আমারর নাম হাবিব আমি আমার পরিচয় গোপন রাখতে চাই। আমার জিবনে এখন অশান্তির ঝর বইছে আমি আপনাদের কাছ থেকে ভাল পরার্মশ চাই দয়া করে যদি দিতেন যে এখন আমি কি করব শুরু কাহিনী ১# তখন আমি আমার মামার বাড়িতে আমার মামার একটা অসুবিধার কারনে মামার দোকান চালাইতে হচ্ছে এদিকে আমার ফুফাতো বোনের বিয়ে ঠিক বাড়ি থেকে বার বার ফোন দিচ্ছে এবং ফুফাত বোন ফোন দিতেছে যে তার বিয়েতে যেতেই হবে না হলে কোন দিন আমার সাথে সে কোন দিন কথা বলবে না ফুফু বলল আমি তাকে আর যেন ফুফু বলে পরিচয় না দেয়। যাই হোক মামাকে অনেক বিপদে রেখে ফুফুর বাড়িতে যাব ঠিক করলাম। বিয়ে বাড়িতে আসার পর দেখি আমার সকল চাচাতু ভাই +বোন আগের দিন চলে আসছে আমাকে দেখে সকলে অনেক খুশি ফুফাত বোন ত অনেক খুশি সে বলল আমি আর আমার আরেক চাচাতু ভাই দ্বীন ইসলাম তার সাথে যেতে হবে তার স্বামির বাড়িতে, আমরা তার কথা রাজি হলাম। বর আসল সাথে তিন জন মেয়ে ও আসল আমি গেইটে একটা মেয়ে কে ইস্প্রে দিয়ে তার মুখ ঢেকে দিলাম বর পক্ষ খাওয়া দাওয়া শেষ (বর +কনের) বিয়ে হল এবার যাওয়ার পালা। কাহিনী ২#. গাড়ি থেকে নামলাম বরের বাড়ি থেকে ২মিনিট হাটার পথ দূরে হাটতেছি আমি আর পথে সাঁকো পার হতে হবে ত আমি স্প্রে দেওয়া মেয়ের সাথের আরেক টি মেয়েকে বললাম আপু আমরা কি সাঁকোর ওপর দিয়ে যাব নাকি নিচে দিয়ে নৌকাতে পাড় হব সে বলল আমাকে বলছেন কেন আমি কি জানি এক কাজ করে আমাকে Follw করতে করতে আসেন যাক সাঁকো পাড় হয়ে বাড়িদে গেলাম সকলের সাথে পরিচয় হলাম। এই দিন রাত্র গেল সকালে আমরা দুই চাচাতু ভাই ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করলাম দুপুর হল আমি আর দ্বীন ইসলাম আমাদের ফুফাত বোন তার দেবর বসে কথা বলতেছি ঠিক তখনই সাঁকোর মেয়েটি আসল ফুফাত বোন বলল ওর ননাসানজিদা আমার খালা শাশুরির মেয়ে আর ওরা আমার মামাতু ভাই সানজিদা। তখন সানজিদা বলল আমাদের কে ভাল আছেন তখন আমি বলাম কাকে বললেন আমাদেরকে সে বলল হ্যা। আমি বললাম আমার ত মনে হয় না আমাদের বলছেন কারন এখানে বলতে পারতেন আপনারা কেমন আছেন ও বলল আচ্ছা ঠিক আছে ওকে। বিকাল হল আমি বায়না দরলাম বাড়িতে চলে আসব কারন ঐ খানে আমার ভাল লাগেনা তখন সে বলল আসেন আমরা সকলে বিকালে ঘুরতে বের হই। দ্বীন ইসলাম বলল চল যাই গেলাম আমারা সকলে হাটতেছি কথা বলতেছি সানজিদা আমার সাথে কথা বলে আমি ও বলি সন্ধা হল বাসায় ফিরে আসব হঠাৎ সানজিদা বলল বাড়ির পূর্ব দিক একটা পুকুর আছে এই পুকুরে যে রাত্রে ৮ টা সময় নেমে গোসল করতে পারবে সে যা চাইবে আমার কাছে আমি তা দেব। তখন আমি বলাম আমি গোসল করব সে বলল সিউর হ্যা সিউর। কথাটা আমি আর দ্বীন ইসলাম আমার ফুফাত বোন কে বললাম সে মানা করতে শুরু করল যে এই পুকুরে রাত্রে একটা সিকল ভাষে কিন্তু আমি তার কথা শুনিনি রাত ৮ টা সময়। ওকে ডাকলাম আসার জন্য সে আসল বলল একটু পরে আসব আমার আম্মু বিষয়টা যেনে ফেলছে পরে সে আমাকে আর দ্বীন ইসলাম কে ডাকল আমরা গেলাম পুকুরের পারে গাটলায় নামব না না নামব চিন্তা করছি আবার বাবি কথা ত দিছি ওকে তা ছাড়া ওকে আমার খুব ভাল লাগল এবং ভাবছি সানজিদা কে প্রোফোজ করব আর তা করবে হলে আমাকে পুকুরে নামতে হবে। আমি সানজিদা কে বললাম আমি কিন্ত সিউর নামব হ্যা নামেন দেখি কতত সাহস। আমি নেমে গেলাম হাঁটু পানি পর্যন্ত তখন তার সাথে আরেক জন মেয়ে ছিল সে বলল হাবীব ভাই কে মানা কর আর নামতে যদি কিছু হয়ে যায় তখন সে বলল দেখেন আর নামবেন না প্লিজ তখন