3 Answers
পরকালে আস্থা অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। অনেকেই আশ্চর্য হয়ে যান, বৈজ্ঞানিক ও যুক্তিসম্মত প্রকৃতির কোনো মানুষ কিভাবে পরকাল বা মৃত্যুর পরে আর একটি জীবনের ওপরে আস্থা রাখতে পারে? তারা ধারণা করে যে, যারা পরকালে আস্থাশীল তাদের যে আস্থা, তা একটি অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
পরকালে আমার আস্থা সঙ্গত যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত।
‘পরকাল’ একটি যৌক্তিক বিশ্বাস
বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি নিয়ে জ্যোতির্ময় কুরআন অন্তত হাজারের ওপরে আয়াত ধারণ করে আছে (এ প্রসঙ্গে বই কুরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সুসঙ্গত অথবা অসঙ্গত) বিগত কয়েক শতাব্দীতে কুরআন বর্ণিত বিজ্ঞানের অসংখ্য বিষয় সত্যায়িত হয়েছে। কিন্তু বিজ্ঞান এখনও সে পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছায়নি যাতে কুরআন বর্ণিত প্রতিটি বিষয়কে সত্যায়িত করতে পারে।
যদি কুরআন বর্ণিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব সমূহের ৮০% ইতিমধ্যে শতকরা একশ ভাগ সত্যতা নিয়ে প্রমাণিত হয়ে থাকে। বাকি থাকলো মাত্র ২০% ভাগ, যে সব সম্পর্কে বিজ্ঞানের কাছে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই। যেখানে বিজ্ঞানই এখন পর্যন্ত সে পর্যায়ে পৌঁছায়নি যাতে কুরআনের এসব বর্ণনাকে সত্য বা মিথ্যা বলে প্রমাণ করতে পারে। কাজেই আমাদের সীমাবদ্ধ জ্ঞান নিয়ে আমরা নিশ্চিত করে ঐ ২০% ভাগ অনুদঘাটিত সত্যাসত্যের এমন কি একটি আয়াতও ভুল একথা বলতে পারি না।
তাই কুরআনের ৮০% ভাগ যেখানে চূড়ান্তভাবে সত্য বলে প্রমাণিত এবং বাকি ২০% ভাগ শুধু প্রমাণের অপেক্ষায়। সেখানে যৌক্তিকতা এটাই বলবে যে, ওই ২০% ভাগও সময়ে সত্য বলেই প্রমাণিত হবে। কুরআনে বর্ণিত পরকালীন স্থায়ী জীবনের বিষয়টি ওই ২০% ভাগের অন্তর্ভূক্ত, অনুদ্ঘাটিত একটি সত্য। যৌক্তিতা এখানে তার সত্যতার দিকেই মত দেবে।
বিজ্ঞান বলেছে দুনিয়ায় যত করা আছে
ঠিক তার প্রতিকনাও তৈরি হচ্ছে, তেমনি জগতে
যে স্থান রয়েছে সেভাবে এগুলোর প্রতিস্থানও
অবশ্যই ররয়েছে, যেখানে মানুষ তার
কৃতকাজ বা প্রতিকাজ দেখতে পাবে। সেহিসেবে
বিজ্ঞান অনুযায়ী পরকাল আছে।
একজন মুসলমান হিসেবে পরকাল নিয়ে মনে কোন প্রকার সন্দেহ রাখা ঠিকনা।যদি কেউ সন্দেহ করে তাহলে তার ঈমান থাকবেনা।