1 Answers
সম্প্রতি পয়লা বৈশাখের নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ এ বিষয়টির ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও নজরদারির আওতায় আসছে। কেউ চাইলেই এখন আর এ ধরনের অপরাধ ঘটিয়ে পার পাবে না। সূত্র জানায়, প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে অত্যাধুনিক এ প্রযুক্তির সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কোম্পানি ‘স্ন্যাপ ট্রেন্ডস’। চুক্তি অনুযায়ী রয়েছে পাঁচ বছরের সার্ভিসিং ওয়ারেন্টি। যে কোনো ধরনের সমস্যার সমাধান নিশ্চিত করবে ওই প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে স্ন্যাপ ট্রেন্ডসের পক্ষ থেকে র্যাবের ২০ জন সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। র্যাব সদর দফতর থেকে নিয়ন্ত্রিত হবে এই প্রযুক্তির কার্যক্রম। পর্যায়ক্রমে আরও র্যাব সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। সূত্র আরও জানায়, গত কয়েক বছর ধরে এক শ্রেণির মানুষ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে সরকারকে। এ ধরনের পরিস্থিতিগুলোকে বিবেচনায় এনে দেশে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তির সংযোজন ঘটাতে যাচ্ছে র্যাব। দেশের আইনের পরিপন্থী কোনো পোস্ট দিলে মুহূর্তেই এর স্ক্রিন শট চলে আসবে র্যাবের কমান্ড সেন্টারে। একই সঙ্গে ওই উসকানিমূলক পোস্ট দাতা ব্যবহার করেন এমন ই-মেইলসহ সবকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও চলে আসবে নজরদারির মধ্যে। ওই পোস্টে লাইক দিয়েছেন, কমেন্ট করেছেন কিংবা শেয়ার করেছেন ওই ব্যক্তিরাও একইভাবে নজরদারির আওতায় চলে আসবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক র্যাবের এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, সম্প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও ধর্ম নিয়ে উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করেছেন। ওই সব পোস্ট দাতার বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। সমাজ কিংবা রাষ্ট্রের শান্তি নষ্ট করার অপচেষ্টাকে যে কোনো মূল্যে রুখে দেওয়া হবে। র্যাব সদস্যরা এ জন্য প্রস্তুত।
250185 views
Answered