আমার এক বন্ধু তার বয়স ২৭ গত ১১/০৭/১৬ থেকে জ্বর। কিছুদিন অপেক্ষার পর চিকিৎসা নিয়েছে। এতে জানতে পেরেছে তার প্রসাব এ ইনফেকসন হয়েছে।টাইফাএড নাই, সে নিওমিত ঔষধ খাচ্ছে কিন্তু সমস্যা তার জ্বর  কোনো ভাবেই কমে না এর ফলে শরিল একদম খারাপ হয়ে যাচ্ছে?কি কারনে এমন হচ্ছে কি কোরলে একটু উপকার পাওয়া জাবে জদি অভিগ্গ কেও বলতেন ভাল হতো।

2852 views

1 Answers

প্রস্রাবের ইনফেকশনে জ্বর হয়ঃ

বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাব করার সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা অনুভব হওয়া; প্রস্রাব ঘোলাটে বা লাল হওয়া, তলপেটে বা পিঠের নিচের দিকে তীব্র ব্যথা, জ্বর/কাপুনি দিয়ে জ্বর প্রভৃতি এক বা একাধিক উপসর্গ হতে পারে। অনেক সময় প্রস্রাবের সাথে রক্ত যেতে পারে। শরীর দুর্বল করে দেয়।

√√চিকিৎসা : 

ইউটিআই আসলে খুব সাধারণ অসুখ। তবে সময়মতো যদি অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া হয়, তাহলে এর থেকে মারাত্মক সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকরা রিপোর্ট অনুযায়ী উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য লক্ষণের (জ্বর, ব্যথা নাশক) চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। জটিল ধরনের প্রস্রাবের ইনফেকশনের ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন শিরায় দিতে হতে পারে। এ সময়ে পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে পানি বা তরল পান করতে হবে। আমরা চিকিৎসকরা কিছু কিছু কিডনি রোগের ক্ষেত্রে পানি কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি। আবার কিছু কিডনি রোগে বলি পানি বেশি খাবেন। ইউরিন ট্যাক্ট ইনফেকশনে আমরা বলি পানি বেশি খেতে, যাতে প্রস্রাব বেশি করে হয়ে ব্যাকটেরিয়াগুলো বের হয়ে যায়।  আমাদের দেশের আবহাওয়ায় বয়সভেদে দৈনিক ২-৩ লিটার বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত।

তবে অতি উৎসাহী হয়ে অনেক বেশি পানি পান (৫ লিটার বা বেশি) না করাই ভালো। অ্যান্টিবায়োটিক অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ মতো সম্পূর্ণ কোর্স খেতে হবে। আমরা চিকিৎসকরা ৭ থেকে ১৪ দিন এর একটি অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স দেই। ইউটিআই এমন একটি বিষয়, দুদিন ঔষধ খেলে দেখবেন হয়তবা তার কোন লক্ষণ থাকবেনা। তখনই অনেক সময় রোগী ঔষধ খাওয়া ছেড়ে দেয়। পরবর্তী সময়ে যখন তার ইউটিআই হবে তখন দেখা যাবে, ঐ ঔষধ আর কাজ করছে না তার ক্ষেত্রে। কারণ ইচ্ছেমতো অসম্পূর্ণ কোর্স খেলে ঔষধ জীবাণুর বিরদ্ধে কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলবে। 

2852 views

Related Questions