5 Answers
মনে হচ্ছে আপনার মাথায় খুসকি থাকতে
পারে, তবে আপনার এই সমস্যার নাম হচ্ছে সেবোরিক ডার্মাটাইটিস। চুল পরিষ্কার রাখুন, নিয়মিত শাম্পু করুন। শাম্পু টি হবে কিটোকোনাজল সমৃদ্ধ। সপ্তাহে অনন্ত দুই দিন ব্যাবহার করুন। সব চেয়ে ভালো হয় একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করতে কলার জুড়ি নেই। তাছাড়া চুলের কন্ডিশনার হিসেবেও কার্যকর এই ফল। কলার ময়েশ্চারাইজিং উপাদান মাথার ত্বকে নমনীয়তা বজায় রেখে খুশকি এবং চুলকানি দূর করে। দুটি কলা চটকে এর সঙ্গে প্রয়োজনে অ্যাভকাডো মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। আধা ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলতে হবে।
সাধারণত সঠিকভাবে চুলের যত্ন না নেওয়া বা পুষ্টিকর খাবার না খেলে, এমনকি দুশ্চিন্তার কারণেও মাথার ত্বকে সমস্যা ও চুলকানি হতে পারে। আর এই সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য রয়েছে ঘরোয়া উপাদান। বেকিং সোডা পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করে মাথার ত্বকে সরাসরি লাগাতে হবে। ভালো ফলাফল পেতে এর উপর অলিভ অয়েল লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। লেবুর রস এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করার পাশাপাশি খুশকি দূর করতেও সাহায্য করে। মাথার ত্বকে লেবুর রস লাগিয়ে পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলতে হবে। যাদের খুশকির সমস্যা আছে তারা চাইলে টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। চুলকানির সমস্যা পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার জ্বলুনি দূর করতে দারুণ কার্যকর। কারণ ভাইরাস এবং ব্যাক্টেরিয়া দূর করতে এই উপাদান। মাথার ত্বক এবং চুল ভালোভাবে ধুয়ে, একটি পাত্রে অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার ও পানি সমপরিমাণে মিশিয়ে তুলায় নিয়ে সরাসরি মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। অথবা একটি স্প্রে বোতলে নিয়ে মাথার ত্বকে স্প্রে করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে। অ্যালোভেরা এটা ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে, তাই মাথার ত্বকের খুশকি, শুষ্কতা এবং চুলকানি দূর করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরার জেল আঙুলে নিয়ে সরাসরি মাথার ত্বকে লাগাতে হবে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে কেমিকল বিহীন শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলতে হবে।
kotocon shampoo ব্যবহার করলে আপনার সমস্যা সমাধান হবে। যেকোনো র্ফামেসীতে পাওয়া যায়।