কয়েকটা হাসির জোক্স বলেন তো?
10 Answers
৩। চাপাবাজি-১ ১ম চাপাবাজঃ আমি এত গরম চা খাই যে, কেতলি থেকে সোজা মুখে ঢেলে দেই! ২য় চাপাবাজঃ কি বলিস! আমি তো চা-পাতা, পানি, দুধ, চিনি মুখে দিয়ে চুলোয় বসে পড়ি! ৪। চাপাবাজি-২ দুই চাপাবাজের মধ্যে আলাপ হচ্ছে- প্রথম চাপাবাজ: জানিস মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারটা কিনে ফেলি। দ্বিতীয়চাপাবাজ: অত সহজ না বন্ধু! ওটা আমি বেচলেতো। ৫.চাপাবাজি-৩ তিন বন্ধু ঘুম থেকে উঠে একজন আরেকজনকে স্বপ্নের কথা বর্ননা করছে। প্রথম বন্ধুঃ "জানিস আমি স্বপ্নে দেখলাম মরুভুমির সব বালি সোনা হয়ে গেছে আর আমি সেগুলোর মালিক হয়ে গেছি।" দ্বিতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম আকাশের সব তারা স্বর্নমুদ্রা হয়ে গেছে আর আমি তার মালিক হয়ে গেছি।" তৃতীয় বন্ধুঃ "আমি স্বপ্নে দেখলাম এতো কিছু পেয়ে তোরা খুশিতে হার্টফেল করেছিস আর মরবার আগে আমাকে তোদের সব সম্পদ উইল করে দিয়ে গেছিস।" ৬। ছাত্র-শিক্ষক - শিক্ষকঃ ধ্রুব, বলতো এসিসি (ACC) তে কী হয়? ধ্রুবঃ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল। শিক্ষকঃ ভালো । এবার অয়ন বলতো বিবি (BB) তে কী হয়? অয়নঃ বাংলাদেশ ব্যাংক, স্যার। শিক্ষকঃ খুব ভাল , নন্দদুলাল তুমি এবার বলতো ইএসপিএন (ESPN)-এ কী হয়? নন্দদুলালঃ সারা দিন শুধূ খেলা হয়, স্যার।
আক্কাসঃ জরিনা টিপ খাবি জরিনাঃ কি বললি আক্কাসঃ টিপ খাবি জরিনাঃ মানে দাড়া তর বাড়ি যেয়ে আজকে বলতেছি আক্কাসঃ কি এমন বললাম আমি টিপ বিস্কুট খেতে বলছি। জরিনাঃ ও তাই দে টিপ দে
সংলাপ
বিয়ের আগে (বিয়েতে রাজি হওয়ার পর)
:
:
ছেলে: অবশেষে তুমি রাজি হলে! সত্যিই আমি আর সইতে পারছিলাম না
মেয়ে: তুমি কি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে?
ছেলে: অবশ্যই না। এ নিয়ে কখনও ভেবো না তুমি
মেয়ে: তুমি কি আমাকে ভালোবাসো?
ছেলে: অবশ্যই সারা জীবন
মেয়ে: আমাকে কখনও ধোকা দেবে?
ছেলে: নাহ! এ ধরনের চিন্তা তোমার মাথায় আসছে কীভাবে?
মেয়ে: তুমি কি আমার চুল নিয়ে খেলা কোরবে?
ছেলে: নিশ্চয়ই যতবার সুযোগ পাব...
মেয়ে: আমাকে কখনও আঘাত করবে?
ছেলে: তুমি কি পাগলী। আমি মোটেই সে ধরনের মানুষ নই।
মেয়ে: আমি কি তোমাকে বিশ্বাস করতে পারি?