আমি বলাম গোসল করে আসি সমস্যা নাই সানজিদা বার বার অনুরোধ করবতে লাগল আমি ওটে এলাম এবার সে বলল আপনি কি চান দ্বীন ইসলাম কে টগে আমি বলে রাখছি দ্বীন ইসলাম বলল হাবীব আপনাকে চায়। তখন সে চমকে উটল বলল তা কোন রকমে সম্বভ না বলাম কেন সে বলে আপনার আমার সম্পর্ক কেহ মানবে না আবার বলে তার বি এফ আছে এই বলে চলে গেল পরের দিন সকালে আমরা নাস্তা করব সানজিদা নাস্তা দিতে আসল আমি বলাম দ্বীন ইসলাম কে এইটা অমনি সানজিদার হাত থেকে কিছু নাস্তা আমার উপর পরে গেল আর সানজিদা হাসতেছে দুপুর ১১টা বাজে সানজিদা কে বললাম কি বলছিলাম রাত্রে সে বলে জানিনা। আমি তখন দোকান থেকে ২টি ব্লেড আনলাম ১ টি ব্লেড খুলে আমার হাতে কাটতে শুরু করলাম H+S তখন সানজিদা ব্লেড অামার হাত থেকে নিয়ে তার হাত কাটে সামান্য পরে অনেক কান্না করতে লাগল ঘরের একটি খালি রুমে অামি অাসলাম তার হাতের কাটা তে টিসু দিয়ে চেপে দরলাম ও আমার দিক তাকিয়ে রইল এই খবর সানজিদার আব্বুর কানে চলে গেল আমি দ্বীন ইসলাম সতর্ক রইলাম পরের দিন আমারা চলে আসব সকালে সানজিদা কোন খাবার খাচ্ছে না আমি ও নাস্তা করিনি ঘর থেকে বেরর হয় পুকুর পাড়ে চলে গেলাম সে আমার সাথে সেখানে চলে গেল এবং আমার হাত দরে বলতেছে সে আমাকে ছাড়া বাচবেনা আর কান্না করতেছে এই বলে চলে আসল আমি আমার নাম্বার দিয়ে দিলাম তাকে সে নিল কিন্ত নাম্বার টা দ্বীন ইসলাম এর কাছে দিয়ে দিল কারন তার আম্মু নাকি শুইনাফেলছে আর সে ফোন ইউস করে না আমি নাম্বার টা ছুরে ফেললাম রাগে ছুফার নিচে সানজিদা দেখছে। বাড়িতে চলে আসব সানজিদা আমার সাথে ১ হাত দুরে আসতে লাগল এগিয়ে দিততে সাথে আরও অনেক লোক সে আমার দিক তাকাই আর কান্না কররে। আমার কষ্ঠে বুক ফাটে ইচ্ছে করে তাকে সাথে নিয়া আসি চলে আসলাম। রাত্রে আমার কান্না দ্বীন ইসলাম ও আমার ফুফাত বোনন কেহ থামাতে পারে না যাক পরের দিন সানজিদা আমাকে বিকাল৪টা ফোন করল বলল যে আমরা ঢাকা চলে আসছি সকালে সানজিদা এই বলে ফোন কেটে দিল আমি ফোন দিলাম সে বলে আপনি আমার জন্য কোন চিন্তা করবেন না আমারা সকলে ঠদঢাকা থাকি সবুজ বাগ আর একটা কথা আপনি কি আমাকে সত্যি লাভ করেন আমি বললাম হ্যা সে বলল আমার না গতকাল আপনার হাতটা ছাড়তে ইচ্ছে কররছিল না।তার পর বাদ্য হয়ে ছারতে হল তার পর বলল আমাকে আমার আব্বু আম্মু আমাকে অনেক বকছে আরো অনেক কথা বলার পর ফোন রাখিয়া দিল এই ভাবে আমাদের সম্পর্ক গবির হয় হটাৎ একদিন সানজিদা আমাকে মেসেজ করে কিন্ত সাথে সাথে মেসেজ বেক করতে পারি নি ১০ মিনিট পর বেক করি আর এই মেসেজ তার আম্মু দেখে ফেলে আর তখন থেকে সে আমাকে ৪ দিন ফোন করতে পারে নি পড়ে সানজিদার আব্বু আমার ফুফাত বোন এর জামাই এর কাছে সব কিছু বলে পরে দুলা ভাই ন্কি আমার ফুফাতু বোন কে অনে ক বকছে এবং বলছে সে নাকি সব কিছুর জন্য দায়ি তখন ফুফাত বোন আমাকে কসম দিল আমি যেন আর সানজিদার কাছে আর ফোন না দেই আমি বললাম ঠিক আছে। সে বলে যদি কথা বলছ তাহলে আমার মরা মুখ দেখবি 6 minutes ago Sanjid Ahasan Habib আমি তার পর ও সানজিদার কাছে ফোন দিয়ে কথা বলছি গত ৩ দিন আগে সানজিদা আমা কে বলে আমি আমাদের গ্রামের বাড়িতে আসছি আমি বললাম আমি আসি তোমাকে দেখতে সে বলে না আমার কছম আপনি আইসেন না আব্বু আমাকে মেরে ফেলবে আরো অনেক কিছু বলছে এবং সে আমাকে নাকি অনেক মিস করে গতকাল সানজিদা ঢাকা চলে গেছে এখন সে আমার নাম্বারটা ব্লক লিষ্ট ফালাই রাখছে কারনটা কি আমি বুঝতে পারি নি বলবেন কি Just now
3183 views

