5 Answers
সুমা তুমি অনেক দূরে তোমায় শুধু মনে পড়ে। একটু যদি সময় পাও, একবার শুধু দেখা দাও। দেখা যদি নাই দিবে কেন তবে ভালবাসলে অথবা বন্ধু হলে?
ও আমার সুমা, ভালবেসে তোমাকে হয়ে গেছি দিওয়ানা, দোহাই তোমার তুমি মোরে ফেলে যেওনা। যতবার ভাবছি কত তুমি মিষ্টি, নিজ হাতে বিধাতার অপরূপ সৃষ্টি। তোমার চোখের সনে দাড়ায়েছি আজ, মনকথা বলে দিবো ভূলে ভয় লাজ। এক প্রান তুমি আমি দেহ হলেও দুইটি, মন খুলে বলি তোমায় ভালবাসি ♥সুমা♥।
ও প্রিয় সুমা।
তোমাদের মতো তিনতলা বাড়ি আমাদের নেই..
আমাদের মাথার উপর টিনের ছাদ;
মোজাইক, টাইলস অথবা লোমস কার্পেট নেই মেঝেতে
সুসজ্জিত দামি আসবাবে টুইটুম্বুর ড্রইং রুমনেই
কেবল মার্জিত দেয়ালে ঝুলে থাকেন রবীন্দ্রনাথ
শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সহজেই নাগাল পায় আমাদের…
উদাসীনকিছু পিঁপড়া, গুটিকয় তেলাপোকা আর
কতকগুলো সুখ স্বপ্ন আমাদের বাড়ির বাড়তি বাসিন্দা..
আমাদের উঠানে সাপ নেই, আছে চিকচিকে রোদ্দুর
তোমাদের মতোন তার কাটা লক লকে জিব নেই
আছে বিশ্বাসের উপাদানে তৈরি হয় জোড়া হাত,
লক্ষি পেঁচার ধাতব গলা নেই চার পাশ জুড়ে,
তোমাদের মতো শরীরে নেই গুয়াল ঘরের ঝাঁঝালো গন্ধ..
আমাদের আছে বন্ধু প্রতিম বিকেল, নাটাই গুড্ডি,
জোছনার জলে ভিজে যাওয়া ভরা পুর্নিমার বান,
আছে বই এর শুকনো পাতায় ডুবে থাকা সারাটি সময়..
অবিকল বিশ্বাসের মতো সুনিপুন অবিশ্বাস আমাদের নেই,
নেই কবজি ডুবিয়ে দুধ ভাত খাওয়া,
নেই ঘি-য়ে ভাজা পরোটা,
সময়ে অসময়ে নেই নিজস্ব যানবাহনে শহর ঘুরে আসা
তোমাদের মতোন;
আমাদের কারো মুখে নেই সাধের সোনার চামচ…
নেই রক্তের ভিতরে প্ররোচনার চাষাবাদ,
আপাদ মস্তক জুড়ে নেই আভিজাত্যের নর্দমা,
চোখে নেই তোমাদের মতোন ঈর্ষার পিচুটি
আমাদের ঘ রে আছে কার্তিকের অনটন..
প্রতিদিন নিয়ম করে দু ‘বেলা স্বপ্ন গুছানো আছে
শরিরের ত্বকে আছে সততার মস্রিন প্রলেপ
সমগ্র জীবন জুড়ে আছে সুখের সচ্ছল গেরস্তালি..
তোমাদের মতোন আমাদের প্লেয়ারে বাজে না
এলভিস প্রিসলি ফহুল ভলিউমে
আমাদের বুক জুড়ে, চোখ জুড়ে, স্নায়ু জুড়ে
সারাক্ষন বাজতে থাকে সোনালী স্বপ্নময় স্বদেশ;
রাজা হঁ1সের গ্রীবা নিয়ে সুন্দর দন্ডে দাড়াঁনো বাংলাদেশ….
রাতের অন্ধকার এখন আমার ছবি আঁকার ক্যানভাস।
তোমার চোখের আলো আমার রঙ।
একদিন তোমাকে যে ছুঁয়েছি সেই আঙুল আমার তুলি এখন।
আমি তোমার ঘুমের ছবি আঁকছি।
তুমি নিলীন হয়ে শুয়ে আছো এখন আমার ছবির ভেতরে।
এই ঘুম থেকে তোমাকে আমি জাগবো না।
অস্থির পৃথিবী থেকে তুলে এনে ভালবাসার দু’হাতে
তোমাকে এখন আমার স্থিরতার পটে স্থাপন করে চলেছি।
পৃথিবীর সব রূপসীরা আমার পাশে দাড়িয়ে দেখছে তোমাকে,
আমি তাদের ঈর্ষা দিচ্ছি কেননা তারা স্থিরতা পায় নি।
আমি একটু পরেই শুয়ে পড়বো তোমার পাশে–
তারপর একটু করে প্রান্তর ভরে উঠবে ঘাষে।
কালের গ্রহণ লাগা চাঁদ তখন বেরিয়ে এসে
আমাদের দু’জনেরই ছবি আঁকবে- যে দেখবে সে দেখবে ।
সুমা তুমি আসলেই অনেক খানি বিউটি, তোমার ঐ বাঁশির মতো নাকটি ৷ তোমার ঐ টানা টানা চোখ দুইটি তুমি আমার সুইটি ৷