়ে পড়ার তখন যেটা হয় প্রশ্নে পড়ে যাওয়া চ্যাপ্টার থেকে হয়তো একটু ঝামেলার প্রশ্ন হল কিন্তু তখন না পড়ে যাওয়া চ্যাপ্টার থেকে সহজ প্রশ্ন এলেও না পড়ার কারণে তখন উত্তর দেয়ার কোনো উপায় থাকবে না। ৬. রিভিশন, রিভিশন এবং রিভিশন, পরীক্ষার আগে যত পারো রিভিশন চালিয়ে যাও। ৭. সবসময় চেষ্টা করবে যেসব প্রশ্ন বেশি ভালো পারবে আগে সেগুলোর উত্তর দিতে। "প্রমাণ করো যে.." "নির্ণয় কর..." "রাশিমালা প্রতিপাদন কর..." এই ধরনের প্রশ্নে কাঁটায় কাঁটায় নাম্বার পাওয়া যায় আবার "ব্যাখ্যা করো..." "আলোচনা করো..." প্রশ্নে ব্যাখ্যা যুৎসই না হলে নাম্বার কাটা যেতেও পারে। সুতরাং প্রশ্ন চয়েস করবার সময় এমনভাবে চয়েস করবে যেন সব ধরনের প্রশ্ন মিলে তোমার ৮০% মার্কস চলে আসে। ৮. বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ব্যাকরণ অংশে জোর দিবে যাতে ফুল মার্ক্স পাও। বাংলা দ্বিতীয় পত্রে একটু ভালো করলেই দুইটা পত্র মিলে এ প্লাস এসে যাবে। ৯. সবসময় হান্ড্রেড মার্কসের এনসার দিয়ে আসবে যাতে কোনো প্রশ্নে নাম্বার কাটলেও ৮০%এর নিচে না যায়। ১০. আর সবচে' বড় কথা নিজের পড়া নিজের কাছে। তুমি নিজেই ভালো জানবে নিজের দুর্বলতা কোথায়, নিজের কোন জিনিসটা কিভাবে পরিবর্তন করতে হবে। উপদেশ বা পরামর্শ দেবার জন্য মানুষের অভাব হবে না। কিন্তু নিজেকে কিভাবে গ্রুম করতে হবে সেই ফাইন্যাল প্ল্যানটা তোমাকেই করতে হবে। সুতরাং আত্মবিশ্বাসেরর সাথে প্রস্তুতি নাও।

2752 views

Related Questions