3 Answers
আনাস রাদিআল্লাহু আনহুর হাদীসে রয়েছে,
যা বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন। তারা
বলেন :
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম তরতাজা ও শিং ওয়ালা দুটি
মেষ নিজ হাতে যবেহ করেছেন এবং তিনি
তাতে বিসমিল্লাহ ও তাকবীর বলেছেন।
উসমান (রহঃ) …… বারাআ ইবনুূু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহার দিন সালাত (নামায/নামাজ)-এর পর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দান করেন। খুতবায় বলেন: যে আমাদের মত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করল এবং আমাদের মত কুরবানী করল, সে কুরবানীর রীতিনীতি যথাযথ পালন করল। আর যে সালাত (নামায/নামাজ)-এর আগে কুরবানী করল তা সালাত (নামায/নামাজ)-এর আগে হয়ে গেল, কিন্তু এতে তার কুরবানী হবে না। বারাআ- এর মানা আবূ বুরদাহ্ ইবনুূু নিয়ার (রাঃ) তখন বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমার জানামতে আজকের দিনটি পানাহারের দিন। তাই আমি পছন্দ করলাম যে , আমার ঘরে সর্বপ্রথম যবেহ করা হোক আমার বকরীই। তাই আমি আমার বকরীটি যবেহ করেছি এবং সালাত (নামায/নামাজ) আসার পূর্বে তা দিয়ে নাশতাও করেছি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার বকরীটি গোশতের উদ্দেশ্যে যবেহ করা হয়েছে। তখন তিনি আরয করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমাদের কাছে এমন একটি ছয় মাসের শেষ শাবক আছে যা আমার কাছে দু’টি বকরীর চাইতেও পছন্দীয়। এটি (কুরবানী দিলে) কি আমার জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য যথেষ্ট কবে না।