কারন আগের প্রশ্নে জেনেছি হূজুর (সঃ) এর চাচা ১০ জন তারা হলেন ঃ আল-’আব্বাস, হামযা, ’আবদুল্লাহ, আবুতালিব, যুবায়ের, হারেস, হাজলা, মুকাওয়েম, দিরা, আবু লাহাব (প্রকৃত নাম আবদুল উয্যা)।,
15319 views

1 Answers

সম্মানিত পিতার পক্ষ থেকে মহানবী (সাঃ) এর পবিত্র বংশধারাঃ মুহাম্মদ (সাঃ) ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব ইবনেহাশিম ইবনে আবদে মানাফ ইবনে কুসাই ইবনে কিলাব ইবনে মুররা ইবনে কা’ব ইবনে লয়াই ইবনে গালিব ইবনে ফেহর ইবনে মালেক ইবনে নাযার ইবনে কেনাননাহ্ ইবনে খুযষাইমা ইবনে মুদরিকা ইবনে ইলিয়াছ ইবনে মুযার ইবনে নিযার ইবনে মা’আদ ইবনে আদনান। এই পর্যন্ত বংশ ধারা উম্মতের ঐক্যমতে প্রমাণিত। এবং এখান থেকে আদম আলাইহিসসালাম পর্যন্ত বংশ তালিকায় মতানৈক্য থাকায় তার বিবরণ পরিত্যাগ করা হল। সম্মানিত মাতার পক্ষ থেকে বংশ তালিকা নিম্নরূপঃ মুহাম্মদ (সাঃ) ইবনে আমিনা বিনতে ওয়াহাব ইবনে আব্দেমানাফ ইবনে যুহরা ইবনে কিলাব। ইহা দ্বারা বুঝা যায় যে, কিলাব ইবনে মুররা পর্যন্ত মহানবী (সাঃ)-এর পিতা ধারা একসাথে মিলিত হয়ে যায়। প্রিয় নবীজির (সা.) দাদাজান আব্দুল মোত্তালিব পরপর ছয়টি বিয়ে করেছিলেন। এদের মধ্যে দ্বিতীয় জনের নাম ফাতেমা বিন্তে আমর ইবনে আয়েয। এর গর্ভে ছয় কন্যা ও চার পুত্র জন্মগ্রহণ করেন। চার পুত্রের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন আমাদের প্রিয় নবীজি (সা.) এর পিতা হযরত আব্দুল্লাহ্। হযরত নবী করীম (সা.) এর দাদা আবদুল মোত্তালেব সর্বমোট ছয়টি বিয়ে করেছিলেন। এদের গর্ভে তাঁর পনেরজন পুত্র এবং ছয়জন কন্যা জন্মগ্রহণ করেছিলেন। হযরত নবী করীম (সা.) এর দাদীর নাম ছিল ফাতেমা বিনতে আমর ইবনে আয়েয। এর গর্ভে জন্মগ্রহণকারী পুত্রগণ ছিলেন- যুবায়র, আবু তালেব, কা’বা ও আব্দুল্লাহ্। সর্বকনিষ্ঠ আব্দুল্লাহ্র ঔরসেই হযরত নবী করীম (সা.) এর জন্ম। একই মায়ের গর্ভে কন্যাসন্তান ছিলেন ছয়জন। এদের নাম ছিল- উম্মে হাকীম, বাইদা, উমাইমা, আরওয়া, বাররা ও আতেকা। হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর অন্য পাঁচ দাদীর গর্ভে জন্মগ্রহণকারী চাচাদের নাম ছিল- হারেস, আব্দুল উজ্জা (আবু লাহাব), মুকাওয়াম, হাজাল, মুগীরা, যেরার, ক্বাসাম, গাইদাক, মাসআব, হামযা ও আববাস। চাচাদের মধ্যে শুধু শেষোক্ত দু’জন ইসলামে দীক্ষিত হয়েছিলেন। ফুফুগণের সবাই ইসলামে দীক্ষিত হয়েছিলেন এবং এদের সবারই সন্তানেরা সাহাবী ছিলেন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর মা আমেনার পিতার নাম ছিল ওহাব এবং মাতার নাম বাররা।

15319 views

Related Questions