ছেলে: হ্যাঁ
মেয়ে: প্রিয়তম
:
:
আর বিয়ের পরের সংলাপ? ওপরের লেখাটা শুধু নিচ থেকে ওপরের দিকে পড়ে যান
বাবাঃ আমার জন্য একটা ড্রিঙ্কস নিয়ে আসো তো দোকান থেকে । ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ? বাবাঃ ঠাণ্ডা অফকোর্স ! ছেলেঃ বাবা পেপসি নাকি কোক ? বাবাঃ পেপসি ছেলেঃ বাবা বোতলের নাকি টিনের ? বাবাঃ বোতলের , ছেলেঃ বড় বোতল নাকি ছোট বোতল ? বাবাঃ ছোট বোতল , ছেলেঃ আচ্ছা বাবা নরমাল নাই ডায়েট ? বাবাঃ ধুরু , লাগবেনা যা পানি নিয়ে আস একটা , ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ? বাবাঃ অফকোর্স ঠাণ্ডা , ছেলেঃ বাবা খাওয়ার পানি নাকি ইয়ুজ করার জন্য ? বাবাঃ মাইর খাবি এখন !! ছেলেঃ বাবা হাত দিয়ে নাকি লাঠি দিয়ে ? বাবাঃ বেশি কথা বলস , যা ভাগ সামনে থেকে , ছেলেঃ বাবা দৌড় দিয়ে ভাগব না হেটে হেটে ? বাবাঃ বেয়াদব , দিন দিন জানোয়ার হইতাসস ! ছেলেঃ কোন জানোয়ার ? কুত্তা নাকি বিলাই ? বাবাঃ আমি এখন তোরে জবাই করবো , যা বলসি !! ছেলেঃ বাবা চাকু দিয়ে নাকি বটি দিয়ে ? বাবাঃ বটি দিয়ে !! ছেলেঃ টুকরা টুকরা নাকি বড় বড় পিস ? বাবাঃ হারামি তুই যাবি ?? ছেলেঃ বাবা একলা যাব নাকি তোমার সাথে যাব ? বাবাঃ তোর উপর থাডা পরুক ! ছেলেঃ বাবা ভুমিকম্প নাকি বজ্রপাত ? বাবাঃ ওহ খোদা আমার হার্ট এ পেইন হচ্ছে ! ছেলেঃ বাবা হসপিটাল এ নিয়ে যাব নাকি ডক্টর ডাকব ?? বাবাঃ পানি দে আমাকে ছেলেঃ বাবা ঠাণ্ডা নাকি গরম ? বাবাঃ নরমাল ছেলেঃ বাবা খাবে নাকি ইয়ুজ করবে ?? .
বল্টু স্কুলে এসে মন খারাপ করে বসে আছে। . . . তা দেখে তার বন্ধু পল্টু বলল----- . . পল্টু :- "কিরে মন খারাপ করে বসে আছিস কেন?" . . বল্টু :- "আমার একটা মুরগি ছিল এখন কই চলে গেছে আর খুজে পাচ্চিনা!" . . পল্টু :- "হা হা হা হা !!! মুরগি চলে গেছে বলে মন খারাপ করছিস ?? আমার তো গার্লফ্রেন্ড চলে গেছে। তাও আমি মন খারাপ করছি না।" . . (বল্টু পল্টুকে এক থাপ্পর দিয়ে বলল) . বল্টু:- "ফাইজলামি পাইছোছ ?? তোর গার্লফেন্ড কী ডিম পাড়তো ??" . . পল্টু:- "না" . . বল্টু :- "আমার মুরগি ডিম পারতো আর আমি সে ডিম বেইচা দুইটা গার্লফ্রেন্ড চালাইতাম।"
★জঙ্গলে একটা সিংহ ঘুমাইয়া বিড়ি খাইতেছিল।
হঠাৎ একটা বানর এসে বলল : ভাই নেশা ছাইড়া দেও,
আমার সাথে আসো দেখো জঙ্গল কত সুন্দর!!
সিংহ বানরের সাথে যেতে থাকল..........
সামনে হাতি ইয়াবা নিচ্ছিল..........
বানর হাতিকেও একই কথা বলল।
হাতি ওদের সাথে যেতে থাকল.............
কিছুদুর এগিয়ে গিয়ে দেখল ............
