4 Answers

এটা হচ্ছে বড়দের প্রতি অতিরিক্ত ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা ভক্তি। এর থেকেই ভয় করে। আপনার মনে হয় যদি ভুল কিছু বলি। আপনি আত্মবিশ্বাস বাড়ান তাহলেই পারবেন।

2859 views

সাধারণত লাজুকতা, ভয়, নম্রতা, বড়দের প্রতি সম্মান ইত্যাদির কারনে বড়দের সাথে কথা বলতে ভয় হয়। এটা দোষের কিছু নয় বরং ভাল গুন। 

2859 views

মানুষের সামনে কথা বলার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে। সে মানুষটি হোক ছেলে, হোক মেয়ে। সে কথা হতে হবে গোছালো রসমিলালো প্রশংসা মূলক। কারণ একমাত্র কথা দিয়েই মানুষের মন জয় করা সহজ। প্রথম প্রথম কথা বলতে গেলে ঠেকে যাবে জড়তা আসবে। ভূল হবে, এটা স্বাভাবিক। চর্চা করুণ সব ঠিক হয়ে যাবে। বলার সুযোগ আসা মাত্রই উঠে দাড়াবেন কারণ পৃথবীর অর্ধেক মানুষ তো দাড়াতেই সাহস পায়না। ধীরস্থিরভাবে আপনার কথা ব্যক্ত করুণ। বড় বড় নকল কথা না বলে সাধারণ কথা বলুন এবং সংক্ষিপ্ত ভাবে বলুন। মানুষের সামনে কথা বলতে সাহসী হন কথা বলার কৌশল রপ্ত করুণ, কথা বলার সঙ্গে অঙ্গ ভঙ্গিও সুন্দর করে প্রকাশ করার চেষ্টা করুণ। উত্তেজনা পরিহার করুণ। সব সময় নরমাল ভাবে কথা বলুন। মনকে বড় করুণ:- অনেকে আছে তারা কোন অনুষ্ঠানে গেলে বা বেড়াতে গেলে অন্যের সঙ্গে নিজের পোশাক পরিচ্ছদ মিলাতে শুরু করে। যখন দেখে তার পোশাক অনেক কমদামী গহনা সু আর সবার তুলনায় নিম্নমানের। সে নিজে নিজে মন থেকে নিজেকে ছোট করে ফেলে আসলে এসব কিছুই না। এজন্য মনকে বড় করতে হবে। আপনার কমদামী পোশাকটি মানান সই কিনা, পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কিনা, গহনার বেলায় সৃজনশীল কিনা, পাতের জুতা মানিয়েছে কিনা। এই হচ্ছে আসল কথা। যদি তাই হয় তবে ভাবনা নেই দেখতে আর দশ জনের চেয়ে আপনাকেও কম সুন্দর মনে হবে না। গোমরা করে বসে না থেকে নিজের যোগ্যতা প্রকাশ করুণ। দেখবেন সবাই আপনার দিকে তাকিয়ে রয়েছে সব কিছু সচেতনতার সহিত নির্বাচন করুণ। দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে অনুষ্ঠানের ধরণ ঋতু বুঝে পোশাক আনুসঙ্গীক নির্বাচন করুণ। যেন আপনার ফিগারের সঙ্গে মানায় সেদিকে লক্ষ করুণ। সেকরিফাইজ মন, কার উপকারের মানসিকতা ভিতর থেকে তৈরি করুণ এজন্য নিজের মনকে বড় করতে হবে হীন প্রবণতা পরিহার করতে হবে। লজ্জা ভয় ত্যাগ করে সাহসি হয়ে উঠতে হবে। হাস্য রস চর্চা করুণ:- নিজের সকল ভয়, ভীতি, সংকীর্ণ, মন থেকে চির তরে পরিহার করতে হাস্যরস চর্চা করতে হবে। এজন্য অনুশীলন করতে হবে। জোকস বই পড়তে হবে। কমিডিয়ান নাটক সিনেমা দেখতে হবে। বন্ধুরা মিলে একটি টিম তৈরি করে এই হাস্যরসের অনুশীলন করতে পারেন। ভাষা শুদ্ধ করতে মুখের কিছু ব্যায়াম আছে তা চর্চা করতে হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে টেপ রেকর্ডারে রেকর্ড করে পরবর্তীতে তা শুনে অবাঞ্চিত ভুল গুলো আঞ্চলিকতার টান গুলো ধরতে পারবেন। এবং শব্দ ঠিকমতো উচ্চারণ করতে বারবার অনুশীলন করে তা ঠিক মত শিখে নিন। সাহসিকতা:- নিজেকে স্মার্ট ও আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করতে হলে আগে মনের সকল সংকীর্ণতা পরিহার করে, ভয়, লজ্জা দূরে ঠেলে মন থেকে সাহসি হয়ে উঠুন। আমি পারবনা, আমার দ্বারা সম্ভব না, আমার দ্বারা হবে না, এমনহীন মনোবৃত্তি পরিহার করে মনের মধদ্যে একটি কথাই জাগরিত কুরুন যে, আমি পারবো আমার দ্বারাও সব সম্ভব। আমি বলছি না সামান্য করণেই মেরে দুচার জনের মাথা ফাটিয়ে দিতে হবে। সাহসিকতা দেখাতে উপর থেকে লাফ দিতে হবে। জোড়ে গাড়ি চালাতে হবে, আসলে এমন কিছু নয়। আসল কথা হচ্ছে নিজেকে যুগোপযোগী ভাবে তৈরি করে উপস্থাপন করা। বিপদগ্রস্থ মানুষের উদ্ধার করার জন্য, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, লোকের সামলে ও মঞ্চের মাইকে কথা বলার সাহসিকতা অর্জন করতে হবে। অনেকে আছে মেয়েদের সামনে অথবা পুলিশের সামনে কথা বলতে হাত পা কাপা কাপি শুরু করে দেয়। এসব ক্ষেত্রে সাহসি হতে হবে। মনের অস্থিরতা উদ্বিগ্নতা চাঞ্চলতা পরিহার করে ধীরস্থির ভাবে কথাগুলো বলে যান যেখানে গেলে আনিজিফিল হয় বার বার সেখানেই যান। চর্চা করুণ দেখবেন সাহসি হয়ে উঠেছেন।

