2 Answers
না এটি শিরক না। কারন শিরক মানে আল্লাহর সাথে কাউকে মেনে নেওয়া। তবে এই সব উৎসব পালন করা যাবে না। এমন উৎসব পালন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ব।
ভাই আপনাকে ধন্যবাদ প্রশ্ন করার জন্য... বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার যে আয়োজন করা হয় ত সম্পূর্ণ ঈমানবিরোধী বিজাতীয় মঙ্গল শোভাযাত্রায় মিছিলের মধ্য অনেকে বিভিন্ন জীবজন্তুর মুখোশ পড় যেমন, পেঁচা, হনুমান, ভাল্লুক, হরিণ ও ইত্যাদি। হিন্দুদের বিশ্বাস মঙ্গল অমঙ্গলের মালিক লক্ষীদেবী। আর লক্ষীদেবীর বাহন হলো পেঁচা। সেজন্য পেঁচার মুখোশ ব্যবহার করা হয়। কেনন পেঁচা আসলে লক্ষীদেবী আসবে। আর তাহলে মঙ্গল হবে। (নাউযিবিল্লাহ) মঙ্গল অমঙ্গলের মালিক মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ তায়ালা। তিনিনা চাইলে কোন মানুষ অথবা কোন শোভাযাত্রা কাউকে মঙ্গল দিতে পাররে না। এ ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর আল্লাহ যদি তোমার অমঙ্গল করত চান তাহলে কেউ তা প্রতিরোধ করত পারবে না। পক্ষান্তরে তিনি যদি তোমার মঙ্গল করতে চান তবে তা রহ করার মতও কেউ নেই। তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা করেন তাকে কল্যাণ দান করেন। তিনি ক্ষমাশীল দয়ালু। (সুরা ইউনুস: আয়াত নং ১০৭) উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, মঙ্গল শোভাযাত্রা বিজাতীয় উৎসব। কোন মুসলমানের জন্য এ উৎসবে যোগদান করা কোনক্রমে বৈধ নয়। ইসলামে এ ধরণের পালনের কোন সুযোগ নেই। শয়তান ক মানুষকে ধোকা দিয়ে নববর্ষ উদযাপন নামে এসব শিরকপূর্ণ কার্যকলাপ করত প্ররোচিত করছে। এজন্য অনেক আকর্ষণ যুক্তিও মানুষের মাথায় ঢুকিয়ে দিচ্ছ মুখরোচক কুযুক্তির কবলে পড়ে এসব শির কাজ যে অন্যায় এ অনুভূতি ও বিশ্বাস মানুষের মন থেকে দুরীভূত হচ্ছে। ফলে অনেক হারাম কাজকেও তারা হালাল করছে। আর হালাল কাজকে হারাম মন করছে। এভাবে মানুষের ঈমান নষ্ট হচ্ছে....