2 Answers

দেখুন সমস্যা কিন্তু খুব স্বাভাবিক বিশেষ করে,প্রেমের ক্ষেত্রে, আর যে সমস্যাগুলো হচ্ছে তা মোটেও নতুন নয়। প্রথমত বলব মেয়ের attitude দেখে বুঝা যাচ্ছে, মেয়ে আপনাকে অনেক ভালোবাসে, আবার দেখা যায় আপনার বোনের প্রতিও তার শ্রদ্ধা রয়েছে, আবার নিজের মা-বাবা কেও সে ভয় পায়। সব শেষ ঘটনাটি ঘটল গ্রামে এসে, আমি যতটুকু ধারনা করলাম তাতে মনে হয়,আপনাদের জন্য আপনার ফুফাতো বোনের ফ্যামিলতে যে সমস্যা হচ্ছে তা আপনার ফুফাতো বোন,সানজিদা কে বলেছে, আর সেই এই কারনেই আপনাকে এড়িয়ে চলছে,চিন্তা করবেন, সত্যিকারের ভালোবাসা হারিয়ে যায় না, অভিমান শেষেই ফিরে আসবে। অপেক্ষা করুন হতাশ হবেন না।

3183 views

দুজনের কিছু অসাবধানতার কারণেই সম্পর্ক টি জটিল সমস্যায় পরিণত হয়েছে,,, মেয়েটি আপনাকে ভালোবাসে, পরিবার কে ও সম্মান করে, আবার বাবা মাকে ও শ্রদ্ধা করে। আবার দুজনের সম্পরকের কারণে ফুফাতো বোনের সাংসারিক সমস্যা তৈরী হয়েছে, যার কারণে আপনাকে কসম দিতে ও ফুফাতো বোন চিন্তা করেনি কেননা নিশ্চয়ই তিনি ঝামেলার মধ্যে রয়েছেন, এখন কিছু দিন ধৈর্য্য ধরুণ হতাশ হবেন না, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দেখবেন মেয়েটি আপনার খোঁজ নিবে কেননা সত্যিকার প্রেম কখনো শেষ হয়না, সামান্য কারনে যে সম্পর্ক ভেঙ্গে যায়, সে সম্পর্কে কোন ভালোবাসা থাকে না এইখানে এতো কঠিন সমস্যার পরে ও আপনাকে মেয়েটি ভালোবাসে তা আপনাকে বুঝতে হবে,,

3183 views

Related Questions