2859 views


এখানে ভয় পাওয়ার তেমন কিছুই নাই।

আপনি যখন বড়দের সাথে কথা বলেন তখন আপনার ভদ্রতা বজায় রেখে মনের ভিতর সাহস রেখে সুন্দরভাবে কথা বলুন।আস্তে আস্তে মানিয়ে নিতে পারবেন সেই সাথে আপনার মনের ভয়টাও মন থেকে দূর হয়ে যাবে।

2859 views

Related Questions

আমার জিএফ এর সাথে আমার ২.৫ বছরের রিলেশন।আমার বয়স ২১ বছর আর জিএফ এর বয়স ১৮ বছর।আমার জিএফ আমাকে ছাড়াও কিছুদিন অন্য একটা ছেলের সাথে ফোনে কথা বলতো।আমি জানতে পারলে কোরান শপথ করে বলেছে, সে তার সাথে এমনি কথা বলছে।তাকে ভালবাসে না, ভালবাসে শুধু আমাকে। আর (কোরান শপথ) করে বলেছে এমন ভুল আর কোনদিন হবেনা আর সে শুধু আমাকে চাই ।২-৩ দিন অনেক কান্নাকাটি করছে আর আমার কাছে মাফ চেয়েছে।,আর সেই ছেলেটার সামনে আমার জিএফ বলেছে যে সে শুধু আমাকে ভালবাসে, আর তার সাথে এমনি কথা বলেছে।এখন কথা হলো মেয়েটা কি আমাকে সত্যই ভালোবাসে। জানাটা প্রয়োজন, কারণ মেয়েটা আমাকে প্রচন্ড চাপ দিচ্ছে বিয়ে করার জন্য।?
3 Answers 3147 Views