3 Answers
সঠিক। শুধুমাত্র টাইগার ড্রিকস না। এরকম অনেক পানীয় রয়েছে মানবদেহের জন্য অপকারি। আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন।
হ্যা, তথ্যটি একদম সত্য।
এই বিষয়ে যমুনা টিভির নিয়মিত অনুষ্ঠান
"Investigation 360 Degree"
শুধুমাত্র এইটাই না বাংলাদেশে বৈধভাবে বাজারজাত করতে কোনো প্রতিষ্ঠানকে কোন নামেই 'এনার্জি ড্রিংকস' তৈরির নিবন্ধন দেয়নি কোনো সরকারি সংস্থা। 'এনার্জি ড্রিংকস' লেখা সাঁটিয়ে যেসব পানীয় বিক্রি হচ্ছে তা অবৈধ। কার্বোনেটেড বেভারেজ হিসেবে যা বাজারজাত করছে বিভিন্ন কোম্পানি, অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতার কাছে তা এনার্জি ড্রিংকস হিসেবে পরিচিত। ওই কার্বোনেটেড বেভারেজে নির্ধারিত মাত্রার অনেক বেশি ক্যাফেইন পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দিনের পর দিন সিলডেনাফিল, অতিরিক্ত ক্যাফেইন, ভায়াগ্রার, ইয়াবা ও অ্যালকোহল মিশ্রিত তথাকথিত এনার্জি ড্রিংকস পান করার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি, গর্ভপাত, মারমুখী আচরণসহ মানবদেহে ও মনে নানা উপসর্গ বাড়ছে।
এনার্জি ড্রিংকস কী কী ক্ষতি করেঃ
* এর মধ্যে মূলত চিনি বা সুগার এবং ক্যাফেইন থাকে যা তৎক্ষণাৎ আমাদের শরীর চাংগা করে তোলে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত চিনি এবং ক্যাফেইন শরীরে স্নায়বিক দুর্বলতা, নিদ্রাহীনতা এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
* এনার্জি ড্রিংকস পান করলে একজন মানুষ তৎক্ষণাৎ শক্তি পান; কিন্তু কিছুক্ষণ পরে অস্বাভাবিক ভাবে নিস্তেজ হয়ে পড়েন।
* এর মধ্যে থাকা অতিরিক্ত চিনি বা কার্বোহাইড্রেট আপনাকে মুটিয়ে ফেলে।
* এনার্জি ড্রিংকে কুইনন নামক এক ধরণের বিশেষ পদার্থ ব্যবহার করা হয় যা হাড়ের ক্ষতিসাধন করে।
* এনার্জি ড্রিংকস পান করার পর ঠিকমত দাঁত ব্রাশ করে মুখ না ধুলে দাঁতে ক্যাভিটি বা ক্ষত দেখা দেয়। এরা দাঁতের এনামেল নষ্ট করে দেয়।
* এর মধ্যে উপস্থিত ফসফরিক অ্যাসিড শরীরের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে থাকে। একটি নখ ফসফরিক অ্যাসিডের মধ্যে ৪ দিন ডুবিয়ে রাখলে তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
* এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন আপনাকে নেশাগ্রস্ত করে ফেলতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব বেশি দেখা যায়।
* অনেকে অ্যালকোহলের সাথে এনার্জি ড্রিংকস মিশিয়ে পান করেন। এতে এনার্জি ড্রিংকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সাথে অ্যালকোহলের ক্ষতিকারক দিকগুলো যুক্ত হয়।
* গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন অন্তত ১ ক্যান করে শক্তিবর্ধক পানীয় পান করলে মেটাবলিক সিনড্রোম বেড়ে যায় যা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। এমনকি ত্বকে বয়সের ছাপ বাড়িয়ে দেয়।
* অস্থিরতা, উত্তেজনা, ভয় বা প্যালপিটিশন বৃদ্ধি পায়।
* হাত-পা কাঁপতে থাকে।
* গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়।
* বুকে ব্যথা হতে পারে।
* তন্দ্রাচ্ছন্নতা দেখা দিতে পারে।
* অতিরিক্ত এনার্জি ড্রিংকস খাওয়ার ফলে শরীরের কোন অঙ্গ অবশ হয়ে যেতে পারে।
* মাথা ব্যথা ও রেসপিরেটরি ডিজিজ দেখা দিতে পারে।