1 Answers
মানুষ নিজের ইচ্ছায় এ পৃথিবীতে আসে নি।আল্লাহ তাঁর ইচ্ছায় মানুষকে পৃথিবীতে প্রেরন করেছেন।এর মধ্যে কেউ মুসলিমদের ঘরে জন্মগ্রহন করে,কেউবা জন্ম গ্রহন করে হিন্দু,খ্রীস্টিয়ান,ইহুদী, কিংবা বৌদ্ধের ঘরে।যে যেই ঘরেই জন্ম নিক না কেন বড় হওয়ার পর চিন্তাশীল মানুষ মাত্রই যখন দেখে প্রত্যেক ধর্মই নিজেদের সত্য হওয়ার জোড়ালো দাবি করে তখন সে সত্য ধর্ম অন্বেষণের পথে পা বাড়ায়।আল্লাহ তা আলা প্রত্যেককে একই ধর্মের করে সৃষ্টি করতে পারতেন।কিন্তু কে সত্যান্বেষী তা পরীক্ষা করার জন্য তিনি তা করেন নি।আল্লাহ বলেন- আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে।সূরা বাকারা-২৮৬ আপনার পালনকর্তা কারও প্রতি জুলুম করবেন না।সূরা কাহাফ-৪৯ আল্লাহ যেহেতু কারো উপর তার সাধ্যের অতীত বোঝা চাপিয়ে দেননা আর কারো উপর জুলুম করেন না,তাই ফলাফলের সময় ও তিনি সেভাবেই দিবেন। বান্দা যদি সহীহ নিয়তে গবেষনা করে অবশ্যই তিনি সত দেখাবেন।আল্লাহ কোর আনে বলেছেন প্রত্যেকে মানুষই ইসলামের ফিতরাতের উপর জন্ম গ্রহন করে।আল্লাহ বলেন- তুমি একনিষ্ঠ ভাবে নিজেকে ধর্মের উপর প্রতিষ্ঠিত রাখ। এটাই আল্লাহর প্রকৃতি, যার উপর তিনি মানব সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরিবর্তন নেই। এটাই সরল ধর্ম। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।সুরা রুম-৩০ পৃথিবী সৃষ্টির পর একটা মাত্র ধর্ম ছিল,তা হল ইসলাম, কিন্তু পরবর্তীকালে শয়তান এর প্ররোচনায় পড়ে,মানুষ বিভিন্ন গোত্রে ভাগ হয়ে শুরু করে নতুন জীবন,আর নিজেদের সৃষ্টি কিছু নিয়মকে ধর্মের নিয়ম মেনে নিয়ে জীবন অতিবাহিত করতে থাকে,এর ফলেই ভিন্ন ধর্মের মানুষ আজ পৃথিবীতে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy