3 Answers
সৃজনশীল শিক্ষা পদ্ধতি’ আবিষ্কার করেছিলেন আমেরিকার মনোবিজ্ঞানী বেঞ্জামিন স্যামুয়েল ব্লুম।
আর এটা বাংলাদেশে আমদানী করেন মহান দ্রোন বিজ্ঞানী, চেতনা ফিল্টারের জনক স্যার জাফর ইকবাল এবং তথাকথিত শিক্ষাবিদ বুদ্ধিজীবি, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।
[তথ্য:ফেসবুক (মাটির কেল্লা)]
সৃজনশীল প্রশ্নের প্রবর্তক একক ব্যাক্তিকে বলা ভুল হবে। তবুও এর জনক হিসেবে বেঞ্জামিন স্যামুয়েল কে চিহ্নিত করা হয়। ১৯৫৬ সালে তিনি সর্বপ্রথম এর ধারনা দেন। পরবর্তিকালে এর বিভিন্ন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন ঘটে। বেঞ্জামিন স্যামুয়েল ব্লুমের এ বিষয়ক তত্ত্বটি Bloom Taxonomy হিসেবে পরিচিত। সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতির উদ্ভাবনের বা এর প্রচলনের প্রধান কারন মুখস্থনির্ভরতা থেকে ছাত্রছাত্রীদের মুক্তি দেওয়া। সাধারণ পদ্ধতিতে স্টুডেন্টরা কোনো বিষয়ে কেবল একটি স্থির ধারনা পান। এর পরিবর্তনশীলতা, ব্যাখা বিশ্লেষণ ইত্যাদি তাদের কাছে অস্পষ্ট থাকে। উদাহরণস্বরুপ সাধারণ পদ্ধতিতে আপনি শিখবেন Na+Cl = NaCl কিন্ত এ শিক্ষা আপনাকে এটা ভাবতে উৎসাহী করবেনা যে K+Cl কি হতে পারে বা এগুলি কেনো হয়। আমার উদাহরণ আপনার কাছে অস্পষ্ট হতে পারে, তবে মুল বিষয়বস্তু হলো সৃজনশীল পদ্ধতি ব্যাক্তিকে সমস্যার গভীর পর্যন্ত যেতে উৎসাহি করে কিন্ত জেনারেল পদ্ধতি কেবল যতটুকু খুব প্রয়োজন সেটুকু নিয়েই থাকে, যার ফলে শিক্ষাক্ষেত্রে ঘাটতি থেকে যায়। এই ঘাটতি দূরকরণই সৃজনশীল প্রশ্ন প্রণয়নের পাথেয়। শাহাদাত মাহমুদ ভাই,,,, তাই বলা যায়, সর্বপ্রথম সৃজনশীল আবিষ্কার করেন বেঞ্জামিন স্যামুয়েল, বাংলাদেশর কেউ না। %%%#ShahRukhKhan%%%
বাংলাদেশের কেউ সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেননি। এই আবিষ্কারটাকে বাংলাদেশের শিক্ষা নীতিতে ব্যবহার করা হয়েছে। সৃজনশীল পদ্ধতিটি 'বেঞ্জামিন স্যামুয়েল ব্লুম'(যুক্তরাষ্ট্র) ১৯৫৬ সালে প্রথম আবিষ্কার করেন।