বাঘ বাংলা মদ খাচ্ছিল। বানর বাঘকে সেই একই কথা বলায়........
বাঘ মদের গ্লাসটা নামিয়ে রেখে বানরের গালে কইষা দিল এক থাপ্পড় ,
হাতি বাঘকে বলল বেচারারে মারতাছ কেন?
বাঘ বলল এই শালা গত কালকেও গাজা খাইয়া ,
আমারে 3 ঘন্টা সারা জঙ্গল ঘুরাইছিল আইজকে আবার আইছে !!!!!
★★চান্দু একবার বাংলা পরীক্ষা দিতে গেলো!!
পরীক্ষায় সবই কমন শুধু রচনা বাদে!!
রচনা আসছে হাঁস নিয়ে!! কিন্তু চান্দু
বেচারা তো আর এইটা পড়ে নাই!! তবুও
সে চেষ্টা করলো!! আসুন দেখি তার
চেষ্টাটা কেমন হয়েছিলো!!
হাঁস(যেই প্রাণী সারাক্ষণ প্যাঁকপ্যাঁক
করে আর খায়)
আমি হাঁস পছন্দ করি!! আমার বাসার সবাইও
মনে হয় পছন্দ করে!! যদিও আমাকে বলে না,
কিন্তু আমি বুঝি!! হাঁস পানিতে থাকে!! আমিও
পানি খাই!! আমার পাশের বাসার আঙ্কেল মদ
খায়!! মদ খুব খারাপ একটা জিনিস!!
এইটা কিন্তু আমি বলি নাই!!
এইটা জ্ঞানী গুণী লোকেরা বলছে!! আমার
একটা লাঠি আছে!! লাঠি পানিতে সাতার
কাটে হাঁস ও পানিতে সাতার কাটে!! মনে হয়
তারা আপন ভাইবোন!! হাঁস পানিতে গোসল
করে আমিও পানিতে গোসল করি!! আমার
গোসল করতে মাত্র পাঁচ মিনিট লাগে কিন্ত
হাঁস সারাদিন লাগিয়ে গোসল করে!! এই জন্য
হাঁস দেখতে এত সাদা!! আর আমার গাঁয়ের
রঙটা একটু ময়লা!! বেশি না, সামান্য ময়লা!!
আমি হাঁস খুব ভালোবাসি!! হাঁসও আমাকে খুব
ভালোবাসে!!
লুঙ্গি বেচার গল্প। আসুন সবাই একটা করে লুঙ্গি নিয়ে যান! দাম 160 টাকা মাএ্র। যার ভিতর দিয়ে সুন্দর বায়ু চলাফেরা করার. সুবিধা আছে! কিন্তু যা যেকোনো কোনো সময় খুলে যেতে পারে তাই 20 টাকা কম দিতে পারেন।
বাংলা ক্লাসের
ম্যাডাম,,,,,,,,, ক্লাসে
এসে,,,,,,,, সবাইকে
বললো "কপাল" শব্দ
দিয়ে একটা বাক্য
রচনা করতে,,,,,,,
.
.
.
.
বল্টু তার খাতায়
লিখলো ""কপাল আমার
ভিজে গেলো চোখেরই
জলে"",,,,এই লেখা দেখে
ম্যাডাম বল্টুকে একটা
জোড়ে চড় দিলো এবং
জিঙ্গেস করলো-
.
.
.
.
ম্যাডাম:- "গাঁধা, চোখের
জলে কি কখনো কপাল
ভিজে?"
.
.
.
.
বল্টু:- "ম্যাডাম পরের
লাইনটা হলো,,,,, ""পা
দুটি বাধা ছিলো গাছের
ঐ ডালে""
ম্যাডাম বেহুশশশ,,,,,,,,,
পুলিশ:তুমি চুরি করলে কেন? চোর:বুদ্ধি বাড়ানোর জন্য, পুলিশ:মানে, চোর:চোর গেলে বুদ্ধি বাড়ে!