3 Answers
প্রকৃতি কতগুলো নিজস্ব বিচিত্র নিয়ম মেনে চলে। কোন জীবের সারা শরীরে রোম, কারো বা দুটো পাখা। মোটামুটি স্তন্যপায়ী জীবের শরীরে রোম আর পাখিদের হয় পাখা। একদিকে চুল যেমন শরীরের উষ্ণতাকে বজায় রাখে তেমনি আবার রোদের ঝলসানি থেকেও বাঁচায়। স্পর্শের অনুভবে সাহায্য করে। কিন্তু কথা হল, পুরুষদের দাড়ি গোঁফ হয় কেন, আর মেয়েদের হয়না কেন? এইই কেন – এর উত্তরটা দেখা যাক। জন্মানোর সময় বাচ্চাদের শরীরের হালকা রোম থাকে, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ তা কড়া হয়ে উঠে। ছেলেমেয়েদের যৌবনোদ্গম ঘটে এগারো থেকে তেরো বছর বয়সের মধ্যে। এই বয়সেই দেহের বিভিন্ন যৌন গ্রন্থিদের বাড়তে দেখা যায়। পুরুষদের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ আর অন্যান্য যৌনগ্রন্থি এন্ড্রোজেন (androgen) নামে এক রকম যৌন হরমন তৈরী করে শরীরে ছাড়তে থাকে। মেয়েদের বেলায় তাদের অণ্ডাশয় থেকে যে যৌন হরমন বের হয় তার নাম এস্ট্রোজেন (oestrogen)। যৌবনোদ্গমে এন্ড্রোজেনের কাজ হল মুখে, বুকে চুলদাড়ির জন্ম দেয়া, কণ্ঠস্বর ভারী করে তোলা। আর এস্ট্রোজেনের কাজ হল মেয়েদের স্তনের আকার বড় করা। স্ত্রী-পুরুষ উভয়েরই শরীরে এই হরমনরা অনেক অদল-বদল ঘটায়। একদিকে মেয়েদের শরীর যেমন কমনীয় হয়ে উঠে, অন্যদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে হয় কিছুটা কর্কষ। এক ধরণের এস্ট্রোজেনের নাম হল প্রোজেস্ট্রোজেন (progestrogen) যার কাজ হল গর্ভ নিয়ন্ত্রণ করা। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, এন্ড্রোজেন ক্ষরণ না হওয়ার ফলে মেয়েদের দাড়ি গোফ হয়না।
সোর্সঃ amarblog
পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌনগ্রন্থি এন্ড্র্রোজেন (androgen) নামে এক রকম যৌন হরমোন তৈরি করে শরীরে ছাড়তে থাকে। এক্ষেত্রে মেয়েদের বেলায় যে যৌন হরমোন বের হয় তার নাম এস্ট্রোজেন (oestrogen)। এন্ড্রোজেনের কাজ হলো পুরুষদের মুখে, বুকে চুল বা দাড়ির জন্ম দেওয়া, কণ্ঠস্বর ভারি করে তোলা। মেয়েদের ক্ষেত্রে এন্ড্রোজেন ক্ষরণ না হওয়ার ফলে মেয়েদের দাড়ি-গোঁফ হয় না।
আসলে প্রকৃতি কতকগুলো নিজস্ব নিয়ম মেনে চলে। তবে ডাক্তারি ব্যাখ্যা করতে গেলে বলতে হয় প্রত্যেক শিশুর জন্মানোর সময় গায়ে হালকা লোম থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশই তা কড়া হয়ে উঠে। ছেলে-মেয়েদের বয়োসন্ধি ঘটে সাধারণত এগারো থেকে তের বছরের মধ্যে। এই বয়সেই দেহের বিভিন্ন যৌন গ্রন্থিগুলো বিকষিত হতে থাকে। পুরুষদের ক্ষেত্রে অন্ডকোষ ও অন্যান্য যৌনগ্রন্থিসমূহ এন্ড্রোজেন নামে এক ধরনের হরমোন তৈরি করে শরীরে ছড়াতে থাকে। মেয়েদের ক্ষেত্রে তাদের অন্ডাশয় থেকে বিশেষ ধরনের হরমোন এস্ট্রোজেন তৈরি হয়। এন্ড্রোজেন বয়োসন্ধিকালে পুরুষের মুখে দাঁড়ি গোঁফ, বুকে লোম, কন্ঠ স্বর ভারী করে তোলে। এস্ট্রোজেন মেয়েদের বুক স্ফিতকরন, ঋতুমতি করা, গলার স্বরে কমনীয় ভাব আনতে সাহায্য করে। তবে নারী দেহের গর্ভ নিয়ন্ত্রঙ্কারী হরমোন প্রোজেস্টোজেনও এক ধরনের এস্ট্রোজেন হরমোন। তাই নারী দেহে পুরুষ দেহের মত এন্ড্রোজেন হরমোন সৃস্টি বা ক্ষরন হয় না বলেই মেয়েদের দাঁড়ি গোঁফ হয় না।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy
