বাস্তবে কালো মানুষ ফর্সা হওয়ার ক্রিম?
3 Answers
আসলে এসব ক্রিম ত্বকের ক্ষতি করে তাই এসব ক্রিম ইউস না করাই ভালো আপনি চাইলেই বাড়িতে নাইট ক্রিম তৈরি করতে পারেন নাইট ক্রিম এর সাহায্যে আপনি এক সপ্তাহে ফর্সা হতে পারেন,, নিচে নাইট ক্রিম তৈরি করার নিয়ম বিষদভাবে বর্নণা করা হলো :- যা যা লাগবে: – ১ মুঠো কাঠবাদাম – আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো – ১ টেবিল চামচ টক দই – ২ চা চামচ লেবুর রস – পরিমাণমতো চন্দন গুঁড়ো পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধি: – কাঠবাদাম সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে এই কাঠবাদাম পিষে নিন মিহি করে। – এরপর কাঠবাদামের সাথে চন্দন গুঁড়ো বাদে সব উপকরণ একসাথে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। – তারপরও অল্প অল্প করে চন্দনের গুঁড়ো মেশাতে থাকুন যাতে নরম পেস্টের মতো তৈরি হয়। ক্রিমের মতো ঘন মিশ্রন তৈরি করতে যতোটা লাগে চন্দন গুঁড়ো দিন। – ভালো করে মিশিয়ে তৈরি করে নিন নাইট ক্রিমটি। পরিষ্কার একটি কৌটায় ভরে ১ সপ্তাহ পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে পারেন। – প্রতিদিন রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার করে এই ক্রিমটি লাগিয়ে নিন ত্বকে। কিছুদিনের মধ্যেই ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে থাকবেন।
তাতে আপনার ক্ষতি। তাই নিচের নিয়মটি মেনে চলুন – ত্বককে বাইরের ধুলাবালি ও রোদ থেকে রক্ষা করুন। কারণ বাইরের রোদের তাপ ত্বকে পিগমেন্টেশন তৈরী করতে পারে। ফলে ত্বকে সহজে কালচে ছোপ পড়ে। তাই বাইরে বের হওয়ার সময় রোদের তাপ থেকে ত্বককে দূরে রাখতে হবে। বাইরে বেশীক্ষণ অতিরিক্ত ধুলাবালি ও কড়া রোদে কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সারাদিনে ৩ থেকে ৪ বার মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা দিতে হবে। -সপ্তাহে কমপক্ষে দুই থেকে তিন দিন মুখে স্ক্রাব করতে হবে। এখন বাজারে অনেক ধরনের স্ক্রাব পাওয়া যায়। বিশেষ করে সাইট্রিক এসিড, গ্লিসারিন অয়েল, ফ্রুট যুক্ত স্ক্রাবগুলো ছেলেদের স্কিন এর জন্য অনেক ভাল হয়। কারণ স্ক্রাব ত্বক থেকে ধুলা, অতিরিক্ত তেল দূর করে স্কিনকে পরিষ্কার করে তোলে। -রাতে ঘুমানোর আগে একটা আইস কিউব নিয়ে সম্পুর্ণ মুখে ভালোভাবে ঘষে নিন। এতে করে ত্বকে রক্ত চলাচল সচল থাকে। আর ত্বকের রক্ত সঞ্চালণ প্রবাহ ভালো থাকলে ত্বক দ্রুত উজ্জ্বল হয়। এরপর যেকোনো একটা মশ্চারাইজার ক্রীম লাগিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ঘষে ম্যাসাজ করে নিন। -একটা লেবু কেটে খোসাসহ মুখে ভালভাবে ঘষে নিন। লেবুর সাইট্রিক এসিড আপনার ত্বকের অতিরিক্ত তেল, পিগমেন্টেশন, রোদে পোড়া দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এর ভিটামিন সি মুখের কালো দাগ দূর করে ত্বককে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে। -প্রাকৃতিকভাবে ত্বককে উজ্জ্বল করতে শসা খুব উপকারী উপাদান হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন বাসায় ফিরে মুখ ধোয়ার আগে শসার টুকরো দিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট মুখ ঘষে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। প্রতিদিন ব্যাবহারে ত্বক অনেক পরিষ্কার হয়। এছাড়া শসার রস ত্বকে প্রাকিতিক মশ্চারাইজার হিসেবেও কাজ করে। – এক চামুচ কাচা হলুদের সাথে কাচা দুধ মিশিয়ে পেষ্ট তৈরী করে সম্পূর্ণ মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে নিন। কাঁচা হলুদ ত্বকের কোমলতা ধরে রাখে এবং কাঁচা দুধ স্কিনের কমপ্লেকশনকে আরো ফর্সা করতে সাহায্য করে। -অ্যালোভেরার জেলোতে প্রচুর পরিমানে আন্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ফাটা ত্বক সারিয়ে তুলতে অনেক উপকারী। সপ্তাহে ১ থেকে ২ দিন অ্যালোভেরা জেলো মুখে মেখে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে মুখ ধুয়ে নিন। এটি ত্বকের মৃত কোষগুলো বের করে ত্বককে আরো উজ্জ্বল করে তোলে। – শুষ্ক ত্বকের জন্য মধু অনেক উপকারী। আধা চামুচ মধুর সাথে এক টুকরো লেবুর রস মিশিয়ে মুখে ভালোভাবে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।
আসল কথা হলো ক্রিম মানুষকে সুন্দর করে না উজ্জলতা বাড়াতে সাহায্য করে। আর আপনি যে ক্রিমটির কথা বলেছেন সেটা একদম ভুয়া । আপনি Herbal Fairness Cream টি ব্যবহার করুন ত্বকের উজ্জলতা বাড়বে।